
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এনটিআরসিএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ নীতিমালা-২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে শিগগির নীতিমালাটি জারি করা হবে। এরপর শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করার পর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
২০১৫ সাল থেকে এনটিআরসিএর মাধ্যমে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এত দিন প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগ দেওয়া হতো সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে। তবে নতুন নীতিমালা জারি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগও এনটিআরসিএর মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। দেশে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ১০৪টি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ৬ অক্টোবর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদের নিয়োগ এনটিআরসিএর মাধ্যমে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানায়। একই সঙ্গে এসব পদে নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে গতকাল সোমবার এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, শিগগির প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ নীতিমালা জারি করা হবে। এরপর শূন্য পদের তালিকা চূড়ান্ত করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।
এনটিআরসিএ সূত্র জানায়, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অংশ হিসেবে শূন্য পদের তথ্য চেয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ৭ জানুয়ারি জারি করা ওই অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার) লক্ষ্যে ২০ জানুয়ারির মধ্যে নির্ভুল শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে নির্ধারিত ছকে পাঠাতে হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে শূন্য পদের চাহিদা অনলাইনে এনটিআরসিএতে পাঠাতে হবে। যাচাই শেষে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপর যোগ্য প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়ায় বলা হয়েছে, লিখিত বা বাছাই পরীক্ষা ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। এতে লিখিত বা বাছাই পরীক্ষায় ৮০ নম্বর, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদে ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষায় ৮ নম্বর থাকবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। পদভিত্তিক শূন্য পদের তিন গুণ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হবেন। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মধ্য থেকে লিখিত, বাছাই, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে শূন্য পদের বিপরীতে ১: ১.১০ অনুপাতে পদভিত্তিক একটি তালিকা তৈরি করা হবে। পাশাপাশি শূন্য পদের সমসংখ্যক প্রার্থীর একটি প্যানেলও প্রস্তুত করা হবে। সব পরীক্ষার ফল ও কৃতকার্যতা নির্ধারণে এনটিআরসিএর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ দিতে পারবেন। এরপর কোনো প্রার্থী যদি পছন্দের বাইরে অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে আগ্রহী হন, তাহলে অনলাইনে ই-আবেদনপত্রে প্রদর্শিত বিকল্পে সম্মতি দিতে হবে। নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি এক মাসের মধ্যে নিয়োগপত্র দেবে। তবে এমপিও জনবলকাঠামো অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা না থাকলে প্রার্থী নিয়োগ সুপারিশের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। একইভাবে আদালতে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা থাকলেও তিনি অযোগ্য বলে গণ্য হবেন।

মানুষ জন্মগতভাবেই সুখী হতে চায়। আমরা চাই শান্তি, চাই স্বস্তি—এমন একটি জীবন, যেখানে রাতের ঘুমটা হবে নির্ভার। কিন্তু অদ্ভুত সত্য হলো, আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের কেউ নয়; শত্রু নিজের চিন্তা, ভয়, অহংকার আর ভুল বিশ্বাস। অজান্তেই আমরা নিজের জন্য এমন এক মানসিক কারাগার তৈরি করি, যেখান থেকে বের হওয়ার পথটাও
১ দিন আগে
বর্তমানে শুধু ভালো ফল বা ডিগ্রিই সাফল্যের একমাত্র মাপকাঠি নয়। দ্রুত বদলে যাওয়া সমাজ ও কর্মজগতে টিকে থাকতে প্রয়োজন এমন কিছু দক্ষতা; যা বইয়ের পাতায় নয়—মানুষের আচরণ, চিন্তা ও সম্পর্কের ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠে। এসব দক্ষতাকে বলা হয় সফট স্কিল। পড়াশোনা থেকে শুরু করে কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক; জীবনের প্রতিটি
১ দিন আগে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর ভবিষ্যতের কোনো কল্পনা নয়। এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব অংশ। শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা, গণমাধ্যম থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত জীবনেও এআইয়ের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে এআই শিক্ষার্থীদের শেখার ধরনকে আমূল বদলে দিচ্ছে।
২ দিন আগে
উচ্চশিক্ষার জন্য যাঁরা অস্ট্রেলিয়াকে পছন্দের তালিকায় রেখেছেন, তাঁদের জন্য সিডনির বিখ্যাত ম্যাককুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এল এক দারুণ সুখবর। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স অব রিসার্চ এবং পিএইচডি পর্যায়ে গবেষণার জন্য সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
২ দিন আগে