গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলা কারাগারের ভেতরে কারারক্ষী ও এক নারী কয়েদির অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় এক নারী হাজতিকে নির্যাতন ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই হাজতির মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি এবং নারী ইউনিটে পুরুষ ঢুকে মারধর করেছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা মোছা. করিমন নেছা।
১৬ এপ্রিল এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা। বিষয়টি আজ বুধবার জানাজানি হলে জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী পাঁচ বছর যাবৎ গাইবান্ধা জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে রয়েছেন। তাঁর হাজতি নং ৫০৮। ভুক্তভোগী ওই হাজতির মা লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, জেলা কারাগারে কর্মরত প্রধান কারারক্ষী মো. আশরাফুল ইসলাম এবং নারী কয়েদি (রাইটার) মোছা. মেঘলা খাতুনের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাঁদের অনৈতিক কার্যকলাপ আমার মেয়ে দেখে ফেলায় তাঁর প্রধান কারারক্ষী আশরাফুল ও রাইটার মেঘলা তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হন। এ কথা কাউকে বললে মেয়েকে মেরে ফেলে ‘হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু’ হয়েছে বলে চালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আশরাফুল ইসলাম তাঁর মেয়েকে বিভিন্ন সময় কারাগারের ভেতরে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। একাধিকবার হাত ও পোশাক ধরে টানাটানি করেছেন। মেয়েকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন।
এ নিয়ে জেল সুপারের কাছে বিচার দেওয়ার কথা বললে আশরাফুল প্রকাশ্যে ভুক্তভোগীকে বলেন, ‘জেলার সাহেব তাঁর লোক। তিনি নিজের টাকা খরচ করে জেলারকে বদলি করে নিয়ে এসেছেন। জেলার তাঁর কোনো বিচার করতে পারবেন না।’
চলতি বছরের ২০ মার্চ দুপুরে আশরাফুলের নেতৃত্বে কয়েদি মেঘলা খাতুন, রেহেনা, আলেফা এবং কারারক্ষী তহমিনা, শাবানা গং কারাগারের নারী ইউনিটের বারান্দায় ভুক্তভোগীকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারেন। একপর্যায়ে আশরাফুল, সিআইডি কর্মকর্তা আনিছ এবং হাবিলদার মোস্তফা কারাগারের নারী ইউনিটে প্রবেশ করে মেয়েকে টেনেহিঁচড়ে সেলের ভেতর নিয়ে যান। মেয়ের হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে, রশি দিয়ে দুই পা বেঁধে লাঠি দিয়ে ঊরু ও পায়ের পাতায় বেদম মারধর করেন। কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলে বিবস্ত্র করেন। এ ঘটনা বাইরে প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলামের ব্যবহৃত ফোনে নম্বর কল দিলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থতার কথা বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেল সুপার মো. জাবেদ মেহেদী বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।’
কারাগারের ভেতরে সব অবৈধ কার্যকলাপ, কয়েদিদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আপনি জেনেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জেল সুপার বলেন, ‘আমার অনেক আত্মীয়স্বজন সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আপনারাই তো আমাকে সহযোগিতা করবেন।’ এই বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার কারাগারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মশিউর রহমানকে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গাইবান্ধা জেলা কারাগারের ভেতরে কারারক্ষী ও এক নারী কয়েদির অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় এক নারী হাজতিকে নির্যাতন ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই হাজতির মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি এবং নারী ইউনিটে পুরুষ ঢুকে মারধর করেছে। এ ব্যাপারে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা মোছা. করিমন নেছা।
১৬ এপ্রিল এ নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা। বিষয়টি আজ বুধবার জানাজানি হলে জেলাজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী পাঁচ বছর যাবৎ গাইবান্ধা জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে রয়েছেন। তাঁর হাজতি নং ৫০৮। ভুক্তভোগী ওই হাজতির মা লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন, জেলা কারাগারে কর্মরত প্রধান কারারক্ষী মো. আশরাফুল ইসলাম এবং নারী কয়েদি (রাইটার) মোছা. মেঘলা খাতুনের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাঁদের অনৈতিক কার্যকলাপ আমার মেয়ে দেখে ফেলায় তাঁর প্রধান কারারক্ষী আশরাফুল ও রাইটার মেঘলা তাঁর ওপর ক্ষিপ্ত হন। এ কথা কাউকে বললে মেয়েকে মেরে ফেলে ‘হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু’ হয়েছে বলে চালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, আশরাফুল ইসলাম তাঁর মেয়েকে বিভিন্ন সময় কারাগারের ভেতরে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। একাধিকবার হাত ও পোশাক ধরে টানাটানি করেছেন। মেয়েকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করেছেন।
এ নিয়ে জেল সুপারের কাছে বিচার দেওয়ার কথা বললে আশরাফুল প্রকাশ্যে ভুক্তভোগীকে বলেন, ‘জেলার সাহেব তাঁর লোক। তিনি নিজের টাকা খরচ করে জেলারকে বদলি করে নিয়ে এসেছেন। জেলার তাঁর কোনো বিচার করতে পারবেন না।’
চলতি বছরের ২০ মার্চ দুপুরে আশরাফুলের নেতৃত্বে কয়েদি মেঘলা খাতুন, রেহেনা, আলেফা এবং কারারক্ষী তহমিনা, শাবানা গং কারাগারের নারী ইউনিটের বারান্দায় ভুক্তভোগীকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারেন। একপর্যায়ে আশরাফুল, সিআইডি কর্মকর্তা আনিছ এবং হাবিলদার মোস্তফা কারাগারের নারী ইউনিটে প্রবেশ করে মেয়েকে টেনেহিঁচড়ে সেলের ভেতর নিয়ে যান। মেয়ের হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে, রশি দিয়ে দুই পা বেঁধে লাঠি দিয়ে ঊরু ও পায়ের পাতায় বেদম মারধর করেন। কাপড় টেনে ছিঁড়ে ফেলে বিবস্ত্র করেন। এ ঘটনা বাইরে প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলামের ব্যবহৃত ফোনে নম্বর কল দিলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থতার কথা বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেল সুপার মো. জাবেদ মেহেদী বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না।’
কারাগারের ভেতরে সব অবৈধ কার্যকলাপ, কয়েদিদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আপনি জেনেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না—এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জেল সুপার বলেন, ‘আমার অনেক আত্মীয়স্বজন সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আপনারাই তো আমাকে সহযোগিতা করবেন।’ এই বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল মঙ্গলবার কারাগারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মশিউর রহমানকে তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে