ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ে এক কিশোরের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে চাঁদা দাবির ঘটনায় চার যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে দাবি পুলিশের।
আজ বুধবার ঠাকুরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার আকচা ইউপির দক্ষিণ ঠাকুরগাঁও নামক স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরের নাম হিরা মোহন (১৭)। গতকাল রাতে ভুক্তভোগীর বাবা নরেশ বর্মণ বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং দু-তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সদর উপজেলার বাহাদুরপাড়া গ্রামের মো. সাদেকুল ইসলামের ছেলে মো. শাকিল হাসান (১৮), একই গ্রামের মো. দাহিদুল ইসলামের ছেলে পারভেজ হাসান ওরফে আকাশ (১৮), জলেশ্বরীতলা গ্রামের মো. হোসেন আলীর ছেলে নুর হোসেন (১৮) এবং শান্তিনগর এলাকার মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে সোহান ওরফে বাবু। এ সময় মামলার অপর আসামি পৌর শহরের হাজীপাড়া মহল্লার মো. তামিম (১৮) পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, হিরা মোহন নামে ওই কিশোর দক্ষিণ ঠাকুরগাঁওয়ে ঠাকুরগাঁও-রুহিয়া মহাসড়কে তাঁর এক আত্মীয়ের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় একদল যুবক হিরাকে আটক করে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ কেড়ে নেন। সেই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে উল্লিখিত চারজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।
স্থানীয়রা আরও বলেন, বিভিন্ন সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়ান গ্রেপ্তারকৃতরা।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা জিয়ারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে এক কিশোরের গলায় ছুরি ঠেকিয়ে চাঁদা দাবির ঘটনায় চার যুবককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত চারজন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে দাবি পুলিশের।
আজ বুধবার ঠাকুরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সদর উপজেলার আকচা ইউপির দক্ষিণ ঠাকুরগাঁও নামক স্থান থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরের নাম হিরা মোহন (১৭)। গতকাল রাতে ভুক্তভোগীর বাবা নরেশ বর্মণ বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং দু-তিনজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সদর উপজেলার বাহাদুরপাড়া গ্রামের মো. সাদেকুল ইসলামের ছেলে মো. শাকিল হাসান (১৮), একই গ্রামের মো. দাহিদুল ইসলামের ছেলে পারভেজ হাসান ওরফে আকাশ (১৮), জলেশ্বরীতলা গ্রামের মো. হোসেন আলীর ছেলে নুর হোসেন (১৮) এবং শান্তিনগর এলাকার মো. আব্দুল মান্নানের ছেলে সোহান ওরফে বাবু। এ সময় মামলার অপর আসামি পৌর শহরের হাজীপাড়া মহল্লার মো. তামিম (১৮) পালিয়ে যান।
স্থানীয়রা জানান, হিরা মোহন নামে ওই কিশোর দক্ষিণ ঠাকুরগাঁওয়ে ঠাকুরগাঁও-রুহিয়া মহাসড়কে তাঁর এক আত্মীয়ের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। এ সময় একদল যুবক হিরাকে আটক করে মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ কেড়ে নেন। সেই সঙ্গে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে উল্লিখিত চারজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।
স্থানীয়রা আরও বলেন, বিভিন্ন সময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়ান গ্রেপ্তারকৃতরা।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা জিয়ারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে