Ajker Patrika

ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুদান দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার

শিক্ষা ডেস্ক
ঢাকায় ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুদান দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার
ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টারের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকার ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে স্কুলশিক্ষার্থীদের মধ্যে পোশাক, জুতা ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার।

গতকাল শনিবার সকালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির প্রতিনিধি, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সকালে মন্দিরে আগত আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার ও এর সদস্য চীনা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বরণ করে নেয় ধর্মরাজিক স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এক্সচেঞ্জ সেন্টারের উপমহাব্যবস্থাপক এবং এলডিসি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান লিজিয়া ইন্টারন্যাশনাল কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইনস্টলেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চাং ছিং বিন। তিনি বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের হাতে ৮১২ সেট স্কুল পোশাক ও ৭৬৮ জোড়া জুতা তুলে দেন।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ৮০০টি দন্ত সুরক্ষাসামগ্রী দেন লাকিডার ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইয়িন পিংছিং। সানওয়াং কালার কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তুয়ান বেনসি এবং বাংচায়নালিংক কনসালটেন্সির চেয়ারম্যান ওয়াং ইয়েতোং যৌথভাবে ১ লাখ টাকা অনুদান দেন।

অনুদান পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বুদ্ধপ্রিয় মহাথের এবং ধর্মরাজিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ অনুপম বড়ুয়া। তাঁরা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এই ধরনের উদ্যোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি প্রয়াত শুদ্ধানন্দ মহাথেরের উদ্যোগে ১৯৬০ সালে ধর্মরাজিক বৌদ্ধবিহারের যাত্রা শুরু হয়। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে এখানে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় নানা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে, যা সব সম্প্রদায় ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জন্য উন্মুক্ত। বর্তমানে ধর্মরাজিক স্কুল ও কলেজে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।

অনুদান পেয়ে শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। অনুষ্ঠানের শেষে আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টারের চীনা প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২৪ সালে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় আপন ফ্রেন্ডশিপ এক্সচেঞ্জ সেন্টার। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত