
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ছয়জন শিক্ষার্থী যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। তারা ২০২৬ সালের সেমিস্টারে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) ও ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
বিভাগ সূত্রে জানা যায়, স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের (১২ তম ব্যাচ) মো. আল ইমরান, যিনি টেক্সাস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে স্নাতকোত্তর (এমএসসি) প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন। একই ব্যাচের রিফা সাজদা তাসনিম টোলেডো বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব-চিকিৎসা প্রকৌশল বিভাগে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) করার সুযোগ পেয়েছেন।
এছাড়া ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের (১০ম ব্যাচ) রিয়াদুস সালেহ আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি এবং মানিশা আহমেদ বিংহ্যামটন ইউনিভার্সিটিতে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) প্রোগ্রামে ভর্তি হয়েছেন।
২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের (১১তম ব্যাচ) সালভিন মুস্তাকিম সাউথ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের (৪র্থ ব্যাচ) মেহেরুন নেসা আইওয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি-তে ডক্টর অব ফিলোসফি (পিএইচডি) প্রোগ্রামে ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন।
এ বিষয়ে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সুরঞ্জন কুমার দাস বলেন, ‘বিভাগের এই ছয়জন শিক্ষার্থীর এমন সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। তাঁদের এই অর্জন বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী হতে অনুপ্রাণিত করবে।’

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। ১১ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
৪ ঘণ্টা আগে
২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফরম পূরণ আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। এর আগে ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসির নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে সারা দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন আছেন প্রায় ৪ লাখ, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন আছেন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী।
৯ ঘণ্টা আগে
উপাচার্য বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস, ইন্টারনেট অব থিংস, বিগ ডেটা, ন্যানোটেকনোলজি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির মতো প্রযুক্তির বিস্ময়কর বিকাশ যেমন অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, তেমনি জলবায়ু পরিবর্তন, দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি, প্রযুক্তিগত বৈষম্য ও সাইবার নিরাপত্তার মতো
১০ ঘণ্টা আগে