Ajker Patrika

টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিং ২০২৬

বাংলাদেশে তৃতীয় স্থানে গ্রিন ইউনিভার্সিটি

শিক্ষা ডেস্ক
আপডেট : ২৯ জুন ২০২৬, ২১: ৫৫
বাংলাদেশে তৃতীয় স্থানে গ্রিন ইউনিভার্সিটি
গ্রিন ইউনিভার্সিটি। ছবি: আজকের পত্রিকা

যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক শিক্ষা মূল্যায়ন সংস্থা টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত ‘সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট র‍্যাঙ্কিং ২০২৬’-এ বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (জিইউবি)। একই সঙ্গে বিশ্বের ১১৬টি দেশের ১ হাজার ৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জিইউবি বৈশ্বিকভাবে ৪০১-৬০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে। ২০২৫ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ছিল ৬০১-৮০০ ব্যান্ডে।

টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম বাস্তবায়নে দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবে এই অর্জন এসেছে। সবুজ ক্যাম্পাস, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়টির এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-সংক্রান্ত বিভিন্ন সূচকেও উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে জিইউবি। সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি (এসডিজি-৭) সূচকে বাংলাদেশে প্রথম ও বিশ্বে ৬৩তম স্থান লাভ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। মানসম্মত শিক্ষা (এসডিজি-৪) সূচকে বাংলাদেশে চতুর্থ ও বিশ্বে ১০১-২০০ ব্যান্ডে অবস্থান করছে। এ ছাড়া শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান (এসডিজি-১৬) সূচকে বাংলাদেশে দ্বিতীয় এবং বিশ্বে ৩০১-৪০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে জিইউবি।

গত বুধবার (২৪ জুন) প্রকাশিত এই র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশের ২২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৯টি সরকারি ও ১৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

এই অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেন, এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সামাজিক সম্পৃক্ততায় ধারাবাহিক অগ্রগতির প্রতিফলন। তিনি বলেন, গ্রিন ইউনিভার্সিটি শুধু শ্রেণিকক্ষে টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে শিক্ষা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই টেকসই চর্চাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উপাচার্য এই অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, অ্যালামনাই ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠার ফলেই এই সাফল্য এসেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমবর্ধমান অবস্থান ও প্রভাবেরও এটি প্রতিফলন।

উপাচার্য আরও বলেন, আন্তর্জাতিক রেটিং ও র‍্যাঙ্কিং একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক হলেও গ্রিন ইউনিভার্সিটির মূল লক্ষ্য দক্ষ, দায়িত্বশীল ও মানবিক গ্র্যাজুয়েট তৈরি করা, যাঁরা সমসাময়িক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক টেকসই অগ্রযাত্রায় অর্থবহ অবদান রাখার প্রতিশ্রুতিও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

‘আজকের শিক্ষায় আগামীর সবুজ পৃথিবী’—এই প্রত্যয়কে ধারণ করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে আরও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত