Ajker Patrika
সাক্ষাৎকার

‘ক্যারিয়ার মানে শুধু চাকরি নয়, নিজেকে তৈরির দীর্ঘ যাত্রা’

‘ক্যারিয়ার মানে শুধু চাকরি নয়, নিজেকে তৈরির দীর্ঘ যাত্রা’

ভালো ক্যারিয়ার বলতে অনেকে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার পেশাকে বোঝেন। তবে ফারহানা আহমেদ এর বাইরে গিয়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। দেশের পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে। লন্ডন মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস কমিউনিকেশন বিষয়ে পড়াশোনা করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ফিনিক্সে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা নিয়ে পড়েন। বহুমাত্রিক পথচলায় যুক্ত হয়েছেন করপোরেট জগতের সঙ্গেও। ২০১৮ সালে স্টেট হাউস রিপ্রেজেন্টেটিভ পদে এবং ২০২৪ সালে চ্যান্ডলার সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। ক্যারিয়ার ও নেতৃত্বের দীর্ঘ যাত্রার গল্প নিয়ে আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ড. মশিউর রহমান

আপনার ক্যারিয়ার শুরুর গল্প শুনতে চাই—

আমার শৈশব কেটেছে ঢাকায়। ক্লাস এইটে পড়ার সময় এক শিক্ষক জনসংখ্যা, জিডিপি ও সমাজে নারী-পুরুষের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তখন আমার মনে হয়েছিল, একজন নারী হিসেবে আমি কারও ওপর বোঝা হয়ে থাকতে চাই না। ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হওয়ার কিছুদিনের মধ্যে একটি স্কুলে গেমস টিচার হিসেবে কাজ শুরু করি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলায় পড়ার পাশাপাশি ইউনিসেফের সঙ্গে কমিউনিকেশন ম্যাটেরিয়াল তৈরি, অ্যানিমেশন ফিল্ম ও ডকুমেন্টারি তৈরির কাজ করি। ধীরে ধীরে

তিন বছর শেষে ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাই। সেই সময় বুঝেছি, ক্যারিয়ার মানে শুধু ডিগ্রি নয়; কাজের মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করা। ছাত্রজীবন থেকে বাস্তব কাজে যুক্ত হওয়া আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় বিষয় নির্বাচনকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন? বিশেষ করে চারুকলায় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ কেমন?

অনেকে মনে করেন, আর্টস, চারুকলা বা সমাজবিজ্ঞান পড়লে ভালো ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব নয়। আমি এই ধারণার সঙ্গে একমত নই। আমার কাছে পড়াশোনা হলো একটি ভিত্তি, যা মানুষের মধ্যে চিন্তা, রুচি ও বোঝাপড়া তৈরি করে। চারুকলায় পড়া মানে শুধু ক্যানভাসে ছবি আঁকা নয়। পণ্য নকশা, বইয়ের প্রচ্ছদ, প্যাকেজিং, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ল্যান্ডস্কেপিং, অ্যানিমেশন কিংবা চলচ্চিত্র—সব ক্ষেত্রে শিল্পের প্রয়োগ রয়েছে। একইভাবে সমাজবিজ্ঞান পড়া একজন মানুষ কেস ম্যানেজার হতে পারেন, সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার নেতৃত্ব দিতে পারেন কিংবা গবেষণায় যুক্ত হতে পারেন। মূল বিষয় হলো, নিজের পড়াশোনাকে কীভাবে বাস্তব দক্ষতায় রূপান্তর করা যায়। বিষয় নয়, বরং বিষয়টিকে ব্যবহার করার সক্ষমতাই শেষ পর্যন্ত ক্যারিয়ার তৈরি করে।

ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের কর্মক্ষেত্র থেকে কী শিক্ষা পেয়েছেন?

অনেক শিক্ষা পেয়েছি। প্রথমে আমাকে শিখিয়েছি, অপেক্ষা করলে সুযোগ আসে না, সুযোগ তৈরি করতে হয়। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হওয়ার পরপরই কাজ শুরু করা আমার জন্য অর্থনৈতিক স্বাধীনতার প্রথম ধাপ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ইউনিসেফের সঙ্গে কাজ করে বুঝেছি, বাস্তব সমস্যা বুঝতে হলে মাঠে যেতে হয়, মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হয়। প্রত্যন্ত গ্রামে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমাকে বইয়ের বাইরের বাংলাদেশকে চিনিয়েছে। সেখানে দেখেছি, একটি কমিউনিকেশন ম্যাটেরিয়াল বা ছোট একটি প্রকল্পও মানুষের জীবন ও বাস্তবতা বোঝার গুরুত্বপূর্ণ দরজা খুলে দিতে পারে।

ভালো ক্যারিয়ারের জন্য কি ভালো ফলই যথেষ্ট? আপনার অভিজ্ঞতা কী বলে?

