রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস’ থেকেই সালমানের সঙ্গে পরিচয় অভিনেত্রী শেহনাজ গিলের। সেই সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়েছে বলতেই হয়। শেহনাজকে পাঞ্জাবের ক্যাটরিনা বলেও ডাকেন সল্লু। গতকাল মঙ্গলবার অভিনেতার বোন অর্পিতার ঈদ পার্টিতে অন্য অনেক তারকার সঙ্গে গিয়েছিলেন শেহনাজও। আর পার্টি শেষে সালমান-শেহনাজের রোমাঞ্চ এখন টক অব দ্য টাউন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, পার্টি শেষে শেহনাজকে বাড়ির বাইরে ছাড়তে আসেন সালমান। এতে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান অভিনেত্রী। প্রকাশ্যে বলিউডের সুলতানকে জড়িয়ে ধরে চুমু খান। আর তাতেই লজ্জায় লাল সল্লু। এর পর শেহনাজ সালমানকে অনুরোধ করেন গাড়ি পর্যন্ত তাঁকে পৌঁছে দিতে। হাত ধরে টানতে থাকেন। শেষমেশ গাড়ি পর্যন্তই ছেড়ে আসেন ভাইজান। খুশি হয়ে চেঁচিয়ে সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী বলেন, ‘দেখো সালমান খান আমাকে পৌঁছে দিতে এসেছেন।’
মুহূর্তেই এই ভিডিও ভাইরাল নেট দুনিয়ায়। সালমান ভক্তদের দাবি, এমন কাজ আগে করেননি ভাইজান। তবে কি সত্যিই রোমাঞ্চ করছেন সালমান-শেহনাজ! ‘বিগ বস’ থেকেই সালমান খানের বেশ পছন্দের শেহনাজ গিল। বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন, ভাইজানের পরবর্তী ‘কাভি ঈদ কাভি দিওয়ালি’ ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন শেহনাজ। এমনকি সালমান নাকি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শেহনাজ যত খুশি টাকা পারিশ্রমিক হিসেবে নিতে পারেন!
এবার ঈদে বেশ খোশমেজাজে ছিলেন সালমান। প্রতিবছর নিয়ম করে বান্দ্রায় তাঁর ‘গ্যালাক্সি’ আবাসনের ফ্ল্যাটের বারান্দায় এসে অপেক্ষারত ভক্তদের ঈদের শুভেচ্ছা জানান। গত দুই বছর করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবার ভাইজান নিজের বারান্দায় এসে ভক্তদের উদ্দেশে হাত নেড়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। হাজারো মানুষ ভিড় করেন গ্যালাক্সির সামনে। সালমান ভক্তদের সামাল দিতে পুলিশকে রীতিমতো লাঠিপেটা করতে হয়।

আশার বয়স যখন ৯, তখন বাবাকে হারান। দীননাথ সন্তানদের দিয়ে গিয়েছিলেন একটি তানপুরা। বলেছিলেন, ‘আমার কাছে আর কিছু নেই। এটা আছে। এটা আমি তোমাদের দিয়ে যাচ্ছি। একে সামলে রেখো। মন দিয়ে গান করো।’ বাকি জীবন বাবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছেন লতা, আশাসহ পাঁচ ভাইবোন।
১ ঘণ্টা আগে
আশাজির ব্যবহার, কথাবার্তা, নম্রতা-ভদ্রতা দেখে বোঝার উপায় ছিল না উনি এত বড় মাপের একজন শিল্পী। উনার সঙ্গে যত কথা বলেছি, ততই অবাক হয়েছি। শিল্পী হিসেবে তো বটেই, একজন মানুষ হিসেবেও তাঁর মাঝে যে গুণাবলি ছিল, তা সবার জন্য শিক্ষণীয় বিষয়।
২ ঘণ্টা আগে
পঞ্চম ছিলেন আশার বড় ভক্ত। একসঙ্গে কাজ করতে করতে আশার প্রেমে পড়ে যান তিনি। কিন্তু বিয়ের পথটা খুব সহজ ছিল না। প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে আশা প্রথমে সাড়া দেননি পঞ্চমের প্রস্তাবে।
২ ঘণ্টা আগে
আশাদির সঙ্গে ফোনে কথা হতো। ভিডিও কলেও অনেক সময় গল্প হতো। তাঁর মৃত্যুর খবর শোনার পর নিজেকে সামলাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাও শূন্য হয়ে গেল।
২ ঘণ্টা আগে