Ajker Patrika

শিল্পকলা একাডেমিতে নাটক ‘লুৎফার প্রদীপ’

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা
শিল্পকলা একাডেমিতে নাটক ‘লুৎফার প্রদীপ’
‘লুৎফার প্রদীপ’ নাটকে লুৎফা চরিত্রে চিত্রলেখা গুহ। ছবি: সংগৃহীত

‘লুৎফার প্রদীপ’ নাটক দিয়ে গত মাসে ঢাকার মঞ্চে যাত্রা শুরু করেছে নাট্যদল সমতল। ৩ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা সমিতিতে নাটকটির উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। এবার নাটকটি দেখা যাবে শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে। আগামী ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে লুৎফার প্রদীপ।

তানভীর মোকাম্মেলের রচনা ও সগীর মোস্তফার নির্দেশনায় এ নাটকে একক অভিনয়ে দেখা যাবে চিত্রলেখা গুহকে। চার দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে মঞ্চে এটি তাঁর প্রথম একক অভিনয়। লুৎফার প্রদীপ নাটকটি নিয়ে চিত্রলেখা গুহ বলেন, ‘এটি একজন দৃঢ়চেতা নারীর গল্প, যে ভাঙবে, কিন্তু মচকাবে না। একই সঙ্গে এটি একটি মানবিক নাটক, যেখানে ঐতিহাসিক বিষয়ও রয়েছে। এমন গল্পের অংশ হতে পেরে আমি আপ্লুত।’

লুৎফার প্রদীপ নাটকের গল্পে দেখা যাবে, পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত ও নৃশংসভাবে নিহত হওয়ার পর নবাব সিরাজউদ্দৌলার লাশ ভগীরথী নদীর অপর পারে খোশবাগে নবাব আলীবর্দী খানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। সিরাজের স্ত্রী লুৎফুন্নেসা বা লুৎফা স্বামীকে ভালোবেসে প্রতি সন্ধ্যায় তাঁর কবরে নিয়মিতভাবে প্রদীপ জ্বালাতেন। নিজের মৃত্যু পর্যন্ত লুৎফা সিরাজের কবরে এই প্রদীপ জ্বালিয়ে গেছেন। এ প্রদীপ কি কেবলই মৃত স্বামীর প্রতি এক বিধবা নারীর প্রেমের প্রকাশ? নাকি তার চেয়ে বেশি কিছু?

নাট্যকার তানভীর মোকাম্মেল বলেন, ‘প্রতি সন্ধ্যায় সিরাজের কবরে যে প্রদীপটা তিনি জ্বালাতেন, তা যেন ছিল এ দেশের স্বাধীনতার আশা-আকাঙ্ক্ষাকে বাঁচিয়ে রাখার এক প্রতীক। বাংলার ভালো শাসকদের বাঁচিয়ে রাখা হয় না। দেশি দালালদের সহযোগিতায় বিদেশি অপশক্তি বারবারই দখল করে নিয়েছে বাংলার মসনদ ও সম্পদ। লুৎফার প্রদীপটা যেন হয়ে ওঠে তাই পরাধীন এক জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নের প্রতীক।’

নাটকটির শিল্প নির্দেশনা ও আলোক পরিকল্পনায় আছেন উত্তম গুহ, আবহসংগীত ও শব্দ পরিকল্পনায় সৈয়দ সাবাব আলী আরজু এবং পোশাক পরিকল্পনায় রয়েছেন ওয়াহিদা মল্লিক জলি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত