রাহুল শর্মা, ঢাকা

সব মালপত্র (আসবাব) সরবরাহ না পেয়েও ঠিকাদারকে পুরো বিল দিতে কার্পণ্য করা হয়নি। আবার দুটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অনেক বেশি দরে দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ দরদাতাকে। খরচে এমন হাতখোলা মনোভাব দেখা গেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ (ফোসেপ) প্রকল্পে (১ম সংশোধিত)।’
তবে এতে সরকারের ৩০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে। শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) অধীন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, প্রকল্পের মূল কাজ ভবন নির্মাণ ও পদ সৃজনের পরিবর্তে কেনা-কাটায় বেশি মনোযোগ দেখা গেছে। এই কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় একাধিক তদন্ত কমিটিও হয়েছে। দুই দফায় প্রকল্প পরিচালক বদল করা হয়েছে। তবে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পারেনি প্রকল্পটি।
শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকা অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মজিবর রহমান বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মাউশির বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৮ সালের জুলাইয়ে। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৫১১ কোটি ৫১ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয় ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) সংশোধন করে ব্যয় ২ হাজার ৫৫০ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা করা হয় এবং দুই দফায় দুই বছর করে মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। সম্প্রতি প্রকল্পের মেয়াদ আবার বাড়াতে পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দেওয়া হলেও তা নাকচ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে বিভিন্ন কলেজে ১৭৬টি ছয়তলা একাডেমিক ভবন ও ৩৫টি হোস্টেল নির্মাণ এবং কয়েকটি ভবন সংস্কার করা হচ্ছে। এ ছাড়া ২০০টি কলেজে অফিস সরঞ্জাম, কম্পিউটার সামগ্রী, বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি ও আসবাব সরবরাহ এবং ১ হাজার ৯১৪টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কথা। বাজারের চাহিদার আলোকে ১০টি নতুন বিষয় চালু, ৮ হাজার ৬২৫টি বিজ্ঞান শিক্ষকের ও হোস্টেলের কর্মচারীর ৪৫৫টি পদ সৃজনও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।
শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, চারটি কলেজ ও একটি হোস্টেলের জন্য ২ কোটি ৩৫ লাখ ২ হাজার ৪০২ টাকার আসবাব কিনতে দরপত্র আহ্বান করা হয় ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। দরপত্রের শর্তে ৬৫৬টি সিঙ্গেল খাট সরবরাহের কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দেয় ৪১৭টি। বাকি ২৩৯টি খাট না দিলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এসব খাটের মূল্য হিসেবে অতিরিক্ত ৫৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। একইভাবে আরেকটি দরপত্রে মালপত্র সরবরাহ না করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৪৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পিপিআর, ২০০৮ অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতার সঙ্গে চুক্তি না করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে একটি দরপত্রে ৮৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯২ টাকা এবং অন্যটিতে ৩৭ লাখ ৪৬ হাজার ৯০০ টাকা। আসবাব কেনাকাটার একটি কাজকে একাধিক প্যাকেজে ভাগ করে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৯ কোটি ১৭ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩০ টাকা। আর অর্থবছরের শেষ সময়ে কেনাকাটা করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৯ কোটি ১৪ লাখ ১৩ হাজার ২২৭ টাকা।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিপিপির নির্দেশনা অনুযায়ী আইসিটি, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ সামগ্রী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে কেনার কথা। কিন্তু কেনা হয়েছে কোটেশন পদ্ধতিতে। এতে ৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৫ হাজার টাকা অনিয়মিতভাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্রয় কাজে সাধারণ বীমা করপোরেশন থেকে বিমা কভারেজ না খোলায় ৪ লাখ ৩ হাজার ৩৩ টাকা, প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সম্মানী দেওয়ায় দেড় লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
এসব অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গত রোববার ফোসেপ প্রকল্পের কার্যালয়ে গেলে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘আপনি জানেন আমি কে? আপনি যা পারেন লিখে দেন। আমি কোনো বক্তব্য দেব না।’
অভিযোগ তদন্তে কমিটি, তদন্তে দুদকও
প্রকল্পের নথিপত্র ঘেঁটে জানা যায়, এই প্রকল্পে শুরু থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেশি অভিযোগ কেনাকাটায় অনিয়ম নিয়ে। অভিযোগ তদন্তে একাধিক কমিটিও হয়েছে। তবে কোনো কমিটিই প্রতিবেদন দেয়নি। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া একাধিক কর্মকর্তাকে পরে ক্রয় কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ইতিপূর্বে দুই প্রকল্প পরিচালক যথাক্রমে অধ্যাপক নুরুল হুদা এবং ড. খন্দকার মুজাহিদুল ইসলামকে সরিয়ে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) তদন্ত করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর ড. খন্দকার মুজাহিদুল হককে সরিয়ে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয় অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ হোসেনকে। তবে অভিযোগে লাগাম পড়েনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন, অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের বিরাগভাজন হলেই প্রকল্পের অর্থ ও ক্রয় শাখার কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। গত ৬ বছরে ছয়জন গবেষণা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের কেনাকাটাসহ সব নথি সংরক্ষণ করেন হিসাবরক্ষক মো. শাহ আলম শিকদার। প্রকল্পের কেনাকাটার বেশ কিছু নথি গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় গত বছরের ২৪ অক্টোবর রমনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতেই এসব নথি গায়েব করা হয়েছে। দুর্নীতি ও অনিয়মে বাধা হওয়ায় সম্প্রতি উপ-প্রকল্প পরিচালক রওশন আরা বেগমকে অন্যত্র বদলি করানো হয়েছে।
নথি গায়েবের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গত সোমবার শাহ আলম শিকদারকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন ও এসএমএস করে সাড়া পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পের পূর্ত অংশে মনিটরিংয়ের নামে কোটি কোটি টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার বানানোর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রকল্প পরিচালক শরফুদ্দীন মোহাম্মদ আবু ইউসুফ মন্তব্য করতে অপারগতা জানান।
কেনাকাটায় হঠাৎ তাড়াহুড়ো
প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভার তথ্য বলছে, প্রকল্পের ১৭৬টি ছয়তলা একাডেমিক ভবনের মধ্যে ৮৬টি ভবন হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে ৮৬টি ভবনের কাজ চলছে। বাকি ৪টি জায়গা না পাওয়াসহ নানান জটিলতায় স্থগিত রয়েছে। ১৩টি ছাত্রাবাসের মধ্যে ৯টি শেষ হয়েছে, বাকিগুলোর কাজ চলছে। ২২টি ছাত্রীনিবাসের মধ্যে ১৪টি সম্পূর্ণ হয়েছে, বাকিগুলোর কাজ চলছে। ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ হয়েছে ৬টির, মেরামত হয়েছে ৫টি ভবনের।
তবে প্রকল্পের কেনাকাটায় অগ্রগতি বেশি। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ২০০টি ফটোকপিয়ার, ৬০০টি মাইক্রোওভেন-ফ্লাক্স ও ফ্রিজ, ২০০ ক্যামেরা, ১৮২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), ১ লাখ ৬ হাজার ৯২৬টি আসবাব, ১০ হাজার ৫২০টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, ১ হাজার ২০০ সেট ল্যাবরেটরি সরঞ্জামাদি, হোস্টেলের জন্য ১৫ হাজার ৯৩০টি আসবাব, ৪৬টি টেলিভিশন ও ডিপ ফ্রিজ, হোস্টেলের জন্য ৮ হাজার ৫৫০টি আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৬টি এসি, ৯৯ হাজার ৯৯৫টি আসবাব, ১৩ হাজার ২৮৬টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, হোস্টেলের জন্য ৪ হাজার ২০টি আসবাব, হোস্টেলের জন্য ২৪টি টেলিভিশন ও ডিপ ফ্রিজ, হোস্টেলের জন্য ৪ হাজার ৪৬১টি আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে। লিফট ও জেনারেটর কেনাও প্রায় অর্ধেক শেষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, শুরু থেকে এই প্রকল্পের মূল কাজ অর্থাৎ বিজ্ঞান শিক্ষকের পদ সৃজন, নতুন ১০ বিষয় চালু, ভবন নির্মাণে জোর দেওয়া হয়নি। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের বেশি মনোযোগ কেনাকাটায়। এসব কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। বর্তমান প্রকল্প পরিচালকের চাকরির মেয়াদ আছে মাত্র ১ মাস।
প্রকল্প নিয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ওপর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রকল্পে যারা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না হয়।

সব মালপত্র (আসবাব) সরবরাহ না পেয়েও ঠিকাদারকে পুরো বিল দিতে কার্পণ্য করা হয়নি। আবার দুটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অনেক বেশি দরে দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ দরদাতাকে। খরচে এমন হাতখোলা মনোভাব দেখা গেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি কলেজসমূহে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ (ফোসেপ) প্রকল্পে (১ম সংশোধিত)।’
