নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবীন সবুজের নামে সক্রিয় একটি ফেসবুক আইডির মেসেঞ্জার থেকে ছাত্রলীগের এক নেত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর কথোপকথনের স্ক্রিনশট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টিকে মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ওই ছাত্রলীগ নেতা। গতকাল রোববার নগরীর রাজপাড়া থানায় এই জিডি করেন মুবীন নিজেই।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ২৯ মার্চ রাত ১১টায় এক ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, ডা. সিরাজুম মুবীন সবুজ নামে ফেইক ফেসবুক আইডি খুলে তাঁর নাম ব্যবহার করে খারাপ ছবি ও বাজে চ্যাট লিস্ট বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচার। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাই তিনি এ জিডি করছেন।
জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিহাব অনিক নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘সিন্ডিকেট’ নামের একটি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে চ্যাট লিস্টগুলো দেওয়া হয়েছে। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তিনি অপপ্রচারকারীর পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। প্রয়োজনে তিনি এ নিয়ে মামলা করবেন।
এই জিডির সত্যতা স্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা ডা. সিরাজুম মুবীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের মহানগর ছাত্রলীগের এক নেত্রীর সঙ্গে আমার ফেসবুক চ্যাট লিস্ট তৈরি করা হয়েছে। এতে খুবই আপত্তিকর কথাবার্তা এবং ছবির আদান-প্রদান দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে আমি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি। যার সঙ্গে এই চ্যাট লিস্ট দেখানো হচ্ছে, সে-ও সবাইকে বলেছে যে তার সঙ্গে আমার এ ধরনের কোনো কথা কখনো হয়নি। সেই জন্য থানায় জিডি করেছি।’
নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। গতকাল সন্ধ্যার পরে থানায় যোগ দিয়েছি। জিডির বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের জিডি হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবীন সবুজের নামে সক্রিয় একটি ফেসবুক আইডির মেসেঞ্জার থেকে ছাত্রলীগের এক নেত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর কথোপকথনের স্ক্রিনশট অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টিকে মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ওই ছাত্রলীগ নেতা। গতকাল রোববার নগরীর রাজপাড়া থানায় এই জিডি করেন মুবীন নিজেই।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ২৯ মার্চ রাত ১১টায় এক ছোট ভাইয়ের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, ডা. সিরাজুম মুবীন সবুজ নামে ফেইক ফেসবুক আইডি খুলে তাঁর নাম ব্যবহার করে খারাপ ছবি ও বাজে চ্যাট লিস্ট বিভিন্ন মহলে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচার। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাই তিনি এ জিডি করছেন।
জিডিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সিহাব অনিক নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ‘সিন্ডিকেট’ নামের একটি ফেসবুক মেসেঞ্জার গ্রুপে চ্যাট লিস্টগুলো দেওয়া হয়েছে। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেও তিনি অপপ্রচারকারীর পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছেন। প্রয়োজনে তিনি এ নিয়ে মামলা করবেন।
এই জিডির সত্যতা স্বীকার করে ছাত্রলীগ নেতা ডা. সিরাজুম মুবীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের মহানগর ছাত্রলীগের এক নেত্রীর সঙ্গে আমার ফেসবুক চ্যাট লিস্ট তৈরি করা হয়েছে। এতে খুবই আপত্তিকর কথাবার্তা এবং ছবির আদান-প্রদান দেখানো হয়েছে। এ নিয়ে আমি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছি। যার সঙ্গে এই চ্যাট লিস্ট দেখানো হচ্ছে, সে-ও সবাইকে বলেছে যে তার সঙ্গে আমার এ ধরনের কোনো কথা কখনো হয়নি। সেই জন্য থানায় জিডি করেছি।’
নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএসএম সিদ্দিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ছুটিতে ছিলাম। গতকাল সন্ধ্যার পরে থানায় যোগ দিয়েছি। জিডির বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের জিডি হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে গত রোববার বিকেল থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৬৯৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ১৪টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
১১ দিন আগে
জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত মুখ ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমে বহুল আলোচিত নাম ফয়সাল করিম মাসুদ কিংবা দাউদ খান। গতকাল শুক্রবার হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই এই দুই নামে এক ব্যক্তির ছবি ফেসবুকে ভেসে বেড়াচ্ছে।
২০ দিন আগে