পরিত্যক্ত পুরোনো এক বাড়িতে থাকতে আসেন ব্রাহ্মণ। ক্রমে বাড়িতে থাকা অশরীরী আত্মাগুলোর সঙ্গে পরিচয় ঘটতে থাকে তাঁর। কিন্তু না, নৃশংস কোনো ব্যাপার ঘটে না। শুরুতে অস্বস্তি বোধ হলেও ক্রমে সেই অশরীরীদের কার্যকলাপের সঙ্গে মানিয়ে নেন তিনি। সঙ্গে আছে প্রেম, রোমাঞ্চকর নানা অলৌকিক ঘটনা। এখানেও ভুতুড়ে ভীতির চেয়ে মানুষের মাঝে থাকা ‘মায়া’ই বড় হয়ে ওঠে।
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প ‘মায়া’ অবলম্বনে একই নামে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব সিনেমা। সান প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত এই সিনেমার চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করছেন অনিমেষ আইচ। ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দীপ্ত প্লেতে মুক্তি পাবে মায়া।
ভুতুড়ে বাড়ি এবং অগণিত ভূতের আনাগোনার দৃশ্য ধারণ করতেই দলবল নিয়ে অনিমেষ আইচ এসেছেন মানিকগঞ্জের বানিয়াজুরী ইউনিয়নের প্রয়াত কাইয়ুম আনসারীর মালিকানাধীন প্রাচীন জজবাড়িতে। গতকাল বুধবার শুটিং স্পটে কথা হয় এ সিনেমার নির্মাতা, শিল্পী ও কলাকুশলীদের সঙ্গে।
বিশাল জায়গাজুড়ে এক বাড়ি। বড় বড় গাছের ছায়াতলে প্রাচীন ইমারত, দুটি পুরোনো গভীর কুয়া, শ্যাওলাধরা রাস্তা ধরে কিছু দূর এগোলেই চোখে পড়ল শিউলি ফুলে ছেয়ে আছে পথটা। চারপাশে লতা-গুল্মে ভরা। এর পাশে গভীর বিশালাকৃতির পুকুর। দেখতে একেবারে ভৌতিক বাড়ি।
এই জজবাড়ি ২০০ বছরের পুরোনো। পরিচালক অনিমেষ আইচ বললেন, ‘কাহিনির প্রয়োজনে দরকার ছিল ঠিক এমনই একটা বাড়ি। আর সঙ্গে জনাদশেক ভূত। গল্পের সঙ্গে মিলে গেছে শতভাগ, ভূত জোগাড় করা গেছে, স্থানীয় শিল্পীদের অবয়বে মেকআপ মাখিয়ে।’
নির্মাতা জানান, এই সিনেমায় অভিনয় করছেন মামুনুর রশীদ, বৃন্দাবন দাস, তানভীর হোসেন প্রবাল, দিব্য, সৌম্য, টাপুর, টুপুর, গোলাম ফরিদা ছন্দা, দীপা, জহির, আলমগীর, এ কে এম আজিজুল ইসলাম, গিনি প্রমুখ।
নাট্যকার ও অভিনেতা বৃন্দাবন দাস বলেন, ‘লোকেশনটা খুব ভালো। একেবারে গল্পের উপযোগী। ভিন্নমাত্রার গল্প আর নির্মাণশৈলী মিলিয়ে দর্শকদের ভালো লাগবে আশা করছি।’ সহকারী পরিচালক আল শাহরিয়ার ফাহিম জানালেন, শুটিং প্রায় শেষের দিকে। বেশির ভাগ শুটিং হয়েছে বানিয়াজুরীর এই বাড়িতে। আগামী বছরের শুরুর দিকেই মুক্তি পাবে ওয়েব সিনেমাটি। তরুণ অভিনেতা দিব্য জ্যোতি বলেন, ‘অনিমেষ আঙ্কেলের সঙ্গে আমার এটি প্রথম কাজ। ভালো গল্প। লোকেশনও চমৎকার। কমসংখ্যক চরিত্র নিয়ে নির্মিত। তবে দর্শক নতুন এবং ভালো কিছু দেখতে পাবেন।’
নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ বলেন, ‘প্রাচীন কাহিনি, অলৌকিক, ভুতুড়ে কিন্তু রোমাঞ্চময়। দর্শকদের ভালো লাগার মতো সব উপকরণই আছে এতে। চমৎকার একটি ওয়েব ফিল্ম হবে মায়া।’ পরিচালক অনিমেষ আইচ বলেন, ‘এটি একটি ভৌতিক গল্পের সিনেমা। বলতে পারেন, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক নম্বর দেশি ভূতের গল্প। মানিকগঞ্জের বানিয়াজুরীর এই লোকেশনটায় প্রথম শুটিং করলাম। টানা সাত দিন শুটিং করেছি আমরা। স্থানীয় অনেক শিল্পী ও বাসিন্দার আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আশা করছি, ডিসেম্বরের মধ্যে সব কাজ শেষ করতে পারব।’

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান কোরো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাই-বোন।
৪ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
৪ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
৪ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
৫ ঘণ্টা আগে