তবে এতে সরকারের ৩০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে। শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) অধীন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, প্রকল্পের মূল কাজ ভবন নির্মাণ ও পদ সৃজনের পরিবর্তে কেনা-কাটায় বেশি মনোযোগ দেখা গেছে। এই কেনাকাটায় অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় একাধিক তদন্ত কমিটিও হয়েছে। দুই দফায় প্রকল্প পরিচালক বদল করা হয়েছে। তবে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পারেনি প্রকল্পটি।
শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকা অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মজিবর রহমান বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মাউশির বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৮ সালের জুলাইয়ে। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ২ হাজার ৫১১ কোটি ৫১ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয় ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) সংশোধন করে ব্যয় ২ হাজার ৫৫০ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা করা হয় এবং দুই দফায় দুই বছর করে মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। সম্প্রতি প্রকল্পের মেয়াদ আবার বাড়াতে পরিকল্পনা কমিশনে চিঠি দেওয়া হলেও তা নাকচ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে বিভিন্ন কলেজে ১৭৬টি ছয়তলা একাডেমিক ভবন ও ৩৫টি হোস্টেল নির্মাণ এবং কয়েকটি ভবন সংস্কার করা হচ্ছে। এ ছাড়া ২০০টি কলেজে অফিস সরঞ্জাম, কম্পিউটার সামগ্রী, বিজ্ঞানের যন্ত্রপাতি ও আসবাব সরবরাহ এবং ১ হাজার ৯১৪টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কথা। বাজারের চাহিদার আলোকে ১০টি নতুন বিষয় চালু, ৮ হাজার ৬২৫টি বিজ্ঞান শিক্ষকের ও হোস্টেলের কর্মচারীর ৪৫৫টি পদ সৃজনও এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত।
শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, চারটি কলেজ ও একটি হোস্টেলের জন্য ২ কোটি ৩৫ লাখ ২ হাজার ৪০২ টাকার আসবাব কিনতে দরপত্র আহ্বান করা হয় ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। দরপত্রের শর্তে ৬৫৬টি সিঙ্গেল খাট সরবরাহের কথা থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দেয় ৪১৭টি। বাকি ২৩৯টি খাট না দিলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে এসব খাটের মূল্য হিসেবে অতিরিক্ত ৫৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। একইভাবে আরেকটি দরপত্রে মালপত্র সরবরাহ না করলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৪৮ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টাকার বিল পরিশোধ করা হয়েছে।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পিপিআর, ২০০৮ অনুযায়ী সর্বনিম্ন দরদাতার সঙ্গে চুক্তি না করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে একটি দরপত্রে ৮৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯২ টাকা এবং অন্যটিতে ৩৭ লাখ ৪৬ হাজার ৯০০ টাকা। আসবাব কেনাকাটার একটি কাজকে একাধিক প্যাকেজে ভাগ করে দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৯ কোটি ১৭ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩০ টাকা। আর অর্থবছরের শেষ সময়ে কেনাকাটা করায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৯ কোটি ১৪ লাখ ১৩ হাজার ২২৭ টাকা।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিপিপির নির্দেশনা অনুযায়ী আইসিটি, কম্পিউটার ও ল্যাপটপ সামগ্রী উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে কেনার কথা। কিন্তু কেনা হয়েছে কোটেশন পদ্ধতিতে। এতে ৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৫ হাজার টাকা অনিয়মিতভাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্রয় কাজে সাধারণ বীমা করপোরেশন থেকে বিমা কভারেজ না খোলায় ৪ লাখ ৩ হাজার ৩৩ টাকা, প্রাপ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সম্মানী দেওয়ায় দেড় লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
এসব অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গত রোববার ফোসেপ প্রকল্পের কার্যালয়ে গেলে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘আপনি জানেন আমি কে? আপনি যা পারেন লিখে দেন। আমি কোনো বক্তব্য দেব না।’
অভিযোগ তদন্তে কমিটি, তদন্তে দুদকও
প্রকল্পের নথিপত্র ঘেঁটে জানা যায়, এই প্রকল্পে শুরু থেকে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বেশি অভিযোগ কেনাকাটায় অনিয়ম নিয়ে। অভিযোগ তদন্তে একাধিক কমিটিও হয়েছে। তবে কোনো কমিটিই প্রতিবেদন দেয়নি। তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া একাধিক কর্মকর্তাকে পরে ক্রয় কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে। প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় ইতিপূর্বে দুই প্রকল্প পরিচালক যথাক্রমে অধ্যাপক নুরুল হুদা এবং ড. খন্দকার মুজাহিদুল ইসলামকে সরিয়ে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) তদন্ত করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর ড. খন্দকার মুজাহিদুল হককে সরিয়ে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয় অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ হোসেনকে। তবে অভিযোগে লাগাম পড়েনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন, অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তাদের বিরাগভাজন হলেই প্রকল্পের অর্থ ও ক্রয় শাখার কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। গত ৬ বছরে ছয়জন গবেষণা কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।
এই প্রকল্পের কেনাকাটাসহ সব নথি সংরক্ষণ করেন হিসাবরক্ষক মো. শাহ আলম শিকদার। প্রকল্পের কেনাকাটার বেশ কিছু নথি গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় গত বছরের ২৪ অক্টোবর রমনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতেই এসব নথি গায়েব করা হয়েছে। দুর্নীতি ও অনিয়মে বাধা হওয়ায় সম্প্রতি উপ-প্রকল্প পরিচালক রওশন আরা বেগমকে অন্যত্র বদলি করানো হয়েছে।
নথি গায়েবের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গত সোমবার শাহ আলম শিকদারকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন ও এসএমএস করে সাড়া পাওয়া যায়নি।
প্রকল্পের পূর্ত অংশে মনিটরিংয়ের নামে কোটি কোটি টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার বানানোর অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রকল্প পরিচালক শরফুদ্দীন মোহাম্মদ আবু ইউসুফ মন্তব্য করতে অপারগতা জানান।
কেনাকাটায় হঠাৎ তাড়াহুড়ো
প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা সভার তথ্য বলছে, প্রকল্পের ১৭৬টি ছয়তলা একাডেমিক ভবনের মধ্যে ৮৬টি ভবন হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকিগুলোর মধ্যে ৮৬টি ভবনের কাজ চলছে। বাকি ৪টি জায়গা না পাওয়াসহ নানান জটিলতায় স্থগিত রয়েছে। ১৩টি ছাত্রাবাসের মধ্যে ৯টি শেষ হয়েছে, বাকিগুলোর কাজ চলছে। ২২টি ছাত্রীনিবাসের মধ্যে ১৪টি সম্পূর্ণ হয়েছে, বাকিগুলোর কাজ চলছে। ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ হয়েছে ৬টির, মেরামত হয়েছে ৫টি ভবনের।
তবে প্রকল্পের কেনাকাটায় অগ্রগতি বেশি। প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যে ২০০টি ফটোকপিয়ার, ৬০০টি মাইক্রোওভেন-ফ্লাক্স ও ফ্রিজ, ২০০ ক্যামেরা, ১৮২টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), ১ লাখ ৬ হাজার ৯২৬টি আসবাব, ১০ হাজার ৫২০টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, ১ হাজার ২০০ সেট ল্যাবরেটরি সরঞ্জামাদি, হোস্টেলের জন্য ১৫ হাজার ৯৩০টি আসবাব, ৪৬টি টেলিভিশন ও ডিপ ফ্রিজ, হোস্টেলের জন্য ৮ হাজার ৫৫০টি আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া ২৬টি এসি, ৯৯ হাজার ৯৯৫টি আসবাব, ১৩ হাজার ২৮৬টি কম্পিউটার ও আনুষঙ্গিক, হোস্টেলের জন্য ৪ হাজার ২০টি আসবাব, হোস্টেলের জন্য ২৪টি টেলিভিশন ও ডিপ ফ্রিজ, হোস্টেলের জন্য ৪ হাজার ৪৬১টি আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছে। লিফট ও জেনারেটর কেনাও প্রায় অর্ধেক শেষ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাউশির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, শুরু থেকে এই প্রকল্পের মূল কাজ অর্থাৎ বিজ্ঞান শিক্ষকের পদ সৃজন, নতুন ১০ বিষয় চালু, ভবন নির্মাণে জোর দেওয়া হয়নি। প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের বেশি মনোযোগ কেনাকাটায়। এসব কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। বর্তমান প্রকল্প পরিচালকের চাকরির মেয়াদ আছে মাত্র ১ মাস।
প্রকল্প নিয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ওপর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রকল্পে যারা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। এদিন (১৩ ডিসেম্বর) ’ই’ ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনী তফসিলের (সংশোধিত) ক্রম ১২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলো। তবে প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান থাকায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৬ শিক্ষক। এর মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক থেকে ৯৯৫ জন অধ্যাপক হয়েছেন। আর সহকারী অধ্যাপক থেকে ১ হাজার ৭১১ জন হয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর ভর্তিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে।
