সামিন রহমান

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য কতটা প্রস্তুত, তা যাচাই হয় স্যাট টেস্টের মাধ্যমে। SAT-এর পূর্ণরূপ হলো Scholastic Aptitude Test। যুক্তরাষ্ট্রে বা কানাডার বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় বাধ্যতামূলকভাবে আবেদনপত্রের সঙ্গে স্যাট স্কোর জমা দিতে হয়। ক্রিটিক্যাল রিডিং, গণিত ও রাইটিং—এ তিনটি অংশে স্যাটকে ভাগ করা হয়েছে। স্যাটের গণিত অংশ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেছেন সামিন রহমান।
প্রশ্নের ধরন
স্যাটের গণিত অংশে ৮০ মিনিটের মধ্যে আপনাকে ৫৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এই ৫৮টি প্রশ্ন আবার দুই ভাগে বিভক্ত। আর তা হলো ক্যালকুলেটর ইউজ সেকশন এবং নন-ক্যালকুলেটর ইউজ সেকশন। এই দুই সেকশনের ওপর ভিত্তি করেই ম্যাথের মোট নম্বর দেওয়া হয়। যার রেঞ্জ সাধারণত ২০০-৮০০ নম্বর হয়ে থাকে।
যদিও গণিত অংশের বেশির ভাগ প্রশ্ন বহুনির্বাচনিমূলক প্রশ্নোত্তর হয়ে থাকে, তবে এর পাশাপাশি কিছু গ্রিড-ইন প্রশ্নও আসে। এর সংখ্যা সাধারণত ১০টি হয়ে থাকে। গ্রিড-ইন প্রশ্ন থাকবে। গ্রিড-ইন বলতে খাতায় উত্তর লেখার নির্দিষ্ট জায়গা থাকবে বোঝানো হচ্ছে। ওখানে উত্তর লিখতে হবে।
স্যাটের গণিত অংশে মূলত চারটি জায়গা থেকে প্রশ্ন আসে: বীজগণিত, প্রবলেম সলভিং, ডেটা অ্যানালাইসিস ও অ্যাডভান্সড ম্যাথ। এর পাশাপাশি জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি ও জটিল সংখ্যা থেকেও প্রশ্ন করা হয়।
নো ক্যালকুলেটর সেকশন
এই অংশে আপনাকে ক্যালকুলেটর ছাড়াই ২৫ মিনিটে ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে ১৫টি বহুনির্বাচনিমূলক ও ৫টি গ্রিড-ইন প্রশ্ন। এখানে প্রবলেম সলভিং ও ডেটা অ্যানালাইসিস বাদে বাকি সব জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হবে।
ক্যালকুলেটর সেকশন
এখানে আপনি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। এই সেকশনে আপনাকে ৫৫ মিনিটের মধ্যে ৩৮টি প্রশ্নের সমাধান করতে হবে। এর মধ্যে ৩০টি বহুনির্বাচনিমূলক ও ৮টি গ্রিড-ইন প্রশ্ন। ৩০টি বহুনির্বাচনিমূলক প্রশ্নের সমাধান করে সঠিক উত্তরটি বাছাই করতে হবে। এর মধ্যে অনেক প্রশ্নের জন্য আলাদাভাবে ডেটা দেওয়া থাকবে। যেখান থেকে তথ্য নিয়ে ম্যাথ সমাধান করতে হবে। আপনি সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর এবং গ্রাফিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। তবে মোবাইল ফোনের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। এখানে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে হয় মানে এই না যে সব প্রশ্নই কঠিন আসে। কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর ক্যালকুলেটর ছাড়াই বের করা যায়।
প্রস্তুতি
একদম নতুনদের জন্য স্যাট খুব কঠিনও আবার বেশ সহজও বটে। সহজ, কারণ এর সিলেবাস মোটামুটি খুবই সোজা। খুব সহজেই আপনি শিখতে পারবেন। এই যেমন বৃত্ত, সরলরেখা, পরিসংখ্যান, সম্ভাবনা, বীজগণিত ইত্যাদি। আর যেগুলো একটু কঠিন, সেগুলো অনুশীলনের মাধ্যমেই শিখে নিতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা হলো সিলেবাস সহজ হলেও প্রশ্নগুলো বেশ জটিল। স্যাট আপনাকে কঠিন কোনো সিলেবাস ধরিয়ে দেবে না। তারা সহজ টপিকের মাধ্যমেই আপনাকে জটিল প্রশ্নের সমাধান করতে দেবে। তাই প্রশ্ন খুব মনোযোগ দিয়ে বেশ কয়েকবার পড়তে হবে। না হলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। এ জন্য বেশির ভাগ মানুষ বলে প্রশ্ন সহজ হয়েছে, কিন্তু পরে দেখা যায় অনেক ভুল করেছে এবং নম্বর কাটা যাচ্ছে। তাই প্রশ্ন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। দেখুন প্রশ্নে কী চাচ্ছে। স্যাটের মাধ্যমে আপনার এই মনোযোগটাই করা হয়। স্যাটের জন্য বেশির ভাগ মানুষ ঘরে বসেই প্রস্তুতি নেয়। আপনি যদি কোচিং বা বাসায় টিচার রেখেও পড়েন, এরপরও নিজে নিজেই পড়তে হবে। স্যাটের জন্য অনলাইনে অসংখ্য ফ্রি রিসোর্স আছে। আর কলেজ পান্ডাস স্যাট বুক গণিত অংশের জন্য সমাধান করতে পারেন। আর ক্লাস করার জন্য খান একাডেমির কোর্স ফলো করতে পারেন। স্যাটের জন্য কেউ দুই দিনে প্রস্তুতি নিতে পারে না। এইচএসসির জন্য যেমন দুই বছর প্রস্তুতি নিতে হয়, তেমনি স্যাটের জন্যও দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়। এটা আমার জীবনের সব থেকে কঠিন একটা পরীক্ষা ছিল। এর জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতেই হবে। আপনার মনে হতে পারে, ‘এত প্রশ্ন, এত কম সময়। কীভাবে সমাধান করব?’ প্রথম প্রথম কঠিন লাগলেও পরে আপনি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। সময় বণ্টন খুব জরুরি একটা স্কিল।
পরীক্ষার হলে করণীয়
পরীক্ষার কেন্দ্রে মাথা ঠান্ডা রেখে নিজের সেরাটা দিলে কেউ আপনাকে ভালো স্কোর পাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। স্যাট পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে বরাবরই কঠিন গার্ড দেয়। ভয় লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও নিজেকে বোঝাতে হবে যে নার্ভাসবোধ করাটা স্বাভাবিক। বড় একটা
শ্বাস নিয়ে পরীক্ষা শুরু করুন, সব ঠিক হয়ে যাবে!
সামিন রহমান, স্যাটে ১৫৫০ স্কোরধারী, শিক্ষার্থী, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাস, যুক্তরাষ্ট্র।
অনুলিখন: মুসাররাত আবির

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য কতটা প্রস্তুত, তা যাচাই হয় স্যাট টেস্টের মাধ্যমে। SAT-এর পূর্ণরূপ হলো Scholastic Aptitude Test। যুক্তরাষ্ট্রে বা কানাডার বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় বাধ্যতামূলকভাবে আবেদনপত্রের সঙ্গে স্যাট স্কোর জমা দিতে হয়। ক্রিটিক্যাল রিডিং, গণিত ও রাইটিং—এ তিনটি অংশে স্যাটকে ভাগ করা হয়েছে। স্যাটের গণিত অংশ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেছেন সামিন রহমান।
প্রশ্নের ধরন
স্যাটের গণিত অংশে ৮০ মিনিটের মধ্যে আপনাকে ৫৮টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এই ৫৮টি প্রশ্ন আবার দুই ভাগে বিভক্ত। আর তা হলো ক্যালকুলেটর ইউজ সেকশন এবং নন-ক্যালকুলেটর ইউজ সেকশন। এই দুই সেকশনের ওপর ভিত্তি করেই ম্যাথের মোট নম্বর দেওয়া হয়। যার রেঞ্জ সাধারণত ২০০-৮০০ নম্বর হয়ে থাকে।
যদিও গণিত অংশের বেশির ভাগ প্রশ্ন বহুনির্বাচনিমূলক প্রশ্নোত্তর হয়ে থাকে, তবে এর পাশাপাশি কিছু গ্রিড-ইন প্রশ্নও আসে। এর সংখ্যা সাধারণত ১০টি হয়ে থাকে। গ্রিড-ইন প্রশ্ন থাকবে। গ্রিড-ইন বলতে খাতায় উত্তর লেখার নির্দিষ্ট জায়গা থাকবে বোঝানো হচ্ছে। ওখানে উত্তর লিখতে হবে।
স্যাটের গণিত অংশে মূলত চারটি জায়গা থেকে প্রশ্ন আসে: বীজগণিত, প্রবলেম সলভিং, ডেটা অ্যানালাইসিস ও অ্যাডভান্সড ম্যাথ। এর পাশাপাশি জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি ও জটিল সংখ্যা থেকেও প্রশ্ন করা হয়।
নো ক্যালকুলেটর সেকশন
এই অংশে আপনাকে ক্যালকুলেটর ছাড়াই ২৫ মিনিটে ২০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এর মধ্যে ১৫টি বহুনির্বাচনিমূলক ও ৫টি গ্রিড-ইন প্রশ্ন। এখানে প্রবলেম সলভিং ও ডেটা অ্যানালাইসিস বাদে বাকি সব জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হবে।
ক্যালকুলেটর সেকশন
এখানে আপনি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। এই সেকশনে আপনাকে ৫৫ মিনিটের মধ্যে ৩৮টি প্রশ্নের সমাধান করতে হবে। এর মধ্যে ৩০টি বহুনির্বাচনিমূলক ও ৮টি গ্রিড-ইন প্রশ্ন। ৩০টি বহুনির্বাচনিমূলক প্রশ্নের সমাধান করে সঠিক উত্তরটি বাছাই করতে হবে। এর মধ্যে অনেক প্রশ্নের জন্য আলাদাভাবে ডেটা দেওয়া থাকবে। যেখান থেকে তথ্য নিয়ে ম্যাথ সমাধান করতে হবে। আপনি সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর এবং গ্রাফিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। তবে মোবাইল ফোনের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না। এখানে ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে হয় মানে এই না যে সব প্রশ্নই কঠিন আসে। কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর ক্যালকুলেটর ছাড়াই বের করা যায়।
প্রস্তুতি
একদম নতুনদের জন্য স্যাট খুব কঠিনও আবার বেশ সহজও বটে। সহজ, কারণ এর সিলেবাস মোটামুটি খুবই সোজা। খুব সহজেই আপনি শিখতে পারবেন। এই যেমন বৃত্ত, সরলরেখা, পরিসংখ্যান, সম্ভাবনা, বীজগণিত ইত্যাদি। আর যেগুলো একটু কঠিন, সেগুলো অনুশীলনের মাধ্যমেই শিখে নিতে পারবেন। কিন্তু সমস্যা হলো সিলেবাস সহজ হলেও প্রশ্নগুলো বেশ জটিল। স্যাট আপনাকে কঠিন কোনো সিলেবাস ধরিয়ে দেবে না। তারা সহজ টপিকের মাধ্যমেই আপনাকে জটিল প্রশ্নের সমাধান করতে দেবে। তাই প্রশ্ন খুব মনোযোগ দিয়ে বেশ কয়েকবার পড়তে হবে। না হলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। এ জন্য বেশির ভাগ মানুষ বলে প্রশ্ন সহজ হয়েছে, কিন্তু পরে দেখা যায় অনেক ভুল করেছে এবং নম্বর কাটা যাচ্ছে। তাই প্রশ্ন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। দেখুন প্রশ্নে কী চাচ্ছে। স্যাটের মাধ্যমে আপনার এই মনোযোগটাই করা হয়। স্যাটের জন্য বেশির ভাগ মানুষ ঘরে বসেই প্রস্তুতি নেয়। আপনি যদি কোচিং বা বাসায় টিচার রেখেও পড়েন, এরপরও নিজে নিজেই পড়তে হবে। স্যাটের জন্য অনলাইনে অসংখ্য ফ্রি রিসোর্স আছে। আর কলেজ পান্ডাস স্যাট বুক গণিত অংশের জন্য সমাধান করতে পারেন। আর ক্লাস করার জন্য খান একাডেমির কোর্স ফলো করতে পারেন। স্যাটের জন্য কেউ দুই দিনে প্রস্তুতি নিতে পারে না। এইচএসসির জন্য যেমন দুই বছর প্রস্তুতি নিতে হয়, তেমনি স্যাটের জন্যও দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিতে হয়। এটা আমার জীবনের সব থেকে কঠিন একটা পরীক্ষা ছিল। এর জন্য আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতেই হবে। আপনার মনে হতে পারে, ‘এত প্রশ্ন, এত কম সময়। কীভাবে সমাধান করব?’ প্রথম প্রথম কঠিন লাগলেও পরে আপনি অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। সময় বণ্টন খুব জরুরি একটা স্কিল।
পরীক্ষার হলে করণীয়
পরীক্ষার কেন্দ্রে মাথা ঠান্ডা রেখে নিজের সেরাটা দিলে কেউ আপনাকে ভালো স্কোর পাওয়া থেকে আটকাতে পারবে না। স্যাট পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে বরাবরই কঠিন গার্ড দেয়। ভয় লাগাটা স্বাভাবিক। কিন্তু এরপরও নিজেকে বোঝাতে হবে যে নার্ভাসবোধ করাটা স্বাভাবিক। বড় একটা
শ্বাস নিয়ে পরীক্ষা শুরু করুন, সব ঠিক হয়ে যাবে!
সামিন রহমান, স্যাটে ১৫৫০ স্কোরধারী, শিক্ষার্থী, ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট ডালাস, যুক্তরাষ্ট্র।
অনুলিখন: মুসাররাত আবির

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) আজকের পত্রিকা পাঠকবন্ধু শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
বিসিইউর একটি প্রতিনিধিদল এআইইউবি পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন অধ্যাপক ড. জাভিদ বাট, ড. মুহাম্মদ আদনান ও ড. মো. আশিকুল আলম খান। পরিদর্শনকালে এআইইউবি এবং বিসিইউর কর্মকর্তারা কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল প্রকল্পের উদ্দেশ্য, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম...
৭ ঘণ্টা আগে
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে চলছে ‘অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬’। পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি নিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি। অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬ শুভ উদ্বোধন করেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য...
১০ ঘণ্টা আগে
পড়ার টেবিলে বসে আছে রাফি। ১০ মিনিট পর দেখা যায় সে বই রেখে মোবাইলে স্ক্রল করছে। আবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বইয়ের দিকে তাকাচ্ছে। আসলে তার পড়ায় মন বসছে না। ‘পড়তে মন চাইছে না’—এ কথাটি আজকাল শিক্ষার্থীদের মুখে প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ‘মন চাইছে না’ কি আসলে মস্তিষ্কের কাজ, নাকি এর পেছনে রয়েছে...
১৭ ঘণ্টা আগে