খুবি প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক লিটারারি এনসাইক্লোপিডিয়া বুক অ্যাওয়ার্ড–২০২৩ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ইংরেজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. সাবিহা হক।
লিটারারি এনসাইক্লোপিডিয়ার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ড. সাবিহা হক তার বই ‘দ্য মুঘল অ্যাভিয়ারি: উইমেন’স রাইটিংস ইন প্রি–মডার্ন ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য এ সম্মাননা পেয়েছেন। বইটির ভূমিকা লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইতিহাসবিদ ড. সোনিয়া নিশাত আমিন।
ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, মোট দুটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। প্রথমটি সরাসরি ইংরেজি ভাষায় লিখিত সাহিত্যের জন্য। আর দ্বিতীয়টি ইংরেজি ছাড়া অন্যান্য ভাষায় লিখিত সাহিত্যের ওপর। এই দুই ক্যাটাগরিতে এ বছর যৌথভাবে দুজন করে মোট ৪ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে ড. সাবিহা হকের সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনার অধ্যাপক (জার্মান ভাষা) আলব্রেখত ক্লাশেন। ড. সাবিহার বইটি ২০২২ সালে দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশিত হয়।
এই পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ড. সাবিহা হক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! স্বীকৃতি পেয়ে ভালো লাগছে। পুরস্কার ভালো কাজের অনুপ্রেরণা ছাড়া আর কিছুই না। যারা কাজ করেন তাঁরা পুরস্কারের আশা করেন না। তবে কাজের স্বীকৃতি পেলে সব সময়ই ভালো লাগে।’
ড. সাবিহা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক। এর আগে তিনি একই ডিসিপ্লিনের বিভাগীয় প্রধান এবং কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আধুনিক নাটক এবং নরওয়ের বিখ্যাত নাট্যকার হেনরিক ইবসেনকে তাঁর কাজের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন। পাশাপাশি ‘সাহিত্যে নারীদের অবস্থান’ নিয়ে কাজ করতেও পছন্দ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, লিটারারি এনসাইক্লোপিডিয়া একটি অনলাইন ভিত্তিক সাহিত্য বিশ্বকোষ। এই বিশ্বকোষের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকেরা হলেন ইস্ট অ্যাঙ্গলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রবার্ট ক্লার্ক, রিভারসাইডস ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এমরি এলিয়ট এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যানেট টড। বর্তমান সম্পাদকীয় বোর্ডে রয়েছেন সারা বিশ্বের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ জনের বেশি বিশিষ্ট একাডেমিশিয়ান।
এই প্ল্যাটফর্মে প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ২০০০ সালের অক্টোবরে। বর্তমানে এতে ১ কোটি ৬৮ লাখ শব্দের ৮ হাজারের বেশি নিবন্ধ রয়েছে। বিশ্ব সাহিত্যে ধ্রুপদি থেকে উত্তর–ঔপনিবেশিক পর্যন্ত বিস্তৃত লেখালেখি এখানে প্রকাশ করা হয়। প্রতি মাসে গড়ে ২০–৪০টি নতুন নিবন্ধ প্রকাশ করে চলেছে এই প্ল্যাটফর্ম।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক লিটারারি এনসাইক্লোপিডিয়া বুক অ্যাওয়ার্ড–২০২৩ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ইংরেজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. সাবিহা হক।
লিটারারি এনসাইক্লোপিডিয়ার ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ড. সাবিহা হক তার বই ‘দ্য মুঘল অ্যাভিয়ারি: উইমেন’স রাইটিংস ইন প্রি–মডার্ন ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য এ সম্মাননা পেয়েছেন। বইটির ভূমিকা লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইতিহাসবিদ ড. সোনিয়া নিশাত আমিন।
ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, মোট দুটি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। প্রথমটি সরাসরি ইংরেজি ভাষায় লিখিত সাহিত্যের জন্য। আর দ্বিতীয়টি ইংরেজি ছাড়া অন্যান্য ভাষায় লিখিত সাহিত্যের ওপর। এই দুই ক্যাটাগরিতে এ বছর যৌথভাবে দুজন করে মোট ৪ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন।
দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে ড. সাবিহা হকের সঙ্গে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনার অধ্যাপক (জার্মান ভাষা) আলব্রেখত ক্লাশেন। ড. সাবিহার বইটি ২০২২ সালে দ্য ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশিত হয়।
এই পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ড. সাবিহা হক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! স্বীকৃতি পেয়ে ভালো লাগছে। পুরস্কার ভালো কাজের অনুপ্রেরণা ছাড়া আর কিছুই না। যারা কাজ করেন তাঁরা পুরস্কারের আশা করেন না। তবে কাজের স্বীকৃতি পেলে সব সময়ই ভালো লাগে।’
ড. সাবিহা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক। এর আগে তিনি একই ডিসিপ্লিনের বিভাগীয় প্রধান এবং কলা ও মানবিক স্কুলের ডিন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আধুনিক নাটক এবং নরওয়ের বিখ্যাত নাট্যকার হেনরিক ইবসেনকে তাঁর কাজের বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে বেছে নিয়েছেন। পাশাপাশি ‘সাহিত্যে নারীদের অবস্থান’ নিয়ে কাজ করতেও পছন্দ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, লিটারারি এনসাইক্লোপিডিয়া একটি অনলাইন ভিত্তিক সাহিত্য বিশ্বকোষ। এই বিশ্বকোষের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকেরা হলেন ইস্ট অ্যাঙ্গলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রবার্ট ক্লার্ক, রিভারসাইডস ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এমরি এলিয়ট এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যানেট টড। বর্তমান সম্পাদকীয় বোর্ডে রয়েছেন সারা বিশ্বের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০০ জনের বেশি বিশিষ্ট একাডেমিশিয়ান।
এই প্ল্যাটফর্মে প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ২০০০ সালের অক্টোবরে। বর্তমানে এতে ১ কোটি ৬৮ লাখ শব্দের ৮ হাজারের বেশি নিবন্ধ রয়েছে। বিশ্ব সাহিত্যে ধ্রুপদি থেকে উত্তর–ঔপনিবেশিক পর্যন্ত বিস্তৃত লেখালেখি এখানে প্রকাশ করা হয়। প্রতি মাসে গড়ে ২০–৪০টি নতুন নিবন্ধ প্রকাশ করে চলেছে এই প্ল্যাটফর্ম।

পড়ার টেবিলে বসে আছে রাফি। ১০ মিনিট পর দেখা যায় সে বই রেখে মোবাইলে স্ক্রল করছে। আবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বইয়ের দিকে তাকাচ্ছে। আসলে তার পড়ায় মন বসছে না। ‘পড়তে মন চাইছে না’—এ কথাটি আজকাল শিক্ষার্থীদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মন চাইছে না’ কি আসলে মস্তিষ্কের কাজ, নাকি এর পেছনে রয়েছে...
৪ ঘণ্টা আগে
সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার স্বপ্ন দেখা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ২০২৬ সালের বৃত্তির জন্য আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টির স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
মহাকাশ সব সময়ই সবার কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু। সেখানে মানুষ গিয়ে গবেষণা করে নতুন কিছু আবিষ্কার করছে। পৃথিবীর জীবনকেও আরও উন্নত করতে সাহায্য করছে এই গবেষণা। সম্প্রতি চীনের শেনচৌ-২১ মিশন এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অনুষ্ঠিত ‘আইএইউপি’ এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক সম্মেলন-২০২৬-এ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
২ দিন আগে