প্রতিনিধি

দিনাজপুর: দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আবদুল হকের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে দিনাজপুর জেলা কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফাঁসি কার্যকরের সময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, রংপুর ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, কারা চিকিৎসকসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল হক রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত আছির উদ্দীনের ছেলে। স্বাধীনতার পর দিনাজপুর জেলা কারাগারে এটিই প্রথম ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা।
জানা যায়, ওই দিন বিকেলেই শেষ সাক্ষাৎ করেন আবদুল হকের পরিবারের ১৫ সদস্য। পরে সন্ধ্যায় জেলা কারাগার মসজিদের ইমাম কারা অভ্যন্তরে গিয়ে আব্দুল হককে অজু, গোসলের পর তওবা পাঠ করান। পরে ফাঁসি কার্যকর করতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অহিদুল ইসলাম নামের এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে জল্লাদ হিসেবে আনা হয়। দিনাজপুর জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন লাল রুমাল ফেলে ফাঁসির সংকেত দিলে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ সময় মৃত্যু নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কারা সূত্রে জানা গেছে, আবদুল হক ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করেন। পরে তাঁর শাশুড়ি বাদী হয়ে ২০০২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা করে। মামলা নম্বর-১৫। ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আবদুল হককে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে সাজা বহাল থাকায় সবশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন আবদুল হক।
রাষ্ট্রপতি সবকিছু বিবেচনা করে গত ১৮ মে প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

দিনাজপুর: দিনাজপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী আবদুল হকের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে দিনাজপুর জেলা কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ফাঁসি কার্যকরের সময় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন, রংপুর ডিআইজি (প্রিজন) আলতাফ হোসেন, কারা চিকিৎসকসহ পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আবদুল হক রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভক্তিপুর চৌধুরীপাড়া এলাকার মৃত আছির উদ্দীনের ছেলে। স্বাধীনতার পর দিনাজপুর জেলা কারাগারে এটিই প্রথম ফাঁসি কার্যকরের ঘটনা।
জানা যায়, ওই দিন বিকেলেই শেষ সাক্ষাৎ করেন আবদুল হকের পরিবারের ১৫ সদস্য। পরে সন্ধ্যায় জেলা কারাগার মসজিদের ইমাম কারা অভ্যন্তরে গিয়ে আব্দুল হককে অজু, গোসলের পর তওবা পাঠ করান। পরে ফাঁসি কার্যকর করতে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অহিদুল ইসলাম নামের এক যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দীকে জল্লাদ হিসেবে আনা হয়। দিনাজপুর জেল সুপার মো. মোকাম্মেল হোসেন লাল রুমাল ফেলে ফাঁসির সংকেত দিলে ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ সময় মৃত্যু নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাঁর লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
কারা সূত্রে জানা গেছে, আবদুল হক ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর স্ত্রীকে হত্যা করেন। পরে তাঁর শাশুড়ি বাদী হয়ে ২০০২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি মিঠাপুকুর থানায় একটি হত্যা মামলা করে। মামলা নম্বর-১৫। ২০০৭ সালের ৩ মে রংপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ আবদুল হককে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে সাজা বহাল থাকায় সবশেষ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন আবদুল হক।
রাষ্ট্রপতি সবকিছু বিবেচনা করে গত ১৮ মে প্রাণভিক্ষার আবেদন নামঞ্জুর করলে ফাঁসি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