ভালো ফল অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্কলারশিপ, প্রতিযোগিতামূলক প্রোগ্রাম বা নির্দিষ্ট পেশাগত পথে এগোতে চাইলে। তবে ভালো ফলই জীবনের একমাত্র মাপকাঠি নয়। আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি বিষয়টি কতটা বুঝছেন এবং সেটিকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে পারছেন কি না। কেউ যদি ইকোনমিক্স পড়ে কিন্তু বাজার, নীতি বা মানুষের আচরণের সঙ্গে সেটিকে যুক্ত করতে না পারে, তাহলে তার শেখা অনেকটাই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আবার কেউ যদি তুলনামূলকভাবে মাঝারি ফল করেও সমস্যা বুঝতে পারে, মানুষকে বোঝে এবং কাজ সংগঠিত করতে পারে, তাহলে সে বাস্তবে অনেক দূর যেতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত নম্বরের পাশাপাশি বোঝাপড়া, বিশ্লেষণক্ষমতা, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বাস্তব প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া। রেজাল্ট হয়তো দরজা খুলে দেয়, কিন্তু সেই দরজার বাইরে টিকে থাকতে লাগে বাস্তব দক্ষতা।

সফট স্কিল বা যোগাযোগ দক্ষতা ক্যারিয়ারে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

সফট স্কিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক পরিবেশে। বাংলাদেশ থেকে লন্ডনে পড়তে গিয়ে আমি প্রথম বড় সাংস্কৃতিক ধাক্কা খাই। শিক্ষকের মূল বক্তব্য বুঝতে পারলেও অনেক সময় তাঁর ব্যবহৃত উদাহরণ, সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বা সামাজিক রেফারেন্সগুলো পুরোপুরি স্পষ্ট হতো না। তখনই বুঝেছি, শুধু ভাষা বোঝা নয়, ভাষার ভেতরের সংস্কৃতি বোঝাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তরাষ্ট্রে এসে আরেকটি বিষয় শিখলাম, চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা সেখানে আত্মবিশ্বাস ও সততার লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়, অথচ আমাদের সংস্কৃতিতে অনেক সময় এটি বেয়াদবি মনে করা হয়। একইভাবে পোশাক, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ও কথা বলার ধরন—সবই একটি বার্তা দেয়। সফট স্কিল শুধু সুন্দরভাবে কথা বলার দক্ষতা নয়; এটি পরিস্থিতি বুঝে নিজেকে সঠিকভাবে উপস্থাপনের সক্ষমতা। যে তরুণ এই দক্ষতা অর্জন করতে পারবে, সে চাকরি, নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ—সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকবে।

করপোরেট জগতে কাজ করে আপনি কী শিখেছেন?

করপোরেট জগৎ আমাকে পেশাদারত্ব, সময়ের মূল্য, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট এবং দায়িত্ববোধ শিখিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এসে আমি প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পড়াশোনা করি এবং পরে করপোরেট চাকরিতে যুক্ত হই। সেখানে বুঝেছি, প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের মূল ভিত্তি হলো সময়, সম্পদ ও অর্থের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা। এই ভারসাম্য শুধু পেশাগত জীবনে নয়, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

করপোরেট জীবনে আরও উপলব্ধি করেছি, শুধু মেধা থাকলেই যথেষ্ট নয়। সময়মতো কাজ সম্পন্ন করা, দলের সঙ্গে সমন্বয় করা, অন্যদের অনুপ্রাণিত করা, নিয়মিত রিপোর্ট করা, সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হওয়া এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া—এসবও সমান গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা।

তবে একই সঙ্গে আমি অনুভব করেছি, আমার ভেতরে একটি স্বাধীন সত্তা আছে, যে শুধু নির্দিষ্ট চাকরির কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। তাই পরবর্তীকালে আমি ফ্রিল্যান্সিং ও উদ্যোক্তাধর্মী কাজে বেশি মনোযোগ দিই।

তরুণদের জন্য আমার শিক্ষা হলো করপোরেট জগৎ আপনাকে শৃঙ্খলা শেখাবে, কিন্তু একই সঙ্গে নিজের স্বভাব, লক্ষ্য এবং ভেতরের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে। সবাই একই ধরনের ক্যারিয়ারে সুখী হবে না, কারণ সফলতা একেবারেই আপেক্ষিক। প্রত্যেক মানুষের জন্য সফলতার সংজ্ঞা আলাদা।

আর একটি ছোট্ট উৎসাহ দিতে চাই ‘ড্রিম ইমপসিবল টু মেক ইট পসিবল’ অর্থাৎ বড় স্বপ্ন দেখ এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে যত চ্যালেঞ্জ আসুক, তা গ্রহণ করার সাহস রাখ। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো ‘টার্ন ইওর অ্যাডভার্সিটিজ ইনটু স্ট্রেংথ’ কেউ আপনাকে ধাক্কা দিলে বা অবমূল্যায়ন করলে নিজেকে ভুক্তভোগী মনে না করে সেটিকে শক্তিতে রূপান্তরের চেষ্টা করতে হবে। অনেক সময় এসব আচরণ অন্যের সীমাবদ্ধতা থেকে আসে। তাই নিজেকে একজন যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তুলে সামনে এগিয়ে যেতে হয়। সফলতা কেউ হাতে তুলে দেয় না; নিজেকে তা অর্জন করতে হয়

ছাত্রজীবনে নিজেকে কীভাবে উন্নত করা উচিত?

ক্যাডেট কলেজ থেকে একটি শিক্ষা পেয়েছি, অন্যের সঙ্গে নয়, নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হয়। ক্লাসে প্রথম হওয়া ভালো, তবে সেটির একটি সীমা আছে। কিন্তু নিজের আগের অবস্থার চেয়ে ভালো হওয়া, এর কোনো সীমা নেই। আজ আপনি যে অবস্থানে আছেন, আগামী পরীক্ষা, উপস্থাপনা বা প্রকল্পে একটু ভালো করার চেষ্টা করুন। আমি যদি জানি আমার সক্ষমতা একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ের, তাহলে তার নিচে নেমে যাওয়া মানে নিজেকে ছোট করা। তাই শিক্ষার্থীদের উচিত প্রতিদিন ছোট ছোট উন্নতির অভ্যাস তৈরি করা। এক দিনে বড় পরিবর্তন আসে না। কিন্তু নিয়মিত পড়া, লেখা, কথা বলা, প্রেজেন্টেশন, সময় ব্যবস্থাপনা ও দলগত কাজের চর্চা একজন মানুষকে ধীরে ধীরে বদলে দিতে পারে। পাঁচ বছর পর সেই ধারাবাহিকতা একজন শিক্ষার্থীকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

নেতৃত্ব সম্পর্কে আপনার সবচেয়ে বড় শিক্ষা কী?

নেতৃত্ব মানে শুধু কোনো পদ বা অবস্থান নয়; নেতৃত্ব মানে দায়িত্ব গ্রহণের মানসিকতা। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমি দেখেছি, প্রকৃত নেতৃত্বের জন্য স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং মানুষের কাছে গিয়ে তাদের কথা শোনার ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে নির্বাচনে অংশ নিলে জনগণের কাছ থেকে অনুদান নিতে হয়, প্রতিটি ব্যয়ের হিসাব দিতে হয় এবং জনগণের প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিতে হয়। এই প্রক্রিয়া আমাকে শিখিয়েছে, নেতৃত্ব মানে শুধু নির্দেশ দেওয়া নয়; বরং মানুষের কাছে গিয়ে তাদের কথা শোনা এবং তাদের আস্থার জায়গা তৈরি করা। আরেকটি শিক্ষা হলো সততার সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব এবং কার্যকরও। সত্যিকার অর্থে মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করা যায়। স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আমি উপলব্ধি করেছি, শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; দলগত সাফল্যই দীর্ঘ মেয়াদে টেকসই পরিবর্তন আনে। তাই তরুণদের উচিত এখন থেকে নেতৃত্বের

চর্চা শুরু করা—ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবা, খেলাধুলা, প্রজেক্ট, গবেষণা দল বা সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে। ছোট ছোট দায়িত্ব থেকে বড় নেতৃত্বের ভিত্তি তৈরি হয়।

তরুণদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?

নিজেকে হারিয়েও ফেলো না, আবার নিজেকে সীমাবদ্ধও রেখো না। অনেক তরুণ মনে করে পশ্চিমা পোশাক, উচ্চারণ বা জীবনধারা অনুকরণ করলেই আধুনিক হওয়া যায়। আধুনিকতা আসলে চিন্তার স্বাধীনতা, দক্ষতা, দায়িত্ববোধ এবং অন্যের প্রতি সম্মানের ওপর নিহিত। নিজের ভাষা ভালোভাবে বলতে না পারা দুর্বলতা; ইংরেজি না জানা অপরাধ নয়, এটি শেখার বিষয়। তবে নিজের শিকড় না-জানা একজন মানুষকে দিকহীন করে দেয়। একই সঙ্গে মা-বাবার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল থেকেও ক্যারিয়ার গড়া কঠিন। ছাত্রজীবন থেকে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন, অর্থের মূল্য বোঝা এবং আত্মনির্ভরশীল হওয়া প্রয়োজন। পরিবার সহযোগিতা করবে, তবে জীবনের সংগ্রাম নিজেকে মোকাবিলা করতে হবে। আত্মনির্ভরতা ছাড়া বৈশ্বিক ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব নয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

গাজীপুরে তিন শিশুসন্তান, স্ত্রী ও শ্যালককে হত্যা: ফোনকলে স্বীকারোক্তি দিয়ে পলাতক ঘাতক

গাজীপুরে গভীর রাতে একই পরিবারের ৫ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

মির্জা ফখরুল-ফাতেমাসহ আরও যাঁরা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া স্মৃতি স্বর্ণপদক

আনসার কর্মকর্তার চোখ থেঁতলে দিলেন হকারেরা, আহত আরও ৫

ডিএমপিতে নতুন ৪ থানাসহ আরও যে তথ্য দিলেন কমিশনার

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত