পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীরা বইখাতা, নোট নিয়ে পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকে। তখন পড়াশোনার সময়ের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখা। আর এ জন্য প্রয়োজন পড়ার মধ্যকার বিরতি। পড়াশোনার মাঝে অল্প সময় বিরতি নিলে পরবর্তী সময়ে মনোযোগ ধরে রাখা যায় এবং অল্প সময়ে অনেক বেশি পড়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। চলো দেখে নেওয়া যাক, পড়াশোনার মধ্যকার বিরতির সময়টাকে কীভাবে আরও সতেজ করে তোলা যায়।
কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি
পড়াশোনার মাঝে কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল স্ক্রিন দূরে রেখে বাইরে মুক্ত বাতাসে কিংবা সবুজ প্রকৃতিতে কিছুক্ষণ ঘুরে আসতে পারো। পরবর্তী সময়ে যা মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করবে।
অল্প ঘুমিয়ে নাও
পড়াশোনার মাঝে অল্প একটু ঘুমিয়ে নিতে পারো। হতে পারে সেটা ১৫ থেকে ২০ মিনিটের জন্য বিশ্রাম। কিন্তু সতর্ক থাকতে হবে যাতে লম্বা সময় ঘুমিয়ে না কাটাও। এটিকে সাধারণত পাওয়ার ন্যাপ বলা হয়ে থাকে।
পানি পান করো
মস্তিষ্কের শক্তি এবং সামগ্রিক সুস্থতাকে ধরে রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। এটি মেজাজ ঠিক রাখতেও সাহায্য করে, যা পড়াশোনার জন্য বেশ কার্যকরী।
স্বাস্থ্যকর খাবার খাও
পড়াশোনার মধ্যকার বিরতিতে পুষ্টিকর কিছু খাবার খেতে পারো। এতে তোমার সক্রিয়তার মাত্রা দৃঢ় থাকবে।
লক্ষ ঠিক করো
পড়াশোনার বিরতিতে আগের সেশনে কতটুকু পড়া হয়েছে এবং পরবর্তী সেশনে কতটুকু পড়বে সেটার একটা লক্ষ ঠিক করে নাও। এভাবে পড়ার টপিকগুলো ছোট ছোট সেশনে ভাগ করে নিলে বেশি চাপ অনুভূত হবে না, বরং আরও সাহস ও অনুপ্রেরণা পাবে।
পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে মাঝেমধ্যে অল্প সময় বিরতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে তোমার জন্য কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে ভালো কাজ করে তা বিভিন্ন সময়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারো এবং বিরতি শেষে আবারও শেখার, জানার জগতের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাও।

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগ ২৬০ ব্যাচকে (সামার-২০২৬) বরণ করে নিয়েছে। আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বাচল আমেরিকান সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়...
১ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিং বা তদারকি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে আগামীকাল রোববার থেকে সারা দেশে নতুন উপস্থিতি-সংক্রান্ত ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে
মুশফিকুর রহমান রাতুলের বেড়ে ওঠা রাজধানী ঢাকায়। মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি এবং ঢাকা কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন। সম্প্রতি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লাফায়েত কলেজে স্নাতক পড়ার জন্য প্রায় ৪ কোটি টাকা সমমানের বৃত্তি বা আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোনোর পর অনেক শিক্ষার্থীর ইচ্ছা থাকে নিজ ক্যাম্পাসে ফেরার কিংবা অন্য কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার। ক্লাসরুমে দাঁড়িয়ে পাঠদান, গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার সুযোগ শিক্ষকতা পেশাকে একই সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ ও অর্থবহ করে তোলে।
১০ ঘণ্টা আগে