বিনোদন প্রতিবেদক

সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর উপন্যাস কিংবা ছোটগল্প আজও সমান প্রাসঙ্গিক। দশকের পর দশক ধরে রবীন্দ্রনাথের লেখা প্রাণ পেয়েছে নাটক-সিনেমায়। তাঁর সৃষ্টি করা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে থাকেন প্রত্যেকেই। আজ ২৫ শে বৈশাখ রবীন্দ্র জয়ন্তীতে তারকাদের কাছে প্রশ্ন, তাঁর গল্প-উপন্যাসের কোন চরিত্র তাঁদের পছন্দ?
অপুর চরিত্রটি আমাকে মুগ্ধ করেছে
ফেরদৌস, অভিনেতা
রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলো রূপান্তরের প্রয়োজন হয় না। সমাপ্তি গল্প অবলম্বনে ‘অবুঝ বউ’ সিনেমায় অভিনয় করেছি আমি। ২০১০ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। বানিয়েছিলেন নারগিস আক্তার। ‘সমাপ্তি’ গল্পের অপূর্বকৃষ্ণ রায় অপুর চরিত্রটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে শুধু নায়িকাদের কেন্দ্র করেই গল্প লিখেছেন এমন নয়। ছেলেদের জন্যও অনেক চ্যালেঞ্জিং চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। আরেকটি চরিত্র আমাকে ভীষণ টানে। সেটি হলো ‘শেষের কবিতা’র অমিত রায়। কোনদিন যদি সুযোগ পাই, এ চরিত্রে অভিনয় করতে চাইবো ভীষণভাবে।
নন্দিনী আর আমি আলাদা কেউ নই
অপি করিম, অভিনেত্রী
ছোটবেলায় টিভিতে রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’ নাটক দেখেছিলাম। সেই নাটকে দিলশাদ খানম অভিনয় করেছিলেন নন্দিনী চরিত্রে। এত ভালো লেগেছিল! বড় হয়ে একদিন আমিই যে নন্দিনী চরিত্রে অভিনয় করব, ভাবতেও পারিনি। হঠাৎ করেই এই স্বপ্নের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ এসে যায়। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের প্রযোজনায় মঞ্চে ‘রক্তকরবী’ নাটকের অর্ধশতাধিক প্রদর্শনীতে অভিনয় করেছি। এ পর্যন্ত যত চরিত্রে কাজ করেছি, তাঁর মধ্যে সেরা চরিত্র নন্দিনী। নন্দিনী হয়ে যতবার মঞ্চে উঠেছি, ততবারই নতুন মনে হয়েছে। চরিত্রটির সঙ্গে একেবারে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছি। মনে হয়েছে নন্দিনী আর আমি যেন আলাদা কেউ নই।
কিশোরী চরিত্র এখন কীভাবে করব!
জয়া আহসান, অভিনেত্রী
রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি করা অনেক চরিত্রই আমার পছন্দ। টিভি নাটকে রবীন্দ্রনাথের গল্পে বেশকিছু নাটকে কাজ করেছি। এমন তো অনেক চরিত্রই আছে, যেগুলোতে আমি অভিনয় করতে চাই। তবে এ মুহূর্তে এমন একটি চরিত্রের কথা মনে পড়ছে, যেটা আমি কখনো করতে পারব না। তা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘পোস্টমাস্টার’ এর রতন। কিশোরীর চরিত্রটি এখন কী করে করব? এ আমার চিরদিনের আফসোস। যদি কখনো কেউ সম্ভব করতে পারে, আমি অবশ্যই চাইবো পর্দায় রতন হতে।
ছিদাম আমার অনেক পছন্দের
রিয়াজ আহমেদ, অভিনেতা
বাংলাদেশে প্রথম রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে কাজ করতে এগিয়ে আসেন চাষী নজরুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ গল্প অবলম্বনে ‘কাঠগড়া’ নামের একটি সিনেমার কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু অনেক রকম জটিলতার কারণে শেষ করতে পারেননি। ২০০৪ সালে তিনি আবারো উদ্যোগ নেন। ‘শাস্তি’ সিনেমায় আমি অভিনয় করি। গল্পের দুইভাইয়ের একভাই ছিলাম আমি। চরিত্রের নাম ছিদাম। ওই চরিত্রটি আমার অনেক পছন্দের। যখনই রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ গল্প পড়েছি, প্রতিবার আমার মনে হতো, যদি এ চরিত্রটি করতে পারতাম! চাষী ভাইয়ের কল্যাণে আমার ওই স্বপ্নটি পূরণ হয়।
লাবণ্য হতে চাই
সারিকা সাবরিন, অভিনেত্রী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ছোটবেলায়। বাবা-মা দুজনেরই বই পড়ার অভ্যাস। বাসায় রবীন্দ্রনাথের অনেক বই ছিল। একটু বড় হয়ে ঐ বইগুলো পড়েছি। আমার প্রিয় উপন্যাস হলো রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’। অনেকবার এ উপন্যাসটি পড়েছি। লাবণ্য চরিত্রটি আমার খুব পছন্দের। যদি কখনো সুযোগ আসে, পর্দায় লাবণ্য হতে চাই আমি। কেনো যেন মনে হয়, এই চরিত্রে অন্যদের চেয়ে আমি ভালো অভিনয় করতে পারব।

সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর উপন্যাস কিংবা ছোটগল্প আজও সমান প্রাসঙ্গিক। দশকের পর দশক ধরে রবীন্দ্রনাথের লেখা প্রাণ পেয়েছে নাটক-সিনেমায়। তাঁর সৃষ্টি করা চরিত্রে অভিনয়ের জন্য মুখিয়ে থাকেন প্রত্যেকেই। আজ ২৫ শে বৈশাখ রবীন্দ্র জয়ন্তীতে তারকাদের কাছে প্রশ্ন, তাঁর গল্প-উপন্যাসের কোন চরিত্র তাঁদের পছন্দ?
অপুর চরিত্রটি আমাকে মুগ্ধ করেছে
ফেরদৌস, অভিনেতা
রবীন্দ্রনাথের গল্পগুলো রূপান্তরের প্রয়োজন হয় না। সমাপ্তি গল্প অবলম্বনে ‘অবুঝ বউ’ সিনেমায় অভিনয় করেছি আমি। ২০১০ সালে মুক্তি পায় সিনেমাটি। বানিয়েছিলেন নারগিস আক্তার। ‘সমাপ্তি’ গল্পের অপূর্বকৃষ্ণ রায় অপুর চরিত্রটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে শুধু নায়িকাদের কেন্দ্র করেই গল্প লিখেছেন এমন নয়। ছেলেদের জন্যও অনেক চ্যালেঞ্জিং চরিত্র সৃষ্টি করেছেন। আরেকটি চরিত্র আমাকে ভীষণ টানে। সেটি হলো ‘শেষের কবিতা’র অমিত রায়। কোনদিন যদি সুযোগ পাই, এ চরিত্রে অভিনয় করতে চাইবো ভীষণভাবে।
নন্দিনী আর আমি আলাদা কেউ নই
অপি করিম, অভিনেত্রী
ছোটবেলায় টিভিতে রবীন্দ্রনাথের ‘রক্তকরবী’ নাটক দেখেছিলাম। সেই নাটকে দিলশাদ খানম অভিনয় করেছিলেন নন্দিনী চরিত্রে। এত ভালো লেগেছিল! বড় হয়ে একদিন আমিই যে নন্দিনী চরিত্রে অভিনয় করব, ভাবতেও পারিনি। হঠাৎ করেই এই স্বপ্নের চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ এসে যায়। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের প্রযোজনায় মঞ্চে ‘রক্তকরবী’ নাটকের অর্ধশতাধিক প্রদর্শনীতে অভিনয় করেছি। এ পর্যন্ত যত চরিত্রে কাজ করেছি, তাঁর মধ্যে সেরা চরিত্র নন্দিনী। নন্দিনী হয়ে যতবার মঞ্চে উঠেছি, ততবারই নতুন মনে হয়েছে। চরিত্রটির সঙ্গে একেবারে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছি। মনে হয়েছে নন্দিনী আর আমি যেন আলাদা কেউ নই।
কিশোরী চরিত্র এখন কীভাবে করব!
জয়া আহসান, অভিনেত্রী
রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি করা অনেক চরিত্রই আমার পছন্দ। টিভি নাটকে রবীন্দ্রনাথের গল্পে বেশকিছু নাটকে কাজ করেছি। এমন তো অনেক চরিত্রই আছে, যেগুলোতে আমি অভিনয় করতে চাই। তবে এ মুহূর্তে এমন একটি চরিত্রের কথা মনে পড়ছে, যেটা আমি কখনো করতে পারব না। তা হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘পোস্টমাস্টার’ এর রতন। কিশোরীর চরিত্রটি এখন কী করে করব? এ আমার চিরদিনের আফসোস। যদি কখনো কেউ সম্ভব করতে পারে, আমি অবশ্যই চাইবো পর্দায় রতন হতে।
ছিদাম আমার অনেক পছন্দের
রিয়াজ আহমেদ, অভিনেতা
বাংলাদেশে প্রথম রবীন্দ্রসাহিত্য নিয়ে কাজ করতে এগিয়ে আসেন চাষী নজরুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ গল্প অবলম্বনে ‘কাঠগড়া’ নামের একটি সিনেমার কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু অনেক রকম জটিলতার কারণে শেষ করতে পারেননি। ২০০৪ সালে তিনি আবারো উদ্যোগ নেন। ‘শাস্তি’ সিনেমায় আমি অভিনয় করি। গল্পের দুইভাইয়ের একভাই ছিলাম আমি। চরিত্রের নাম ছিদাম। ওই চরিত্রটি আমার অনেক পছন্দের। যখনই রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ গল্প পড়েছি, প্রতিবার আমার মনে হতো, যদি এ চরিত্রটি করতে পারতাম! চাষী ভাইয়ের কল্যাণে আমার ওই স্বপ্নটি পূরণ হয়।
লাবণ্য হতে চাই
সারিকা সাবরিন, অভিনেত্রী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে আমার পরিচয় সেই ছোটবেলায়। বাবা-মা দুজনেরই বই পড়ার অভ্যাস। বাসায় রবীন্দ্রনাথের অনেক বই ছিল। একটু বড় হয়ে ঐ বইগুলো পড়েছি। আমার প্রিয় উপন্যাস হলো রবীন্দ্রনাথের ‘শেষের কবিতা’। অনেকবার এ উপন্যাসটি পড়েছি। লাবণ্য চরিত্রটি আমার খুব পছন্দের। যদি কখনো সুযোগ আসে, পর্দায় লাবণ্য হতে চাই আমি। কেনো যেন মনে হয়, এই চরিত্রে অন্যদের চেয়ে আমি ভালো অভিনয় করতে পারব।

গত বছর ‘জংলি’র পর এবার রোজার ঈদ উপলক্ষেও নতুন সিনেমা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন সিয়াম আহমেদ। ‘রাক্ষস’ নামের সিনেমাটি বানাচ্ছেন ‘বরবাদ’খ্যাত পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয়। গত মাসে দেশে শুরু হয় শুটিং। সিয়ামের ফার্স্ট লুক প্রকাশ্যে এসেছে। এসেছে অ্যানাউন্সমেন্ট টিজার।
১২ ঘণ্টা আগে
পারিবারিক রোমান্টিক গল্প দিয়েই নির্মাতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন করণ জোহর। ১৯৯৮ থেকে ২০২৩—তিনি উপহার দিয়েছেন ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না ক্যাহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল...
১২ ঘণ্টা আগে
আগের দুই পর্বের মতো অ্যাভাটারের তৃতীয় পর্বটি শুরুতেই অতটা দাপট দেখাতে পারেনি। তাই ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ শেষ পর্যন্ত বক্স অফিসে সাড়া ফেলতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। নির্মাতা জেমস ক্যামেরন নিজেও ছিলেন সন্দিহান।
১২ ঘণ্টা আগে
২০২০ সালে একদল থিয়েটারকর্মীর উদ্যোগে নাট্যদল থিয়েটারিয়ানের যাত্রা শুরু হয়। বছর দুয়েক পর মঞ্চে আসে এ দলের প্রথম প্রযোজনা ‘ডেথ অব আ সেলসম্যান’। প্রশংসিত হয় তাদের প্রথম প্রযোজনা। এবার দ্বিতীয় প্রযোজনা নিয়ে আসছে থিয়েটারিয়ান। তাদের নতুন নাটকের নাম ‘তার্ত্যুফ’।
১২ ঘণ্টা আগে