
বলিউডের নায়িকাদের তালিকায় বরাবরই প্রথম দিকে আসে বিদ্যা বালানের নাম। অভিনয় প্রতিভা দিয়ে বারবার নিজেকে প্রমাণ করলেও, বিদ্যা সমালোচিত হয়েছেন শরীর নিয়ে। কেউ বলেছে ‘মোটা’, তো কেউ আবার ‘ওজন বেশি’! সম্প্রতি লাইফস্টাইল প্রশিক্ষক লুক কৌতিনহোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ছোট থেকেই এই ডায়েট ও এক্সারসাইজ নিয়ে মায়ের সঙ্গে ঝামেলা লেগেই থাকত তাঁর।
বিদ্যা জানিয়েছেন, এখনো তাঁকে দেখে অনেকেরই ধারণা করেন একেবারেই শরীরচর্চা করেন না তিনি। যদিও সেই ধারণা পুরোপুরি ভুল। নিয়ম করে তিনি ঘাম ঝরান, এক্সারসাইজ তাঁর পছন্দের।
সাক্ষাৎকারে বিদ্যা বলেন, ‘শরীরের জন্য আমাকে অনেক সমালোচিত হতে হয়েছে। এটা মোটেও সহজ ছিল না। আমি সারা জীবন নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছি।’
বিদ্যা আরও জানান, কেউ যদি তাঁর কাছে এসে কখনো ওজন কমানোর কথা বলেন, তাহলেও তিনি সেই মানুষটাকে ধন্যবাদ জানান না কখনো। কারণ, শরীর নিয়ে কোনো ধরনের কথা বলাই তাঁর পছন্দ নয়। সঙ্গে যোগ করেন, তিনি ব্যায়াম করতে পছন্দ করেন। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে লোকের ধারণা, কোনো দিন এক্সারসাইজ করেন না তিনি।
বিদ্যা বলেন, ‘যেকোনো কারণেই হোক নায়িকাদের মতো নিখুঁত শরীর আমার নয়। যদিও এর কারণটা এখনো বের করতে পারিনি।’
বিদ্যা জানান, তিনি ছোট থেকেই গোলগাল। তাঁর মা ক্রমাগত চেষ্টা করতেন ওজন কমানোর। এমনকি, স্কুলেও বন্ধুরা তাঁর শরীর নিয়ে মজার মজার নাম দিতেন। এ নিয়ে বিদ্যা বলেন ‘আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের শরীরকে ঘৃণা করে বড় হয়েছি। খুব কম বয়সে হরমোনের সমস্যাও তৈরি হয়েছিল আমার শরীরে।’
সম্প্রতি হওয়া একটি ঘটনাও ফাঁস করেন তিনি। ম্যাসাজ করতে আসা এক মহিলা তাঁর শরীর নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন। ম্যাসাজ রুম থেকে বের হয়ে স্বামী সিদ্ধার্থ রায় কাপুরকে দেখে তখন কেঁদে ফেলেন বিদ্যা।
চার বছর পর বড় পর্দা থেকে বিরতির পর বিদ্যাকে সব শেষ দেখা গেছে ‘নিয়ত’ সিনেমায়। বক্স অফিসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায় সিনেমাটি।

বলিউডের নায়িকাদের তালিকায় বরাবরই প্রথম দিকে আসে বিদ্যা বালানের নাম। অভিনয় প্রতিভা দিয়ে বারবার নিজেকে প্রমাণ করলেও, বিদ্যা সমালোচিত হয়েছেন শরীর নিয়ে। কেউ বলেছে ‘মোটা’, তো কেউ আবার ‘ওজন বেশি’! সম্প্রতি লাইফস্টাইল প্রশিক্ষক লুক কৌতিনহোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ছোট থেকেই এই ডায়েট ও এক্সারসাইজ নিয়ে মায়ের সঙ্গে ঝামেলা লেগেই থাকত তাঁর।
বিদ্যা জানিয়েছেন, এখনো তাঁকে দেখে অনেকেরই ধারণা করেন একেবারেই শরীরচর্চা করেন না তিনি। যদিও সেই ধারণা পুরোপুরি ভুল। নিয়ম করে তিনি ঘাম ঝরান, এক্সারসাইজ তাঁর পছন্দের।
সাক্ষাৎকারে বিদ্যা বলেন, ‘শরীরের জন্য আমাকে অনেক সমালোচিত হতে হয়েছে। এটা মোটেও সহজ ছিল না। আমি সারা জীবন নিজের শরীরকে ঘৃণা করেছি।’
বিদ্যা আরও জানান, কেউ যদি তাঁর কাছে এসে কখনো ওজন কমানোর কথা বলেন, তাহলেও তিনি সেই মানুষটাকে ধন্যবাদ জানান না কখনো। কারণ, শরীর নিয়ে কোনো ধরনের কথা বলাই তাঁর পছন্দ নয়। সঙ্গে যোগ করেন, তিনি ব্যায়াম করতে পছন্দ করেন। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে লোকের ধারণা, কোনো দিন এক্সারসাইজ করেন না তিনি।
বিদ্যা বলেন, ‘যেকোনো কারণেই হোক নায়িকাদের মতো নিখুঁত শরীর আমার নয়। যদিও এর কারণটা এখনো বের করতে পারিনি।’
বিদ্যা জানান, তিনি ছোট থেকেই গোলগাল। তাঁর মা ক্রমাগত চেষ্টা করতেন ওজন কমানোর। এমনকি, স্কুলেও বন্ধুরা তাঁর শরীর নিয়ে মজার মজার নাম দিতেন। এ নিয়ে বিদ্যা বলেন ‘আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের শরীরকে ঘৃণা করে বড় হয়েছি। খুব কম বয়সে হরমোনের সমস্যাও তৈরি হয়েছিল আমার শরীরে।’
সম্প্রতি হওয়া একটি ঘটনাও ফাঁস করেন তিনি। ম্যাসাজ করতে আসা এক মহিলা তাঁর শরীর নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন। ম্যাসাজ রুম থেকে বের হয়ে স্বামী সিদ্ধার্থ রায় কাপুরকে দেখে তখন কেঁদে ফেলেন বিদ্যা।
চার বছর পর বড় পর্দা থেকে বিরতির পর বিদ্যাকে সব শেষ দেখা গেছে ‘নিয়ত’ সিনেমায়। বক্স অফিসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায় সিনেমাটি।

মারা গেছেন বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ। অনেক দিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল ঢাকার মঞ্চে আবারও মঞ্চায়ন হবে দেশ নাটকের ‘দর্পণে শরৎশশী’। ১৯৯২ সালে প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল নাটকটি। রচনা করেছেন মনোজ মিত্র; ২০২৪ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। নির্দেশনা দিয়েছেন অভিনেতা ও নির্দেশক আলী যাকের; ২০২০ সালে প্রয়াত হয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
অস্কারের আশা কার না থাকে! হলিউডসহ বিশ্বজুড়ে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন যাঁরা, অস্কারের সোনালি ট্রফি পাওয়ার স্বপ্ন প্রায় সবাই দেখেন। তবে ব্যতিক্রম কথা বললেন হলিউড অভিনেত্রী আমান্ডা সেফ্রিড। অস্কার পাওয়া নাকি তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণই নয়!
৭ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে নিবন্ধনপ্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া যাত্রাদলগুলোর অংশগ্রহণে ১ ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল বিজয়ের মাসজুড়ে যাত্রাপালা প্রদর্শনী। রাষ্ট্রীয় শোক পালন উপলক্ষে বিঘ্নিত হওয়া উৎসবের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ২১ থেকে ২৩ জা
৭ ঘণ্টা আগে