আজকের পত্রিকা ডেস্ক

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে (ইউএপি) শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ‘সাধারণ শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই’ ব্যানারে পরিচালিত এই আন্দোলনে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ‘ইসলামবিদ্বেষ’ এবং ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার’ অভিযোগ তোলা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকেরা হলেন—বেসিক সায়েন্সেস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক এ এস এম মোহসিন এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীর।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হিজাব ও নেকাবের ‘নিরাপত্তাঝুঁকি’ নিয়ে দেওয়া ওই পোস্টটিকে শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হিসেবে দেখছেন। গত রোববার সেমিস্টার বিরতির পর প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।
চাকরিচ্যুত শিক্ষক লায়েকা বশীর দাবি করেছেন, তিনি হিজাব-নেকাবের নিরাপত্তাঝুঁকির দিকটি তুলে ধরেছিলেন মাত্র, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না। তিনি নিজেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সক্রিয় সমর্থক দাবি করে বলেন, ‘আমাকে অন্যায়ভাবে ইসলামবিদ্বেষী ট্যাগ দেওয়া হয়েছে। আমি এর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের কাছে “মব সন্ত্রাসের” অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছি।’
অন্যদিকে, সহযোগী অধ্যাপক এ এস এম মোহসিন অভিযোগ করেছেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে তাঁকে ‘আওয়ামী দোসর’ তকমা দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি একে একটি ‘উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠীর চাপের কাছে প্রশাসনের নতি স্বীকার’ বলে অভিহিত করেছেন।
তবে ইউএপির উপাচার্য কামরুল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষার্থীদের চাপে নয় বরং প্রশাসনিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, লায়েকা বশীর ব্যক্তিগত মতামত দিতেই পারেন, তবে শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষার্থীদের পোশাককে তাঁর মতামতের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। অন্য শিক্ষকের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কারণ দেখানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয় বলে ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সবার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক’। সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ভিন্ন আদর্শ বা চিন্তার কারণে শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত করার দাবি এবং প্রশাসনের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইতিহাসে এক নিন্দনীয় নজির হয়ে থাকবে। তাঁরা এটিকে শিক্ষকদের বিদ্যায়তনিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকে (ইউএপি) শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ‘সাধারণ শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই’ ব্যানারে পরিচালিত এই আন্দোলনে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ‘ইসলামবিদ্বেষ’ এবং ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততার’ অভিযোগ তোলা হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকেরা হলেন—বেসিক সায়েন্সেস অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক এ এস এম মোহসিন এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীর।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহকারী অধ্যাপক লায়েকা বশীরের একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হিজাব ও নেকাবের ‘নিরাপত্তাঝুঁকি’ নিয়ে দেওয়া ওই পোস্টটিকে শিক্ষার্থীরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হিসেবে দেখছেন। গত রোববার সেমিস্টার বিরতির পর প্রথম দিনেই শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।
চাকরিচ্যুত শিক্ষক লায়েকা বশীর দাবি করেছেন, তিনি হিজাব-নেকাবের নিরাপত্তাঝুঁকির দিকটি তুলে ধরেছিলেন মাত্র, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না। তিনি নিজেকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সক্রিয় সমর্থক দাবি করে বলেন, ‘আমাকে অন্যায়ভাবে ইসলামবিদ্বেষী ট্যাগ দেওয়া হয়েছে। আমি এর বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের কাছে “মব সন্ত্রাসের” অভিযোগ জানিয়ে চিঠি দিয়েছি।’
অন্যদিকে, সহযোগী অধ্যাপক এ এস এম মোহসিন অভিযোগ করেছেন, কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে তাঁকে ‘আওয়ামী দোসর’ তকমা দিয়ে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তিনি একে একটি ‘উগ্র ডানপন্থী গোষ্ঠীর চাপের কাছে প্রশাসনের নতি স্বীকার’ বলে অভিহিত করেছেন।
তবে ইউএপির উপাচার্য কামরুল আহসান গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষার্থীদের চাপে নয় বরং প্রশাসনিক কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, লায়েকা বশীর ব্যক্তিগত মতামত দিতেই পারেন, তবে শ্রেণিকক্ষ ও শিক্ষার্থীদের পোশাককে তাঁর মতামতের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। অন্য শিক্ষকের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কারণ দেখানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব নয় বলে ক্লাস বন্ধ রাখা হয়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সবার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক’। সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ভিন্ন আদর্শ বা চিন্তার কারণে শিক্ষকদের চাকরিচ্যুত করার দাবি এবং প্রশাসনের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ইতিহাসে এক নিন্দনীয় নজির হয়ে থাকবে। তাঁরা এটিকে শিক্ষকদের বিদ্যায়তনিক স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

নগদবিহীন আর্থিক ব্যবস্থার প্রসার ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও জনপ্রিয় করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) লিড ব্যাংক হিসেবে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) দিনব্যাপী ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ’ শীর্ষক এক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্যানোরমা ট্যালেন্ট সেকশনে ‘বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড’ জিতেছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘হোয়াট ইফ’ (What If)। সিনেমাটির নির্মাতা তানহা তাবাসসুম জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
১৭ ঘণ্টা আগে
কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কলেজ ক্যাম্পাসে ‘অধ্যাদেশ মঞ্চ’ স্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং ২২ জানুয়ারি গণজমায়েতের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ওই দিন অধ্যাদেশের অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশ না হলে যমুনা অথবা সচিবালয়ের উদ্দেশে পদযাত্রার কর্মসূচিও থাকবে বলে শিক্ষার্থীরা জানান।
২১ ঘণ্টা আগে
একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে নিজের মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্য একটি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করা এখন আর কেবল শখ নয়; বরং সময়ের দাবি। বিশেষ করে বৈশ্বিক যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হিসেবে ইংরেজি শেখার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
১ দিন আগে