প্রতিনিধি, ইবি

পরীক্ষা দিতে এসে লকডাউনে আটকে পড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল। সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। দুই দিনে বিভিন্ন রুটে গাড়ি পরিচালনা করবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রুটের চূড়ান্ত শিডিউল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিডিউল অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের রুটে চারটি বাস ছাড়বে। অন্যদিকে পরের দিন শনিবার (১৭ জুলাই) রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের রুটে বাস চলাচল করবে। টানা দুই দিন ক্যাম্পাস থেকে ছাড়বে এসব বাস।
প্রক্টর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে ৬টি রুটে বাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ৭৪৪টি আবেদন জমা পড়েছিল। পার্শ্ববর্তী জেলার ৮০ জন বাদ দেওয়া হয়েছে। মোট ৬৬৪ জন শিক্ষার্থী পরিবহন সেবা পাবেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের চাহিদার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচটি রুটে বাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এগুলো হলো গাবতলী, ফরিদপুর, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর। দুই দিনে এসব রুটে গাড়ি পরিচালনা করবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন পুল। আশা করি আমরা শিক্ষার্থীদের তাঁদের পরিবারের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দিতে পারব।’
উল্লেখ্য, ৭ জুলাই আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে বিভাগীয় শহরে পৌঁছানোর দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মৈত্রী।

পরীক্ষা দিতে এসে লকডাউনে আটকে পড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুল। সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। দুই দিনে বিভিন্ন রুটে গাড়ি পরিচালনা করবে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রুটের চূড়ান্ত শিডিউল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
শিডিউল অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল এবং খুলনা বিভাগের রুটে চারটি বাস ছাড়বে। অন্যদিকে পরের দিন শনিবার (১৭ জুলাই) রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের রুটে বাস চলাচল করবে। টানা দুই দিন ক্যাম্পাস থেকে ছাড়বে এসব বাস।
প্রক্টর অধ্যাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহরে পৌঁছে দেওয়া হবে। প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে ৬টি রুটে বাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে ৭৪৪টি আবেদন জমা পড়েছিল। পার্শ্ববর্তী জেলার ৮০ জন বাদ দেওয়া হয়েছে। মোট ৬৬৪ জন শিক্ষার্থী পরিবহন সেবা পাবেন।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের চাহিদার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাঁচটি রুটে বাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়েছে। এগুলো হলো গাবতলী, ফরিদপুর, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর। দুই দিনে এসব রুটে গাড়ি পরিচালনা করবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন পুল। আশা করি আমরা শিক্ষার্থীদের তাঁদের পরিবারের কাছে নিরাপদে পৌঁছে দিতে পারব।’
উল্লেখ্য, ৭ জুলাই আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে বিভাগীয় শহরে পৌঁছানোর দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র মৈত্রী।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চার দফা দাবি জানিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা চার প্যানেলেসহ স্বতন্ত্র পদপ্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপাচার্য বরাবর সম্মিলিতভাবে এ দাবি জানান তাঁরা।
২ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই ভোট গ্রহণ সাত দিন পেছানো হলো।
২ দিন আগে
রোববার বাংলা, সোমবার ইংরেজি, মঙ্গলবার গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবারের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ জানুয়ারি।
২ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণার পর উপাচার্যের ভবন ঘেরাও করে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে এ উত্তাল পরিস্থিতির মাঝে ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
২ দিন আগে