আব্দুর রহিম পায়েল, গঙ্গাচড়া (রংপুর)

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এই হিসাবের সঙ্গে একমত নয়।
সরেজমিনে খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে ছাগলের মধ্যে পাতলা পায়খানা, খাওয়ায় অনীহা, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত পরিচর্যার অভাবে অনেক ছাগল মারা যায়। চরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সেখানে মৃত্যুহারও বেশি।
খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীদের দেওয়া তথ্যমতে, গঙ্গাচড়া উপজেলায় ৯টি ইউনিয়নে ছাগলের মৃত্যুর সংখ্যা—গঙ্গাচড়া ইউনিয়নে ১৭০টি, নোহালীতে ২০০টি, আলমবিদিতরে ১৫০টি, বড়বিলে ৯১টি, বেতগাড়ীতে ১৬৯টি, কোলকোন্দে ১৯০টি, লক্ষ্মীটারীতে ১৭৭টি, গজঘন্টায় ১৬৩টি ও মর্নেয়া ইউনিয়নে ১৮৫টি। মোট মৃত্যু ১ হাজার ৪৯৫টি ছাগল।
বড়বিল ইউনিয়নের দক্ষিণ পানাপুকুর গ্রামের খামারি দীপালী রাণী বলেন, ‘প্রচণ্ড ঠান্ডায় আমার দুটি ছাগল অসুস্থ হয়। হাসপাতালে ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে আবার নিতে বলা হলেও লোক না থাকায় যেতে পারিনি। দুদিন পরই দুটিই মারা যায়। বিক্রি করলে প্রায় ১৮-১৯ হাজার টাকা পেতাম।’
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মেডিকেলপাড়া এলাকার খামারি ও ছাগল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম (৪২) বলেন, ‘ঠান্ডার কারণে আমার দুটি খাসি মারা গেছে। বিক্রি করলে অন্তত ২০ হাজার টাকা হতো। শুধু আমার না, আমাদের এলাকায় অন্তত ৩০টি ছাগল মারা গেছে। কেউ কেউ ভয়ে অসুস্থ হলেই বিক্রি করে দিয়েছেন।’
স্থানীয় চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিদের দাবি, চলতি শীতে শুধু চরাঞ্চলেই তিন-চার শতাধিক ছাগল মারা গেছে। পশু চিকিৎসা কর্মীরা জানান, ‘শীতে ছাগল অসুস্থ হওয়ার আগে কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, খাওয়ায় অনীহা, ঝিমুনি, পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও লোম রুক্ষ হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁরা বলেন, যেসব খামারির দু-চারটি ছাগল রয়েছে এবং যাঁরা পর্যাপ্ত যত্ন নেন না, তারাই বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। সচেতন খামারিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে কম।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পশু চিকিৎসাকর্মী বলেন, ‘শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কোলকোন্দ বাঁধের পাড়, গঙ্গাচড়া মেডিকেলপাড়া ও ধামুগ্রামেই ৫০-৬০ টির মতো ছাগল মারা গেছে। আপনি যদি প্রতিটি ইউনিয়ন ধরে হিসাব করেন, তাহলে কমপক্ষে দেড় হাজার হবে। ছাগল মারা গেলে তো আর কেউ বলে না। আমরা গ্রামে ঘুরি, এ জন্যই জানি।’
এ বিষয়ে উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন (ভিএস) ইউসুফ আলী সরকার বলেন, ‘আমাদের কাছে বড় আকারের মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। গত দুই-তিন মাসে ২০-২৫টি ছাগল মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে খামারিরা মৃত্যুর বিষয়টি আমাদের জানায় না।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডা. মাহফুজার রহমান বলেন, ‘শীতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন প্রান্তিক ও হতদরিদ্র খামারিরা, কারণ তাঁরা অনেক সময় ছাগলের জন্য উন্নত বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন না। এতে রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন মিটিংয়ে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে টিকা ও শীতকালে বিশেষ যত্নের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।’

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর এই হিসাবের সঙ্গে একমত নয়।
সরেজমিনে খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তীব্র শীতের কারণে ছাগলের মধ্যে পাতলা পায়খানা, খাওয়ায় অনীহা, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগের উপসর্গ দেখা দেয়। সময়মতো চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত পরিচর্যার অভাবে অনেক ছাগল মারা যায়। চরাঞ্চলে শীতের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সেখানে মৃত্যুহারও বেশি।
খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীদের দেওয়া তথ্যমতে, গঙ্গাচড়া উপজেলায় ৯টি ইউনিয়নে ছাগলের মৃত্যুর সংখ্যা—গঙ্গাচড়া ইউনিয়নে ১৭০টি, নোহালীতে ২০০টি, আলমবিদিতরে ১৫০টি, বড়বিলে ৯১টি, বেতগাড়ীতে ১৬৯টি, কোলকোন্দে ১৯০টি, লক্ষ্মীটারীতে ১৭৭টি, গজঘন্টায় ১৬৩টি ও মর্নেয়া ইউনিয়নে ১৮৫টি। মোট মৃত্যু ১ হাজার ৪৯৫টি ছাগল।
বড়বিল ইউনিয়নের দক্ষিণ পানাপুকুর গ্রামের খামারি দীপালী রাণী বলেন, ‘প্রচণ্ড ঠান্ডায় আমার দুটি ছাগল অসুস্থ হয়। হাসপাতালে ইনজেকশন দেওয়া হয়। পরে আবার নিতে বলা হলেও লোক না থাকায় যেতে পারিনি। দুদিন পরই দুটিই মারা যায়। বিক্রি করলে প্রায় ১৮-১৯ হাজার টাকা পেতাম।’
গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের মেডিকেলপাড়া এলাকার খামারি ও ছাগল ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম (৪২) বলেন, ‘ঠান্ডার কারণে আমার দুটি খাসি মারা গেছে। বিক্রি করলে অন্তত ২০ হাজার টাকা হতো। শুধু আমার না, আমাদের এলাকায় অন্তত ৩০টি ছাগল মারা গেছে। কেউ কেউ ভয়ে অসুস্থ হলেই বিক্রি করে দিয়েছেন।’
স্থানীয় চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিদের দাবি, চলতি শীতে শুধু চরাঞ্চলেই তিন-চার শতাধিক ছাগল মারা গেছে। পশু চিকিৎসা কর্মীরা জানান, ‘শীতে ছাগল অসুস্থ হওয়ার আগে কাশি, শ্বাসকষ্ট, শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, খাওয়ায় অনীহা, ঝিমুনি, পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া ও লোম রুক্ষ হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁরা বলেন, যেসব খামারির দু-চারটি ছাগল রয়েছে এবং যাঁরা পর্যাপ্ত যত্ন নেন না, তারাই বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। সচেতন খামারিদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে কম।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পশু চিকিৎসাকর্মী বলেন, ‘শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কোলকোন্দ বাঁধের পাড়, গঙ্গাচড়া মেডিকেলপাড়া ও ধামুগ্রামেই ৫০-৬০ টির মতো ছাগল মারা গেছে। আপনি যদি প্রতিটি ইউনিয়ন ধরে হিসাব করেন, তাহলে কমপক্ষে দেড় হাজার হবে। ছাগল মারা গেলে তো আর কেউ বলে না। আমরা গ্রামে ঘুরি, এ জন্যই জানি।’
এ বিষয়ে উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন (ভিএস) ইউসুফ আলী সরকার বলেন, ‘আমাদের কাছে বড় আকারের মৃত্যুর কোনো তথ্য নেই। গত দুই-তিন মাসে ২০-২৫টি ছাগল মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে খামারিরা মৃত্যুর বিষয়টি আমাদের জানায় না।’
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ইউএলও) ডা. মাহফুজার রহমান বলেন, ‘শীতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন প্রান্তিক ও হতদরিদ্র খামারিরা, কারণ তাঁরা অনেক সময় ছাগলের জন্য উন্নত বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন না। এতে রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ জন্য উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বিভিন্ন মিটিংয়ে জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে টিকা ও শীতকালে বিশেষ যত্নের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৮ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে