Ajker Patrika

শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত

বিনোদন ডেস্ক
শন পেনের বড় সিদ্ধান্ত
শন পেন। ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সিনেমার জন্য সেরা পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার জেতেন শন পেন। কিন্তু নিজের এই তৃতীয় অস্কার জয়ের রাতে অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না তিনি। কিয়েরান কালকিন যখন বিজয়ী হিসেবে শন পেনের নাম ঘোষণা করেন, তখন দেখা যায় অস্কারের আসরে কোথাও নেই তিনি! পরে শন পেনের পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন কিয়েরান কালকিন নিজেই।

সম্প্রতি নিউইয়র্কের ট্রাইবেকা ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়ে কেইটলান কলিন্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শন পেন জানান, এবারের অস্কারের আসরে অংশ না নিয়ে তিনি ইউক্রেনে গিয়েছিলেন। সেখানে বসেই টেলিভিশনের পর্দায় অস্কার উপভোগ করেছেন। অভিনেতা হাসতে হাসতে বলেন, ‘জীবনে এই প্রথম আমি শান্তিতে অস্কার অনুষ্ঠান উপভোগ করলাম, দারুণ ছিল।’

শুধু অস্কার নয়, এ ধরনের বড় আয়োজন আজীবনের জন্য বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শন পেন। মূলত নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। অস্কার বা বড় বড় অ্যাওয়ার্ড শো তাঁর মধ্যে প্রচণ্ড সামাজিক অস্বস্তি, মানসিক চাপ এবং তীব্র ভীতি তৈরি করে। অভিনেতা বলেন, ‘শুধু অ্যাওয়ার্ড শো নয়, আমি এখন থেকে আট জনের বেশি মানুষের কোনো জমায়েতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

গত জানুয়ারিতে গোল্ডেন গ্লোবসে অংশ নেওয়ার পর এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শন পেন। এর পেছনে বর্তমানের সেলফি সংস্কৃতিকে দায়ী করেছেন তিনি। অভিনেতা জানান, গোল্ডেন গ্লোবস অনুষ্ঠানে শত শত মানুষ যেভাবে সেলফি তোলার জন্য তাঁর ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল, সেই অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত অস্বস্তিকর।

সেলফি প্রসঙ্গে ক্ষোভ উগরে দিয়ে শন পেন বলেন, ‘কখনোই কারও সঙ্গে সেলফি তোলা উচিত নয়। এটা সবার জন্যই ক্ষতিকর।’ তাঁর মতে, সেলফি মানুষের ভেতরের আসল মানবিক অনুভূতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের আন্তরিকতাকে শুষে নেয়। এই কৃত্রিম সেলফি সংস্কৃতির চেয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা এবং মানবিক যোগাযোগ স্থাপন করা অনেক বেশি ইতিবাচক বলে মনে করেন এই অস্কারজয়ী অভিনেতা।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত