Ajker Patrika

জকসু নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের নতুন নির্দেশনা

জবি প্রতিনিধি 
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

৬ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এই উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নতুন নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।

‎আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

‎বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘৬ জানুয়ারি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ ও হল শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জকসু নির্বাচনের জন্য ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা এবং কোনো ধরনের ছুটির আবেদন না করার জন্য বলা হলো। এ ছাড়া এ সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ইনস্টিটিউট ও বিভাগের শিক্ষাসফরের সময়সূচি না রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

‎এতে আরও বলা হয়, সব অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভাগের চেয়ারম্যান এবং দপ্তরপ্রধানদের বিষয়টি নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন। ছবি: আজকের পত্রিকা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন। ছবি: আজকের পত্রিকা

জবি শিক্ষক সমিতির সংবাদ সম্মেলন

এদিকে, আজ বেলা ৩টার দিকে শিক্ষক সমিতি কার্যালয়ে জকসু নির্বাচন ও সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, ‘৬ জানুয়ারিতে জকসু নির্বাচন হবে। আমাদের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে যতটুকু করণীয় আছে, তাঁর সবটুকু করব ইনশা আল্লাহ। জকসু নির্বাচন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্র সংসদ নির্বাচন। এখানে যেই নির্বাচিত হয়ে আসুক, সেই হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ইতিহাস। সে আমাদেরই প্রতিনিধিত্ব করবে।’

‎লিখিত বক্তব্যে জবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক বলেন, ‘জকসু নির্বাচনের নীতিমালা অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে প্রণীত হয়েছে। মাত্র দেড় মাসের মধ্যে খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করে তা সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করা হয়। পরে সিন্ডিকেটের দুটি কমিটি, ইউজিসির কমিটি এবং সর্বশেষ মন্ত্রণালয়ের কমিটিতে তিনি নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের সঙ্গে কাজ করে আজকের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। অথচ গত ৩০ ডিসেম্বর জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়াকে কেন্দ্র করে কিছু শিক্ষার্থী, কিছু মিডিয়া এবং ফেসবুক পেজ উদ্দেশ্যমূলকভাবে অধ্যাপক রইছ উদ্দীনকে দায়ী করছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক, ন্যক্কারজনক এবং অনভিপ্রেত। শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা এ ধরনের অপপ্রচার ও ঘৃণিত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’

‎লিখিত বক্তব্যে জবি শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. বেলাল হোসাইন বলেন, ‘৩০ ডিসেম্বর উপাচার্য সকাল সাড়ে ৮টায় আহ্বান করা জরুরি সিন্ডিকেট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে জকসু নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত সব সিন্ডিকেট সদস্যই এই সিদ্ধান্তের পক্ষে মত দেন। তবে সভা শেষে উদ্দেশ্যমূলকভাবে শিক্ষক সমিতির সভাপতি রইছ উদ্দীনকে দায়ী করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় তাঁর বিভাগীয় কক্ষে তালা দেওয়া এবং প্রশাসনিক ভবনের সামনে স্লোগান দেওয়া হয়, যা শিক্ষকসমাজের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করেছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত