ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিনিধি

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত ৯ অক্টোবর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক শিক্ষার্থীদের এক ডোজ টিকা গ্রহণ ও বৈধ ছাত্র হওয়ার ভিত্তিতে হলে থাকতে দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, হল খোলার প্রথম দিনেই এই নিয়মটা মানা হয়। কিন্তু পরের দিন থেকে ছেলেদের প্রায় প্রতিটি হলেই অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা আগেই কক্ষে থাকা শুরু করেছে। ফলে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দেখা দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেলেদের প্রতিটি হলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে। এসব শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এ বিষয়ে হলে থাকা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এর মধ্যেই মাস্টার্সের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এমন শিক্ষার্থীরাও হলে থাকা শুরু করেছেন।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা বলেন, 'এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি একটু কঠোর হতো। তাহলে শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করত না।'
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকীর মাহফুজ বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবশ্যই সাধারণ ছাত্ররা থাকবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে, কারা বৈধ ছাত্র হিসেবে হলে থাকবে, আর কারা হলে থাকবে না।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল এ বিষয়ে বলেন, 'হলে হাউস টিউটরদের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্লোর নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। বর্তমানে এটি বেশি করা হবে। এই ধারাবাহিকতায় অছাত্রদের হলে না রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।'

প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত ৯ অক্টোবর ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক শিক্ষার্থীদের এক ডোজ টিকা গ্রহণ ও বৈধ ছাত্র হওয়ার ভিত্তিতে হলে থাকতে দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, হল খোলার প্রথম দিনেই এই নিয়মটা মানা হয়। কিন্তু পরের দিন থেকে ছেলেদের প্রায় প্রতিটি হলেই অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা আগেই কক্ষে থাকা শুরু করেছে। ফলে বৈধ আবাসিক শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দেখা দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছেলেদের প্রতিটি হলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছে। এসব শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
এ বিষয়ে হলে থাকা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এর মধ্যেই মাস্টার্সের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে এমন শিক্ষার্থীরাও হলে থাকা শুরু করেছেন।
আবাসিক শিক্ষার্থীরা বলেন, 'এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি একটু কঠোর হতো। তাহলে শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পরও শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করত না।'
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তৌকীর মাহফুজ বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে অবশ্যই সাধারণ ছাত্ররা থাকবে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে, কারা বৈধ ছাত্র হিসেবে হলে থাকবে, আর কারা হলে থাকবে না।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. রেবা মণ্ডল এ বিষয়ে বলেন, 'হলে হাউস টিউটরদের মাধ্যমে বিভিন্ন ফ্লোর নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। বর্তমানে এটি বেশি করা হবে। এই ধারাবাহিকতায় অছাত্রদের হলে না রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।'

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে চার দফা দাবি জানিয়েছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা চার প্যানেলেসহ স্বতন্ত্র পদপ্রার্থীরা। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপাচার্য বরাবর সম্মিলিতভাবে এ দাবি জানান তাঁরা।
২ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পিছিয়ে আগামী ৬ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই ভোট গ্রহণ সাত দিন পেছানো হলো।
২ দিন আগে
রোববার বাংলা, সোমবার ইংরেজি, মঙ্গলবার গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবারের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৫ জানুয়ারি।
২ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণার পর উপাচার্যের ভবন ঘেরাও করে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। এদিকে এ উত্তাল পরিস্থিতির মাঝে ক্যাম্পাস ছাড়তে শুরু করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
২ দিন আগে