১৬ ঘণ্টা আগেজবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। এদিন (১৩ ডিসেম্বর) ’ই’ ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা।
এবার ‘ই’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ১ হাজার ২৫১ জন। পরীক্ষা হবে ৪৫ নম্বরের ব্যবহারিক ও ২৭ নম্বর থাকবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নে। পরীক্ষায় মোট দেড় ঘণ্টা সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহা. আলপ্তগীন বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ২৫১ জন প্রার্থী অংশ নেবেন। পরীক্ষা শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অন্য কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার্থীদের সুবিধা ও নিরাপত্তার পূর্ণ ব্যবস্থা করেছে, যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা বা বিভ্রান্তি না হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল ‘ই’ ইউনিটের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া এবার ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডি ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ৯ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। কলা ও আইন অনুষদভুক্ত বি ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ৩০ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, ২০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তি আবেদন নেওয়া হয়। বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত এই ইউনিটে আবেদন জমা পড়ে মোট ৭২ হাজার ৪৬৩টি; কলা ও আইন অনুষদভুক্ত বি ইউনিটের পরীক্ষায় আবেদন জমা পড়ে মোট ৭৯ হাজার ৭৯৬টি; ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত সি ইউনিটের পরীক্ষায় ২০ হাজার ৬৮৪ জন; সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডি ইউনিটের পরীক্ষায় ২৫ হাজার ৮২০ জন; চারুকলা অনুষদভুক্ত ই ইউনিটের পরীক্ষায় ১ হাজার ২৫১ জন আবেদন করেন। মোট আবেদন করেছেন ২ লাখ ১৪ জন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। এদিন (১৩ ডিসেম্বর) ’ই’ ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা।
এবার ‘ই’ ইউনিটে মোট পরীক্ষার্থী ১ হাজার ২৫১ জন। পরীক্ষা হবে ৪৫ নম্বরের ব্যবহারিক ও ২৭ নম্বর থাকবে বহুনির্বাচনী প্রশ্নে। পরীক্ষায় মোট দেড় ঘণ্টা সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহা. আলপ্তগীন বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ১ হাজার ২৫১ জন প্রার্থী অংশ নেবেন। পরীক্ষা শহীদ সাজিদ একাডেমিক ভবনে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অন্য কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার্থীদের সুবিধা ও নিরাপত্তার পূর্ণ ব্যবস্থা করেছে, যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা বা বিভ্রান্তি না হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল ‘ই’ ইউনিটের মাধ্যমে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। তিনি আরও জানান, পরীক্ষা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা এরই মধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
এ ছাড়া এবার ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ২৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডি ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ৯ জানুয়ারি বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। কলা ও আইন অনুষদভুক্ত বি ইউনিটের পরীক্ষা আগামী ৩০ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, ২০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে ভর্তি আবেদন নেওয়া হয়। বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত এই ইউনিটে আবেদন জমা পড়ে মোট ৭২ হাজার ৪৬৩টি; কলা ও আইন অনুষদভুক্ত বি ইউনিটের পরীক্ষায় আবেদন জমা পড়ে মোট ৭৯ হাজার ৭৯৬টি; ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত সি ইউনিটের পরীক্ষায় ২০ হাজার ৬৮৪ জন; সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ডি ইউনিটের পরীক্ষায় ২৫ হাজার ৮২০ জন; চারুকলা অনুষদভুক্ত ই ইউনিটের পরীক্ষায় ১ হাজার ২৫১ জন আবেদন করেন। মোট আবেদন করেছেন ২ লাখ ১৪ জন।

সব মালপত্র (আসবাব) সরবরাহ না পেয়েও ঠিকাদারকে পুরো বিল দিতে কার্পণ্য করা হয়নি। আবার দুটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অনেক বেশি দরে দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ দরদাতাকে। খরচে এমন হাতখোলা মনোভাব দেখা গেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি কলেজসমূহে...
১০ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনী তফসিলের (সংশোধিত) ক্রম ১২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলো। তবে প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান থাকায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৬ শিক্ষক। এর মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক থেকে ৯৯৫ জন অধ্যাপক হয়েছেন। আর সহকারী অধ্যাপক থেকে ১ হাজার ৭১১ জন হয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর ভর্তিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে।
১৬ ঘণ্টা আগেজবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে ৩৪ পদে ১৮৯ জনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জকসুর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ২১ পদে ১৫৬ এবং নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ছাত্রী হল সংসদের ১৩ পদে ৩৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক তালিকা থেকে ৪২ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ এবং হল সংসদের ৪ জন রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনী তফসিলের (সংশোধিত) ক্রম ১২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলো। তবে প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান থাকায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে তাঁদের প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে, রাত দেড়টায় ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, জকসুর কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে ভিপি (সহসভাপতি) পদে ১৩, জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ৯ ও এজিএস (সহসাধারণ সম্পাদক) পদে ৭ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র পদে ৪, শিক্ষা ও গবেষণা পদে ৯, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৫, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৫, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৪, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ৮, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৭, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৭, পরিবহন সম্পাদক পদে ৪, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে ১০, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ৭ এবং সদস্য পদে ৫৭ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ছাত্রী হলে ১৩ পদের মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৩, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৩, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ২, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৪, পাঠাগার সম্পাদক পদে ২, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদক পদে ৩, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদকে ৪ এবং ৪টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮ জন প্রার্থীর প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়।
সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ৯ ও ১০ ডিসেম্বর প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট সম্পন্ন হয়। ১১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ১৪ ডিসেম্বর প্রত্যাহার করা তালিকা প্রকাশ, ১৪ থেকে ২৭ ডিসেম্বর প্রচার, ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ ও ভোট গণনা এবং ৩০ বা ৩১ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে ৩৪ পদে ১৮৯ জনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জকসুর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ২১ পদে ১৫৬ এবং নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী ছাত্রী হল সংসদের ১৩ পদে ৩৩ প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়। প্রাথমিক তালিকা থেকে ৪২ জনকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ৩৮ এবং হল সংসদের ৪ জন রয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনী তফসিলের (সংশোধিত) ক্রম ১২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলো। তবে প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান থাকায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে তাঁদের প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে, রাত দেড়টায় ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, জকসুর কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদে ভিপি (সহসভাপতি) পদে ১৩, জিএস (সাধারণ সম্পাদক) পদে ৯ ও এজিএস (সহসাধারণ সম্পাদক) পদে ৭ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়।
এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র পদে ৪, শিক্ষা ও গবেষণা পদে ৯, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে ৫, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক পদে ৫, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক পদে ৪, আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদে ৮, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৭, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ৭, পরিবহন সম্পাদক পদে ৪, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক পদে ১০, পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক পদে ৭ এবং সদস্য পদে ৫৭ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
ছাত্রী হলে ১৩ পদের মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৩, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৩, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ২, সংস্কৃতি সম্পাদক পদে ৪, পাঠাগার সম্পাদক পদে ২, ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২, সমাজসেবা ও শিক্ষার্থীকল্যাণ সম্পাদক পদে ৩, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদকে ৪ এবং ৪টি সদস্য পদের বিপরীতে ৮ জন প্রার্থীর প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়।
সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ৯ ও ১০ ডিসেম্বর প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট সম্পন্ন হয়। ১১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার, ১৪ ডিসেম্বর প্রত্যাহার করা তালিকা প্রকাশ, ১৪ থেকে ২৭ ডিসেম্বর প্রচার, ৩০ ডিসেম্বর ভোট গ্রহণ ও ভোট গণনা এবং ৩০ বা ৩১ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।

সব মালপত্র (আসবাব) সরবরাহ না পেয়েও ঠিকাদারকে পুরো বিল দিতে কার্পণ্য করা হয়নি। আবার দুটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অনেক বেশি দরে দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ দরদাতাকে। খরচে এমন হাতখোলা মনোভাব দেখা গেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি কলেজসমূহে...
১০ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। এদিন (১৩ ডিসেম্বর) ’ই’ ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৬ শিক্ষক। এর মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক থেকে ৯৯৫ জন অধ্যাপক হয়েছেন। আর সহকারী অধ্যাপক থেকে ১ হাজার ৭১১ জন হয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর ভর্তিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে।
১৬ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৬ শিক্ষক। এর মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক থেকে ৯৯৫ জন অধ্যাপক হয়েছেন। আর সহকারী অধ্যাপক থেকে ১ হাজার ৭১১ জন হয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনের বলা হয়েছে, নতুন অধ্যাপকেরা চতুর্থ গ্রেডে ও সহযোগী অধ্যাপকেরা পঞ্চম গ্রেডে বেতন পাবেন। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে আগের পদের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।
এর আগে, গত ২০ নভেম্বর একসঙ্গে ১ হাজার ৮৭০ প্রভাষককে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। এর মধ্যে দিয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো। অর্থাৎ শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য তিনটি স্তরেই পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৬ শিক্ষক। এর মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক থেকে ৯৯৫ জন অধ্যাপক হয়েছেন। আর সহকারী অধ্যাপক থেকে ১ হাজার ৭১১ জন হয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনের বলা হয়েছে, নতুন অধ্যাপকেরা চতুর্থ গ্রেডে ও সহযোগী অধ্যাপকেরা পঞ্চম গ্রেডে বেতন পাবেন। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে আগের পদের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে।
এর আগে, গত ২০ নভেম্বর একসঙ্গে ১ হাজার ৮৭০ প্রভাষককে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। এর মধ্যে দিয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো। অর্থাৎ শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতিযোগ্য তিনটি স্তরেই পদোন্নতি দেওয়া হলো।

সব মালপত্র (আসবাব) সরবরাহ না পেয়েও ঠিকাদারকে পুরো বিল দিতে কার্পণ্য করা হয়নি। আবার দুটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অনেক বেশি দরে দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ দরদাতাকে। খরচে এমন হাতখোলা মনোভাব দেখা গেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি কলেজসমূহে...
