প্রতিনিধি, সিলেট

পঞ্চাশোর্ধ্ব এক বিধবার শ্লীলতাহানির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রবাসী ছেলেদের কাছে টাকা দাবি করেছেন তাঁরই স্বামীর পক্ষের ভাতিজা ও নাতি। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। তাতেও কাজ না হওয়ায় ভুক্তভোগী নারী অবশেষে থানায় মামলা করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আটতারু গ্রামে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় ওই বিধবা নারী ও শিশু নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনে চারজনের নামে মামলা করেছেন। এরপর সোমবার গভীর রাত থেকে আজ মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত আসামিদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে কানাইঘাট থানা–পুলিশ। তবে এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
মামলায় আসামিরা হলেন, ভুক্তভোগী নারীর নাতি জব্বার (২২) ও আব্দুল্লাহ (৩৮) এবং তার ভাশুরের (স্বামীর বড় ভাই) ছেলে ভাতিজা সাইদুল্লাহ (২৭)।
পুলিশ ও ওই নারীর স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ আগস্ট ঘটনাটি ঘটে। আর গত সোমবার ফেসবুকে ওই নারীকে যৌন হেনস্তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে কানাইঘাট থানার পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরে হেনস্তার শিকার নারীকে থানায় নিয়ে তাঁর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করে। ভুক্তভোগীর প্রবাসী ছেলেদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য আসামিরা এই কাজ করেছেন বলে তিনি জানান।
পুলিশ জানায়, হেনস্তার শিকার নারীর বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব। তাঁর স্বামী নেই। তাঁর চার মেয়ে ও দুই ছেলে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে। দুই ছেলে দুবাই প্রবাসী। বাড়িতে তিনি একাই থাকেন। ২৯ আগস্ট বাড়ি তালাবদ্ধ করে তিনি প্রতিবেশী কাউকে না জানিয়ে পাশের গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে যান। হঠাৎ বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার কারণ জানতে গিয়ে আত্মীয়রা ওই নারীর মুখে হেনস্তার শিকার হওয়া ও ভিডিও ধারণের ঘটনাটি জানেন। এরপর প্রবাস থেকে তাঁর দুই ছেলে তাঁদের জানিয়েছেন, ভিডিওটি তাঁদের দুই ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন নাতি ও ভাতিজারা। কিছু টাকা দিয়ে ওই ভিডিওটি সংগ্রহও করেন ওই নারীর স্বজনেরা। কিন্তু আসামিরা ভিডিওর কপি রেখে দেন এবং পরে সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ভাশুর (স্বামীর বড় ভাই) হাজী জুনাব আলী বলেন, তাঁর আরেক ভাইয়ের ছেলে এবং নাতি এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। পারিবারিকভাবে এটি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় তাঁর ভাবিকে থানায় মামলা করার পরামর্শ দেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে কানাইঘাট থানার মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ আগস্ট। গত সোমবার ফেসবুক ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। তখন ওই ভিডিও পেয়ে আমরা সংগ্রহ করি। যে চারজন ওই নারীকে হেনস্তা করেছে তাঁদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের ধরার জন্য সোমবার রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত টানা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ওই অভিযানে আমি নিজে ছিলাম। এখনো পুলিশের দুটি টিম আসামিদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছে।
ওসি বলেন, এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছেন সবাই ওই নারীর নিকটাত্মীয়। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে টাকার জন্যই তাঁরা এমনটি করেছেন।

পঞ্চাশোর্ধ্ব এক বিধবার শ্লীলতাহানির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রবাসী ছেলেদের কাছে টাকা দাবি করেছেন তাঁরই স্বামীর পক্ষের ভাতিজা ও নাতি। বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। তাতেও কাজ না হওয়ায় ভুক্তভোগী নারী অবশেষে থানায় মামলা করেছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার আটতারু গ্রামে। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় ওই বিধবা নারী ও শিশু নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি আইনে চারজনের নামে মামলা করেছেন। এরপর সোমবার গভীর রাত থেকে আজ মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত আসামিদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে কানাইঘাট থানা–পুলিশ। তবে এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।
মামলায় আসামিরা হলেন, ভুক্তভোগী নারীর নাতি জব্বার (২২) ও আব্দুল্লাহ (৩৮) এবং তার ভাশুরের (স্বামীর বড় ভাই) ছেলে ভাতিজা সাইদুল্লাহ (২৭)।
পুলিশ ও ওই নারীর স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ আগস্ট ঘটনাটি ঘটে। আর গত সোমবার ফেসবুকে ওই নারীকে যৌন হেনস্তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার সন্ধ্যার দিকে কানাইঘাট থানার পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরে হেনস্তার শিকার নারীকে থানায় নিয়ে তাঁর বক্তব্য লিপিবদ্ধ করে। ভুক্তভোগীর প্রবাসী ছেলেদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের জন্য আসামিরা এই কাজ করেছেন বলে তিনি জানান।
পুলিশ জানায়, হেনস্তার শিকার নারীর বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব। তাঁর স্বামী নেই। তাঁর চার মেয়ে ও দুই ছেলে। মেয়েদের বিয়ে হয়েছে। দুই ছেলে দুবাই প্রবাসী। বাড়িতে তিনি একাই থাকেন। ২৯ আগস্ট বাড়ি তালাবদ্ধ করে তিনি প্রতিবেশী কাউকে না জানিয়ে পাশের গ্রামে বাবার বাড়িতে চলে যান। হঠাৎ বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার কারণ জানতে গিয়ে আত্মীয়রা ওই নারীর মুখে হেনস্তার শিকার হওয়া ও ভিডিও ধারণের ঘটনাটি জানেন। এরপর প্রবাস থেকে তাঁর দুই ছেলে তাঁদের জানিয়েছেন, ভিডিওটি তাঁদের দুই ভাইয়ের কাছে পাঠিয়ে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন নাতি ও ভাতিজারা। কিছু টাকা দিয়ে ওই ভিডিওটি সংগ্রহও করেন ওই নারীর স্বজনেরা। কিন্তু আসামিরা ভিডিওর কপি রেখে দেন এবং পরে সেটি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর ভাশুর (স্বামীর বড় ভাই) হাজী জুনাব আলী বলেন, তাঁর আরেক ভাইয়ের ছেলে এবং নাতি এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। পারিবারিকভাবে এটি মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতেও কোনো সমাধান না পাওয়ায় তাঁর ভাবিকে থানায় মামলা করার পরামর্শ দেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে কানাইঘাট থানার মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৮ আগস্ট। গত সোমবার ফেসবুক ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। তখন ওই ভিডিও পেয়ে আমরা সংগ্রহ করি। যে চারজন ওই নারীকে হেনস্তা করেছে তাঁদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের ধরার জন্য সোমবার রাত থেকে আজ ভোর পর্যন্ত টানা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ওই অভিযানে আমি নিজে ছিলাম। এখনো পুলিশের দুটি টিম আসামিদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছে।
ওসি বলেন, এই ঘটনা যারা ঘটিয়েছেন সবাই ওই নারীর নিকটাত্মীয়। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে টাকার জন্যই তাঁরা এমনটি করেছেন।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে