এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে (এইউবি) নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে এর সূচনা হয়।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. আবুল হাসান মোহাম্মদ সাদেক। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এরপর শুরু হয় বরণ অনুষ্ঠান। সঞ্চালনায় ছিলেন মুক্তাসা দ্বীনা চৌধুরী। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়, এরপর পরিবেশিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং। একপর্যায়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ড. আবুল হাসান মোহাম্মদ সাদেক।
ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, শেখার পদ্ধতি আয়ত্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ; এই বাস্তবতায় সৃজনশীলতা ও দক্ষতাই একজন শিক্ষার্থীকে এগিয়ে রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তুলনামূলক কম খরচেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড. মোহাম্মদ জাফর সাদেক শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্লাবের মাধ্যমে নেতৃত্বগুণ ও সৃজনশীলতা বিকাশের সুযোগ রয়েছে। এমনকি আগ্রহ অনুযায়ী নতুন ক্লাব গড়ে তোলারও সুযোগ আছে। পাশাপাশি তিনি এআইয়ের ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ছিল সাংস্কৃতিক আয়োজন। প্রধান অতিথির গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে এ পর্বের সূচনা হয়। পরে নবীন শিক্ষার্থীদের গান ও নৃত্যে মঞ্চ মুখর হয়ে ওঠে। সবশেষে রকস্টার ব্যান্ডের পরিবেশনা দিনের বর্ণাঢ্য আয়োজনকে উচ্ছ্বসিত সমাপ্তি দেয়।

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) সায়েন্স ক্লাবের উদ্যোগে আন্তবিভাগীয় প্রতিযোগিতা ‘টেক্সটাইটান্স’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।
২ ঘণ্টা আগে
বছর যায়, বছর আসে। সময়ের অবিরাম প্রবাহে মানুষের জীবনে জমা হয় অসংখ্য স্মৃতি ও অভিজ্ঞতা। পুরোনোকে বিদায় এবং নতুনকে বরণে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠকবন্ধু শাখাগুলোও বসে থাকেনি।
৩ ঘণ্টা আগে
বৈশাখের ছোঁয়ায় নতুন রূপে সেজেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির অপরূপ ছায়াঘেরা সবুজ ক্যাম্পাসে দাঁড়িয়ে থাকা পুরোনো গাছগুলো যেন চারদিকে ছড়িয়ে দিচ্ছে নবজীবনের এক বার্তা। কোথাও রক্তরাঙা ফুলে ছেয়ে গেছে ডালপালা, আবার কোথাও ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে আম ও লিচুগাছ।
৪ ঘণ্টা আগে
ম্রো জনগোষ্ঠীর কোনো মেয়ে এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি যেমন একটি বড় অপূর্ণতা ছিল, তেমনি ম্রো জনগোষ্ঠীর মেয়েদের জন্যও ছিল এক অপ্রাপ্তি। সেই অপ্রাপ্তি পূরণ করলেন য়াপাও ম্রো।
৪ ঘণ্টা আগে