
এলাহি আয়োজনে মেয়ে ইরাকে বিয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। গত ৩ জানুয়ারি নূপুর শিখরের সঙ্গে আইনি বিয়ের পর সপরিবার উদয়পুর উড়ে যান আনুষ্ঠানিক বিয়ের জন্য। তিন দিন ধরে সেখানে চলেছে বিয়ের নানা অনুষ্ঠান। আনন্দ উৎসবের শেষ দিনের সন্ধ্যায় মেয়ের জামাইকে আংটি বদল করতে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি আমির। চোখের জল মুছতে রুমাল বার করেন অভিনেতা। তখন পাশে থেকে সামাল দিয়েছেন সাবেক স্ত্রী রিনা দত্ত।
রাজস্থানের উদয়পুরের এক বিলাসবহুল হোটেলে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি ইরা ও নূপুরের বিয়ের অনুষ্ঠান। গায়েহলুদ, মেহেন্দি, সংগীত—বাদ ছিল না কিছুই।
এদিন ইরার পরনে ছিল সাদা গাউন এবং নূপুর শিখরে পরেছিলেন স্যুট। অন্যান্য বলিউড বিয়ের মতো নিজের বিয়েতে মোবাইল ফোন বা ছবি তোলা নিয়ে তেমন কড়াকড়ি রাখেননি ইরা। তাই আমিরকন্যার বিয়ের অনেক ভিডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরার বিয়ের আয়োজনে গুজরাটি ঘরানার নানা বাহারি পদ পরিবেশন করা হয়। খাবারের মেনুতে ছিল কড়ি-চাল, ডাল-বাটি-চুরমা, ডাল-ধোকলাসহ আরও অনেক সুস্বাদু পদ।
আগামী ১৩ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বিকেসি জিও সেন্টারে আরও বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। অতিথি তালিকায় রয়েছেন শাহরুখ খান, সালমান খান, অজয় দেবগন, বচ্চন পরিবার, করণ জোহর, অক্ষয় কুমার, কারিনা কাপুর খান, রাজকুমার হিরানি, আশুতোষ গোয়ারিকার-সহ আরও অনেক তারকা। বলিউড ছাড়াও রাজনৈতিক একাধিক ব্যক্তিত্বও উপস্থিত থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারির লকডাউনের সময় থেকেই কাছাকাছি আসেন ইরা-নূপুর। এমনকি আমির কন্যাকে অবসাদের সঙ্গে লড়াই করতেও সাহায্য করেছিলেন নূপুর। এক সাক্ষাৎকারে ইরা আগেই জানিয়েছিলেন, ‘আমরা জানি যে আমরা ৩ জানুয়ারি বিয়ে করতে চাই, কিন্তু কোন বছর...আমরা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিইনি (হাসি!)। ৩ জানুয়ারি আমাদের জন্য খুব স্পেশাল, কারণ সেই তারিখেই আমরা প্রথম চুমু খেয়েছিলাম।’

এলাহি আয়োজনে মেয়ে ইরাকে বিয়ে দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। গত ৩ জানুয়ারি নূপুর শিখরের সঙ্গে আইনি বিয়ের পর সপরিবার উদয়পুর উড়ে যান আনুষ্ঠানিক বিয়ের জন্য। তিন দিন ধরে সেখানে চলেছে বিয়ের নানা অনুষ্ঠান। আনন্দ উৎসবের শেষ দিনের সন্ধ্যায় মেয়ের জামাইকে আংটি বদল করতে দেখে নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেননি আমির। চোখের জল মুছতে রুমাল বার করেন অভিনেতা। তখন পাশে থেকে সামাল দিয়েছেন সাবেক স্ত্রী রিনা দত্ত।
রাজস্থানের উদয়পুরের এক বিলাসবহুল হোটেলে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি ইরা ও নূপুরের বিয়ের অনুষ্ঠান। গায়েহলুদ, মেহেন্দি, সংগীত—বাদ ছিল না কিছুই।
এদিন ইরার পরনে ছিল সাদা গাউন এবং নূপুর শিখরে পরেছিলেন স্যুট। অন্যান্য বলিউড বিয়ের মতো নিজের বিয়েতে মোবাইল ফোন বা ছবি তোলা নিয়ে তেমন কড়াকড়ি রাখেননি ইরা। তাই আমিরকন্যার বিয়ের অনেক ভিডিও ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইরার বিয়ের আয়োজনে গুজরাটি ঘরানার নানা বাহারি পদ পরিবেশন করা হয়। খাবারের মেনুতে ছিল কড়ি-চাল, ডাল-বাটি-চুরমা, ডাল-ধোকলাসহ আরও অনেক সুস্বাদু পদ।
আগামী ১৩ জানুয়ারি মুম্বাইয়ের বিকেসি জিও সেন্টারে আরও বিবাহোত্তর সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। অতিথি তালিকায় রয়েছেন শাহরুখ খান, সালমান খান, অজয় দেবগন, বচ্চন পরিবার, করণ জোহর, অক্ষয় কুমার, কারিনা কাপুর খান, রাজকুমার হিরানি, আশুতোষ গোয়ারিকার-সহ আরও অনেক তারকা। বলিউড ছাড়াও রাজনৈতিক একাধিক ব্যক্তিত্বও উপস্থিত থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারির লকডাউনের সময় থেকেই কাছাকাছি আসেন ইরা-নূপুর। এমনকি আমির কন্যাকে অবসাদের সঙ্গে লড়াই করতেও সাহায্য করেছিলেন নূপুর। এক সাক্ষাৎকারে ইরা আগেই জানিয়েছিলেন, ‘আমরা জানি যে আমরা ৩ জানুয়ারি বিয়ে করতে চাই, কিন্তু কোন বছর...আমরা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিইনি (হাসি!)। ৩ জানুয়ারি আমাদের জন্য খুব স্পেশাল, কারণ সেই তারিখেই আমরা প্রথম চুমু খেয়েছিলাম।’

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
৩ ঘণ্টা আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
৩ ঘণ্টা আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
৩ ঘণ্টা আগে