
বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা বলিউড নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’, ‘দেব-ডি’, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’-এর মতো সিনেমা দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই অনুরাগ কাশ্যপই একসময় থাকতেন মুম্বাইয়ের ফুটপাতে।
সম্প্রতি ম্যাশবেল ইন্ডিয়ার ‘দ্য বম্বে জার্নি’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের সংগ্রামের দিনগুলো নিয়ে কথা বলেছেন অনুরাগ কাশ্যপ। মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা নিজের ছবি ‘অলমোস্ট পেয়ার উইথ ডিজে মোহাব্বতে’র প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেন তিনি।
অনুরাগ কাশ্যপ বলেন, ‘মুম্বাইয়ে আসার পর আমার থাকার জায়গা ছিল না। পৃথ্বী থিয়েটারে লাগেজ রাখার জন্য বিশেষ অনুমতি নিয়েছিলাম। মুম্বাইয়ের জুহু সিগন্যালের মাঝখানে তখন একটা বাগানের মতো জায়গা ছিল, সে জায়গাটাতে কোনো সিগন্যাল ছিল না। আমরা সেখানেই ঘুমাতাম। কিন্তু মাঝেমধ্যে আমাদের সেখান থেকেও বের করে দেওয়া হতো। এখান থেকে সরিয়ে দিলে আমরা ভারসোভা লিংক রোডে চলে যেতাম। ওখানের ফুটপাত ছিল অনেক চওড়া; আমরা সবাই লাইন দিয়ে ঘুমাতাম। কিন্তু ওখানে শোয়ার জন্য আমাদের ছয় রুপি করে দিতে হতো।’
মুম্বাইয়ের রাস্তায় জীবনের কঠিন সময়গুলো কাটিয়েছি উল্লেখ করে অনুরাগ কাশ্যপ বলেন, ‘এই মুম্বাইতে তিন দশক কাটিয়ে দিলাম। মুম্বাইয়ের প্রতিটি কোণ, রাস্তায় আমার অনেক গল্প জমা আছে।’
অনুরাগ কাশ্যপ আরও বলেন, ‘আমার দ্বিতীয় সিনেমা ‘পাঁচ’ মুক্তির আগের দিন আমি একটা ঘরে বন্দী হয়ে মদ খেয়েছিলাম। নেশার জন্য তখন আরতি (প্রাক্তন স্ত্রী) আমাকে ঘর থেকে ধাক্কা মেরে বের করে দিয়েছিল। তখন আমার মেয়ের বয়স মাত্র চার বছর। ওই সময়টা আমার জন্য অনেক কঠিন ছিল। সে দিনগুলো মনে হলে বিষণ্নতায় ডুবে যাই।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে অনুরাগ কাশ্যপ ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁর নতুন ছবি ‘অলমোস্ট পেয়ার উইথ ডিজে মোহাব্বত’-এর প্রচার নিয়ে। আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন করণ মেহতা ও আলিয়া এফ।

বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা বলিউড নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’, ‘দেব-ডি’, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’-এর মতো সিনেমা দিয়ে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেই অনুরাগ কাশ্যপই একসময় থাকতেন মুম্বাইয়ের ফুটপাতে।
সম্প্রতি ম্যাশবেল ইন্ডিয়ার ‘দ্য বম্বে জার্নি’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের সংগ্রামের দিনগুলো নিয়ে কথা বলেছেন অনুরাগ কাশ্যপ। মুক্তি পাওয়ার অপেক্ষায় থাকা নিজের ছবি ‘অলমোস্ট পেয়ার উইথ ডিজে মোহাব্বতে’র প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানটিতে অংশ নেন তিনি।
অনুরাগ কাশ্যপ বলেন, ‘মুম্বাইয়ে আসার পর আমার থাকার জায়গা ছিল না। পৃথ্বী থিয়েটারে লাগেজ রাখার জন্য বিশেষ অনুমতি নিয়েছিলাম। মুম্বাইয়ের জুহু সিগন্যালের মাঝখানে তখন একটা বাগানের মতো জায়গা ছিল, সে জায়গাটাতে কোনো সিগন্যাল ছিল না। আমরা সেখানেই ঘুমাতাম। কিন্তু মাঝেমধ্যে আমাদের সেখান থেকেও বের করে দেওয়া হতো। এখান থেকে সরিয়ে দিলে আমরা ভারসোভা লিংক রোডে চলে যেতাম। ওখানের ফুটপাত ছিল অনেক চওড়া; আমরা সবাই লাইন দিয়ে ঘুমাতাম। কিন্তু ওখানে শোয়ার জন্য আমাদের ছয় রুপি করে দিতে হতো।’
মুম্বাইয়ের রাস্তায় জীবনের কঠিন সময়গুলো কাটিয়েছি উল্লেখ করে অনুরাগ কাশ্যপ বলেন, ‘এই মুম্বাইতে তিন দশক কাটিয়ে দিলাম। মুম্বাইয়ের প্রতিটি কোণ, রাস্তায় আমার অনেক গল্প জমা আছে।’
অনুরাগ কাশ্যপ আরও বলেন, ‘আমার দ্বিতীয় সিনেমা ‘পাঁচ’ মুক্তির আগের দিন আমি একটা ঘরে বন্দী হয়ে মদ খেয়েছিলাম। নেশার জন্য তখন আরতি (প্রাক্তন স্ত্রী) আমাকে ঘর থেকে ধাক্কা মেরে বের করে দিয়েছিল। তখন আমার মেয়ের বয়স মাত্র চার বছর। ওই সময়টা আমার জন্য অনেক কঠিন ছিল। সে দিনগুলো মনে হলে বিষণ্নতায় ডুবে যাই।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে অনুরাগ কাশ্যপ ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁর নতুন ছবি ‘অলমোস্ট পেয়ার উইথ ডিজে মোহাব্বত’-এর প্রচার নিয়ে। আগামীকাল ৩ ফেব্রুয়ারি মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন করণ মেহতা ও আলিয়া এফ।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১০ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১০ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১০ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১১ ঘণ্টা আগে