নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদ ওরফে জ্বালাময়ী জালালের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। বাদী হয়ে মামলাটি করেন হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলাম। আজ বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জালাল আহমদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আসাদুল ইসলাম।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি জালাল আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ সেশনের টেলিভিশন অ্যান্ড ফিল্ম বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-২০১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মো. রবিউল হক (২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর রুমে থাকেন। সিনিয়র শিক্ষার্থী হওয়ায় আসামি জালাল আহমদ বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে শিক্ষার্থী মো. রবিউল হককে হলের রুমের ভেতর নানাভাবে হয়রানি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লেখাপড়া ও ঘুমের বিঘ্ন সৃষ্টি করতেন জালাল। রবিউল হক প্রতিবাদ করলে জালাল আহমদ তাঁকে মারধর করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করতেন।
সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, রবিউল হক জালালের ব্যাপারে অন্য শিক্ষার্থীদের অবহিত করলে তারা আসামি জালাল আহমদকে শাসন করেছে এবং তাঁকে হল ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলে। পরে গত ২৭ আগস্ট তারিখ রাত অনুমান ১২টা ১০ মিনিটে শিক্ষার্থী রবিউল হক রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত অনুমান ১২টা ৩০ মিনিটে আসামি জালাল রুমে এসে লাইট জ্বালিয়ে চেয়ার টানা-হিঁচড়া করে শব্দ করতে থাকেন। রবিউলের ঘুম ভেঙে গেলে তিনি জালালকে বলেন, ‘ভাই সকালে আমি লাইব্রেরিতে যাব।’ এতে অভিযুক্ত জালাল আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে রবিউলের এর সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করে।
একপর্যায়ে রবিউলকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কাঠের চেয়ার দিয়ে মাথা লক্ষ্য করে বারি মারে। রবিউল হাত দিয়ে কাঠের চেয়ারের বারি প্রতিহত করে। পরে জালাল রুমের ভেতর থাকা পুরোনো টিউবলাইট দিয়ে রবিউলকে আঘাত করলে টিউবলাইট ভেঙে তাঁর বুকের বাম পাশে লেগে কেটে যায়। পুনরায় ভাঙা ও ধারালো টিউব লাইট দিয়ে রবিউলকে আঘাত করলে রবিউলের বাম হাতে কেটে যায়। পরে শিক্ষার্থীরা আহত রবিউলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মামলা সূত্রে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে। আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই বাছাই প্রক্রিয়াধীন মামলার ঘটনার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চাঞ্চল্যকর বলে উল্লেখ করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদ ওরফে জ্বালাময়ী জালালের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। বাদী হয়ে মামলাটি করেন হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলাম। আজ বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জালাল আহমদকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আসাদুল ইসলাম।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি জালাল আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৩-২০১৪ সেশনের টেলিভিশন অ্যান্ড ফিল্ম বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-২০১৯ সেশনের শিক্ষার্থী মো. রবিউল হক (২৫) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর রুমে থাকেন। সিনিয়র শিক্ষার্থী হওয়ায় আসামি জালাল আহমদ বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে শিক্ষার্থী মো. রবিউল হককে হলের রুমের ভেতর নানাভাবে হয়রানি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। লেখাপড়া ও ঘুমের বিঘ্ন সৃষ্টি করতেন জালাল। রবিউল হক প্রতিবাদ করলে জালাল আহমদ তাঁকে মারধর করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করতেন।
সেখানে আরও উল্লেখ করা হয়, রবিউল হক জালালের ব্যাপারে অন্য শিক্ষার্থীদের অবহিত করলে তারা আসামি জালাল আহমদকে শাসন করেছে এবং তাঁকে হল ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলে। পরে গত ২৭ আগস্ট তারিখ রাত অনুমান ১২টা ১০ মিনিটে শিক্ষার্থী রবিউল হক রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত অনুমান ১২টা ৩০ মিনিটে আসামি জালাল রুমে এসে লাইট জ্বালিয়ে চেয়ার টানা-হিঁচড়া করে শব্দ করতে থাকেন। রবিউলের ঘুম ভেঙে গেলে তিনি জালালকে বলেন, ‘ভাই সকালে আমি লাইব্রেরিতে যাব।’ এতে অভিযুক্ত জালাল আহমদ ক্ষিপ্ত হয়ে রবিউলের এর সঙ্গে তর্কবিতর্ক শুরু করে।
একপর্যায়ে রবিউলকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে কাঠের চেয়ার দিয়ে মাথা লক্ষ্য করে বারি মারে। রবিউল হাত দিয়ে কাঠের চেয়ারের বারি প্রতিহত করে। পরে জালাল রুমের ভেতর থাকা পুরোনো টিউবলাইট দিয়ে রবিউলকে আঘাত করলে টিউবলাইট ভেঙে তাঁর বুকের বাম পাশে লেগে কেটে যায়। পুনরায় ভাঙা ও ধারালো টিউব লাইট দিয়ে রবিউলকে আঘাত করলে রবিউলের বাম হাতে কেটে যায়। পরে শিক্ষার্থীরা আহত রবিউলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
মামলা সূত্রে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে। আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই বাছাই প্রক্রিয়াধীন মামলার ঘটনার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং চাঞ্চল্যকর বলে উল্লেখ করা হয়।

গণনা মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে স্থগিত করা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা। পরে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমে নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে আলোচনায় মেশিনেই ভোট গণনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ করা হলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বিকেলে ভোট শেষে শুরু হয় গণনা। আজ বুধবার ফলাফল জানা যেতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে ত্রুটির কারণে ভোট গণনা স্থগিত করা হয়েছে। এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত (রাত ৯টা ৩০ মিনিট) ভোট গণনা স্থগিত রয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ভোট পড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭৭ শতাংশ।
৮ ঘণ্টা আগে