আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ভারতীয় সিনেমার স্বর্ণযুগের ‘হি-ম্যান’, কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে মারা গেলেন। বলিউডের এই তারকার প্রয়াণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তবে এর চেয়েও এক মর্মান্তিক সমাপতন ঘটেছে: ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর দিনেই তাঁর সুপারহিট ছবিগুলোর চিত্রনাট্যকার সেলিম খান তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালন করছিলেন।
১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এই দুই কিংবদন্তি। তাঁদের জন্মদিন মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে। আগামী ৮ ডিসেম্বর ধর্মেন্দ্রও ৯০ বছর পূর্ণ করতেন।
সেলিম-জাভেদ জুটি বলিউডের আইকনিক চিত্রনাট্যকার। সেলিম খান ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে প্রথম কাজ করেন ১৯৭২ সালের হিট ছবি ‘সীতা অউর গীতা’-তে। এই ছবিতে ধর্মেন্দ্রর ভবিষ্যৎ স্ত্রী হেমা মালিনী দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন।
এরপর ধর্মেন্দ্র, সেলিম খান এবং জাভেদ আখতার মিলে আরও তিনটি ছবিতে কাজ করেন। যার মধ্যে রয়েছে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকা ‘শোলে’, যা চলতি বছর ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। এ ছাড়া তাঁরা ‘ইয়াদো কি বারাত’ (১৯৭৩) এবং ‘চাচা ভাতিজা’ (১৯৭৭) ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন।
তবে ‘শোলে’ ছবিটিই অমরত্ব লাভ করে। পরিচালক রমেশ সিপ্পির এই ছবিতে ধর্মেন্দ্র ‘বীরু’ চরিত্রে অভিনয় করেন। ডাকাত গাব্বার সিংয়ের (আমজাদ খান) হাতে বন্দী থাকার সময় ‘বীরু’ তাঁর প্রেমিকা বাসন্তীকে (হেমা মালিনী) উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ‘ইন কুত্তো কে সামনে মাত নাচনা’। এই সংলাপ আজও দর্শকদের মুখে মুখে ফেরে।
৫০ বছরের বেশি সময় আগে শুরু হওয়া সেলিম-ধর্মেন্দ্রর পেশাগত সম্পর্কটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত বন্ধনে পরিণত হয়।
এক পুরোনো ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ ক্লিপে সেলিম খান ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেছিলেন, ‘ধর্ম জি এবং আমি বহু বছর ধরে একসঙ্গে। আমাদের সম্পর্ক ১৯৫৮-৫৯ সালের...আমরা দুজনেই একসঙ্গে অনেক সংগ্রাম দেখেছি। অনেক কিছুই আমাদের মধ্যে মিল ছিল। তিনি একজন অসাধারণ মানুষ এবং আমাদের পরিবারের সদস্য, বড় ভাইয়ের মতো।’
ধর্মেন্দ্র ১৯৯৮ সালে সেলিম খানের ছোট ছেলে সোহেল খান পরিচালিত ‘প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া’ ছবিতে বাবা-তুল্য চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতে সালমান খান মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন। বডি বিল্ডিংয়ের অনুপ্রেরণা হিসেবে সালমান খান সব সময় ধর্মেন্দ্রকে কৃতিত্ব দিয়ে এসেছেন। সম্প্রতি কাতারে একটি অনুষ্ঠানে সালমান খান ধর্মেন্দ্রর প্রতি তাঁর ভালোবাসা প্রকাশ করে বলেন, ‘মেরে আনে সে পেহেলে এক হি সাকস থে, ওহ হ্যায় ধর্ম জি। হি ইজ মাই ফাদার, দ্যাটস দি এন্ড। আই লাভ দ্যাট ম্যান...।’
বাবার ৯০তম জন্মদিনে সালমান খান এবং সেলিম খান দুজনেই সোমবার বিকেলে পবন হংস শ্মশানে প্রয়াত অভিনেতার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন। দিনটি সেলিম খানের পরিবারের জন্য শুরু হয়েছিল জন্মদিনের উদ্যাপন দিয়ে, আর শেষ হয়েছে এক প্রিয়জনকে হারানোর গভীর শোকের মধ্য দিয়ে।

ভারতীয় সিনেমার স্বর্ণযুগের ‘হি-ম্যান’, কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র ৮৯ বছর বয়সে মারা গেলেন। বলিউডের এই তারকার প্রয়াণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তবে এর চেয়েও এক মর্মান্তিক সমাপতন ঘটেছে: ধর্মেন্দ্রর মৃত্যুর দিনেই তাঁর সুপারহিট ছবিগুলোর চিত্রনাট্যকার সেলিম খান তাঁর ৯০তম জন্মদিন পালন করছিলেন।
১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন এই দুই কিংবদন্তি। তাঁদের জন্মদিন মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে। আগামী ৮ ডিসেম্বর ধর্মেন্দ্রও ৯০ বছর পূর্ণ করতেন।
সেলিম-জাভেদ জুটি বলিউডের আইকনিক চিত্রনাট্যকার। সেলিম খান ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে প্রথম কাজ করেন ১৯৭২ সালের হিট ছবি ‘সীতা অউর গীতা’-তে। এই ছবিতে ধর্মেন্দ্রর ভবিষ্যৎ স্ত্রী হেমা মালিনী দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন।
এরপর ধর্মেন্দ্র, সেলিম খান এবং জাভেদ আখতার মিলে আরও তিনটি ছবিতে কাজ করেন। যার মধ্যে রয়েছে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসে মাইলফলক হয়ে থাকা ‘শোলে’, যা চলতি বছর ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। এ ছাড়া তাঁরা ‘ইয়াদো কি বারাত’ (১৯৭৩) এবং ‘চাচা ভাতিজা’ (১৯৭৭) ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন।
তবে ‘শোলে’ ছবিটিই অমরত্ব লাভ করে। পরিচালক রমেশ সিপ্পির এই ছবিতে ধর্মেন্দ্র ‘বীরু’ চরিত্রে অভিনয় করেন। ডাকাত গাব্বার সিংয়ের (আমজাদ খান) হাতে বন্দী থাকার সময় ‘বীরু’ তাঁর প্রেমিকা বাসন্তীকে (হেমা মালিনী) উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ‘ইন কুত্তো কে সামনে মাত নাচনা’। এই সংলাপ আজও দর্শকদের মুখে মুখে ফেরে।
৫০ বছরের বেশি সময় আগে শুরু হওয়া সেলিম-ধর্মেন্দ্রর পেশাগত সম্পর্কটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত বন্ধনে পরিণত হয়।
এক পুরোনো ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ ক্লিপে সেলিম খান ধর্মেন্দ্রর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেছিলেন, ‘ধর্ম জি এবং আমি বহু বছর ধরে একসঙ্গে। আমাদের সম্পর্ক ১৯৫৮-৫৯ সালের...আমরা দুজনেই একসঙ্গে অনেক সংগ্রাম দেখেছি। অনেক কিছুই আমাদের মধ্যে মিল ছিল। তিনি একজন অসাধারণ মানুষ এবং আমাদের পরিবারের সদস্য, বড় ভাইয়ের মতো।’
ধর্মেন্দ্র ১৯৯৮ সালে সেলিম খানের ছোট ছেলে সোহেল খান পরিচালিত ‘প্যায়ার কিয়া তো ডরনা ক্যায়া’ ছবিতে বাবা-তুল্য চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছবিতে সালমান খান মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন। বডি বিল্ডিংয়ের অনুপ্রেরণা হিসেবে সালমান খান সব সময় ধর্মেন্দ্রকে কৃতিত্ব দিয়ে এসেছেন। সম্প্রতি কাতারে একটি অনুষ্ঠানে সালমান খান ধর্মেন্দ্রর প্রতি তাঁর ভালোবাসা প্রকাশ করে বলেন, ‘মেরে আনে সে পেহেলে এক হি সাকস থে, ওহ হ্যায় ধর্ম জি। হি ইজ মাই ফাদার, দ্যাটস দি এন্ড। আই লাভ দ্যাট ম্যান...।’
বাবার ৯০তম জন্মদিনে সালমান খান এবং সেলিম খান দুজনেই সোমবার বিকেলে পবন হংস শ্মশানে প্রয়াত অভিনেতার শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন। দিনটি সেলিম খানের পরিবারের জন্য শুরু হয়েছিল জন্মদিনের উদ্যাপন দিয়ে, আর শেষ হয়েছে এক প্রিয়জনকে হারানোর গভীর শোকের মধ্য দিয়ে।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১৪ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১৪ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১৪ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১৫ ঘণ্টা আগে