১০ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। এদিন (১৩ ডিসেম্বর) ’ই’ ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনী তফসিলের (সংশোধিত) ক্রম ১২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলো। তবে প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান থাকায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর ভর্তিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে।
১৬ ঘণ্টা আগেশিক্ষা ডেস্ক

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর ভর্তিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে। তবে সেকেন্ড টাইমের প্রার্থীদের ৪ নম্বর কাটা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘এ-১’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের আবেদন ফি ১ হাজার ২৫০, ‘এ-২’ (আর্কিটেকচার) ফি ১ হাজার ৪০০ এবং ‘বি’ (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) ইউনিটের আবেদন ফি ১ হাজার ২০০ টাকা।
২০২৪ অথবা ২০২৫ সালের এইচএসসি (সাধারণ বা কারিগরি) বা আলিম বা ডিপ্লোমা ইন কমার্স বা সমমান, ২০২২ অথবা ২০২৩ সালের এসএসসি (সাধারণ বা কারিগরি) বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া শেষে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা, ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা ১৪ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের আবেদন করার নিয়ম, বিস্তারিত তথ্য, আবেদন ফি ও জমা দেওয়ার পদ্ধতি ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের ভর্তি নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে।

২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শুরু হওয়া এ প্রক্রিয়া চলবে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর ভর্তিতে ‘সেকেন্ড টাইম’ পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে। তবে সেকেন্ড টাইমের প্রার্থীদের ৪ নম্বর কাটা যাবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘এ-১’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের আবেদন ফি ১ হাজার ২৫০, ‘এ-২’ (আর্কিটেকচার) ফি ১ হাজার ৪০০ এবং ‘বি’ (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) ইউনিটের আবেদন ফি ১ হাজার ২০০ টাকা।
২০২৪ অথবা ২০২৫ সালের এইচএসসি (সাধারণ বা কারিগরি) বা আলিম বা ডিপ্লোমা ইন কমার্স বা সমমান, ২০২২ অথবা ২০২৩ সালের এসএসসি (সাধারণ বা কারিগরি) বা দাখিল বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
আবেদনের প্রক্রিয়া শেষে ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১৩ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা, ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা ১৪ জানুয়ারি বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের আবেদন করার নিয়ম, বিস্তারিত তথ্য, আবেদন ফি ও জমা দেওয়ার পদ্ধতি ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের ভর্তি নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে।

সব মালপত্র (আসবাব) সরবরাহ না পেয়েও ঠিকাদারকে পুরো বিল দিতে কার্পণ্য করা হয়নি। আবার দুটি ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দিয়ে অনেক বেশি দরে দেওয়া হয়েছে তৃতীয় ও চতুর্থ দরদাতাকে। খরচে এমন হাতখোলা মনোভাব দেখা গেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘সরকারি কলেজসমূহে...
১০ দিন আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার। এদিন (১৩ ডিসেম্বর) ’ই’ ইউনিটের (চারুকলা অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হবে এই পরীক্ষা।
৬ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জকসু নির্বাচনী তফসিলের (সংশোধিত) ক্রম ১২ অনুযায়ী কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হলো। তবে প্রাথমিক তালিকায় নাম থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত চলমান থাকায় তাঁদের নাম চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে বড় পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৬ শিক্ষক। এর মধ্যে সহযোগী অধ্যাপক থেকে ৯৯৫ জন অধ্যাপক হয়েছেন। আর সহকারী অধ্যাপক থেকে ১ হাজার ৭১১ জন হয়েছেন সহযোগী অধ্যাপক।
১৩ ঘণ্টা আগে