
কলকাতার এক অবাঙালি পরিবারে ১৯৭০ সালে ৩০ নভেম্বর জন্ম নেন জিতেন্দ্র মদনানী। সেন্ট জোসেফ মেরি স্কুল থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা নেওয়ার পর ন্যাশনাল হাই স্কুলে পড়েন তিনি। কিন্তু কলেজে দুয়ারে পা দিলেও পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব নিতে গিয়ে পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধ করে দেন। তাঁর জীবনের পথপরিক্রমায় রঙিন পর্দায় এসে টলিউডে ২০ বছর পার করেছেন তিনি। টলিউডের ‘বস’ জিতের আজ ৫২তম জন্মদিন।
অভিনয় জগতে আসার আগে জিৎ ১৯৯৩ সালে মডেলিংয়ে জীবন শুরু করে। এরপর ১৯৯৪ সালে জিৎ ‘বিষবৃক্ষ’ নামে বাংলা টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন, যেটি পরিচালনা করেন বিষ্ণু পাল চৌধুরী। ২০০২ সালে জিৎ তেলেগু সিনেমা ‘চান্দু’তে তাঁর সিনেমা জীবন শুরু করেন। কিন্তু সিনেমাটি বক্স অফিসে কোনো সাফল্য পায়নি।
এরপর ২০০২ সালে বাংলা সিনেমা ‘সাথী’তে প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদীর বিপরীতে জিৎ অভিনয় করেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেন হরনাথ চক্রবর্তী। সাথী ছবির সেই গান ‘ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও’ তখন একটি মাইলস্টোন সৃষ্টি করেছিল দুই বাংলাতেই। জিতের অভিনয় ছিল যথেষ্ট প্রশংসনীয়। এরপর থেকে আর পেছনে ঘুরে দাঁড়াতে হয়নি তাঁকে। কালীঘাটের জিতেন্দ্র মদনানীকে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি চিনল জিৎ নামে, বাকিটা ইতিহাস।
জিতের সফরটা কিন্তু সহজ ছিল না। অবাঙালি হয়ে বাঙালি-শাসিত ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা করে নেওয়া অনেক কঠিন ছিল। জিতের প্রথম ছবি ‘সাথী’ পরিচালনা করেন হরনাথ চক্রবর্তী। সিনেমাটি এক টানা ২৫ সপ্তাহে হাউসফুল হয়েছিল। এর পর ‘চ্যাম্পিয়ন’, ‘নাটের গুরু’, ‘সঙ্গী’ হয়ে ‘বন্ধন’ও ‘শুভদৃষ্টি’—পর পর হিট ছবি দিয়েছেন তিনি।
পরিচালক রবি কিনাগির ‘ওয়ান্টেড জিতের কেরিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ছিল। এর পরেই দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘দুই পৃথিবী। দুই সুপারস্টারকে বড় পর্দায় দেখতে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের অনেক চাপ ছিল। ‘গেম’, ‘আওয়ারা’, ‘১০০% লাভ’, বস সিনেমাতেও দুর্দান্ত অভিনয় করে দর্শকদের সন্তুষ্ট করেছিলেন।
জিৎ-এর সঙ্গে ‘কোয়েল মল্লিক’ এর জুটি সবচেয়ে বেশি সাফল্য লাভ করেন। কোয়েল মল্লিক তার অভিনয় জীবন শুরু করেন জিৎ-এর সঙ্গে ‘নাটের গুরু’ ছবির মাধ্যমে। এরপর এক সঙ্গে ‘বন্ধন’, ‘মানিক’, ‘যোদ্ধা’, ‘শুভদৃষ্টি’র মত প্রচুর সফল ছবি উপহার দেন। কোয়েল মল্লিক ছাড়াও জিৎ-এর সঙ্গে স্বস্তিকা মুখার্জির জুটি দর্শকমনে সাড়া ফেলেছিল। স্বস্তিকা মুখার্জির সঙ্গে জিৎ ‘মস্তান’, ‘ক্রান্তি’ ‘আক্রোশ’, ‘পার্টনার’, ‘প্রিয়তমা’ ইত্যাদি ছবিতে অভিনয় করেন। এ ছাড়া শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী এবং সায়ন্তিকার সঙ্গেও তার জুটি অনেকে সাফল্যমণ্ডিত ছিল।
‘চেঙ্গিজ’ নিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন জিৎ। অপেক্ষায় দর্শক। রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে জিৎ এর বিপরীতে অভিনয় করেছেন সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়।

কলকাতার এক অবাঙালি পরিবারে ১৯৭০ সালে ৩০ নভেম্বর জন্ম নেন জিতেন্দ্র মদনানী। সেন্ট জোসেফ মেরি স্কুল থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা নেওয়ার পর ন্যাশনাল হাই স্কুলে পড়েন তিনি। কিন্তু কলেজে দুয়ারে পা দিলেও পারিবারিক ব্যবসার দায়িত্ব নিতে গিয়ে পড়াশোনা মাঝপথে বন্ধ করে দেন। তাঁর জীবনের পথপরিক্রমায় রঙিন পর্দায় এসে টলিউডে ২০ বছর পার করেছেন তিনি। টলিউডের ‘বস’ জিতের আজ ৫২তম জন্মদিন।
অভিনয় জগতে আসার আগে জিৎ ১৯৯৩ সালে মডেলিংয়ে জীবন শুরু করে। এরপর ১৯৯৪ সালে জিৎ ‘বিষবৃক্ষ’ নামে বাংলা টিভি সিরিয়ালে অভিনয় করেন, যেটি পরিচালনা করেন বিষ্ণু পাল চৌধুরী। ২০০২ সালে জিৎ তেলেগু সিনেমা ‘চান্দু’তে তাঁর সিনেমা জীবন শুরু করেন। কিন্তু সিনেমাটি বক্স অফিসে কোনো সাফল্য পায়নি।
এরপর ২০০২ সালে বাংলা সিনেমা ‘সাথী’তে প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদীর বিপরীতে জিৎ অভিনয় করেন। সিনেমাটি পরিচালনা করেন হরনাথ চক্রবর্তী। সাথী ছবির সেই গান ‘ও বন্ধু তুমি শুনতে কি পাও’ তখন একটি মাইলস্টোন সৃষ্টি করেছিল দুই বাংলাতেই। জিতের অভিনয় ছিল যথেষ্ট প্রশংসনীয়। এরপর থেকে আর পেছনে ঘুরে দাঁড়াতে হয়নি তাঁকে। কালীঘাটের জিতেন্দ্র মদনানীকে বাংলা ইন্ডাস্ট্রি চিনল জিৎ নামে, বাকিটা ইতিহাস।
জিতের সফরটা কিন্তু সহজ ছিল না। অবাঙালি হয়ে বাঙালি-শাসিত ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জায়গা করে নেওয়া অনেক কঠিন ছিল। জিতের প্রথম ছবি ‘সাথী’ পরিচালনা করেন হরনাথ চক্রবর্তী। সিনেমাটি এক টানা ২৫ সপ্তাহে হাউসফুল হয়েছিল। এর পর ‘চ্যাম্পিয়ন’, ‘নাটের গুরু’, ‘সঙ্গী’ হয়ে ‘বন্ধন’ও ‘শুভদৃষ্টি’—পর পর হিট ছবি দিয়েছেন তিনি।
পরিচালক রবি কিনাগির ‘ওয়ান্টেড জিতের কেরিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ছিল। এর পরেই দেবের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘দুই পৃথিবী। দুই সুপারস্টারকে বড় পর্দায় দেখতে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের অনেক চাপ ছিল। ‘গেম’, ‘আওয়ারা’, ‘১০০% লাভ’, বস সিনেমাতেও দুর্দান্ত অভিনয় করে দর্শকদের সন্তুষ্ট করেছিলেন।
জিৎ-এর সঙ্গে ‘কোয়েল মল্লিক’ এর জুটি সবচেয়ে বেশি সাফল্য লাভ করেন। কোয়েল মল্লিক তার অভিনয় জীবন শুরু করেন জিৎ-এর সঙ্গে ‘নাটের গুরু’ ছবির মাধ্যমে। এরপর এক সঙ্গে ‘বন্ধন’, ‘মানিক’, ‘যোদ্ধা’, ‘শুভদৃষ্টি’র মত প্রচুর সফল ছবি উপহার দেন। কোয়েল মল্লিক ছাড়াও জিৎ-এর সঙ্গে স্বস্তিকা মুখার্জির জুটি দর্শকমনে সাড়া ফেলেছিল। স্বস্তিকা মুখার্জির সঙ্গে জিৎ ‘মস্তান’, ‘ক্রান্তি’ ‘আক্রোশ’, ‘পার্টনার’, ‘প্রিয়তমা’ ইত্যাদি ছবিতে অভিনয় করেন। এ ছাড়া শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী এবং সায়ন্তিকার সঙ্গেও তার জুটি অনেকে সাফল্যমণ্ডিত ছিল।
‘চেঙ্গিজ’ নিয়ে আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন জিৎ। অপেক্ষায় দর্শক। রাজেশ গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে জিৎ এর বিপরীতে অভিনয় করেছেন সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়।

রায়হান রাফীর ‘পরাণ’ সিনেমায় প্রথম জুটি বেঁধেছিলেন শরিফুল রাজ ও বিদ্যা সিনহা মিম। সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি প্রশংসিত হয় রাজ-মিম জুটির রসায়ন। এরপর একই নির্মাতার ‘দামাল’ সিনেমাতেও দেখা যায় তাঁদের।
১ দিন আগে
২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন। এ বছর তাঁর ১৮তম প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে নাট্যসংগঠন স্বপ্নদল ১৪ থেকে ১৬ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটারে আয়োজন করেছে তিন দিনব্যাপী নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন স্মরণোৎসব।
১ দিন আগে
রাজধানীর পাঁচটি মিলনায়তন এবং কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী বিচ পয়েন্টে ১০ জানুয়ারি থেকে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। চলচ্চিত্র নিয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই আয়োজনে দেখানো হচ্ছে দেশ-বিদেশের নির্মাতাদের কাজ।
১ দিন আগে
তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয় ‘জন নায়াগন’ দিয়ে শেষ করবেন অভিনয়ের ক্যারিয়ার। এরপর পাকাপাকিভাবে নামবেন রাজনীতির ময়দানে। এরই মধ্যে শুটিং শেষ, ৯ জানুয়ারি মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত ছিল। ভক্তদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ছিল বিজয়ের শেষ সিনেমা নিয়ে। তবে শেষ মুহূর্তে সেন্সর বোর্ডের নিষেধাজ্ঞায় আটকে যায় সিনেমাটি।
১ দিন আগে