ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে বেপরোয়া গতিতে লেগুনা চালানো নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে গুলিতে এক রিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ বুধবার রাত ৮টার দিকে শহরের কাচারীপাড়া পশ্চিম টেংরি কড়ইতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিকশাচালকের নাম মামুন হোসেন (২৫)। আহত হয়েছেন অপর রিকশাচালক রকি হোসেন (২৬) ও সুমন (২৮) নামের দুই ব্যক্তি। তাঁদের গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী ইপিজেড থেকে এক লেগুনার বেপরোয়া গতিতে চলাচল নিষেধ করেন কড়ইতলার স্থানীয় দোকানিরা। এ নিয়ে লেগুনাচালকের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত দোকানি ও রিকশাচালকদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে লেগুনাচালকের পক্ষে ঈশ্বরদী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেনের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন তিনটি মোটরসাইকেলে দলবল নিয়ে এসে ওই দোকানি ও রিকশাচালকদের ওপর চড়াও হন।
একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেন পিস্তল বের করে রিকশাচালক মামুন ও রকি হোসেনকে গুলি করেন। পরে তাঁর সঙ্গীরা সুমনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুন হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিহত মামুনের এক আত্মীয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ে ঝামেলা হয় লেগুনাচালকের সঙ্গে। পরে লেগুনাচালকের পক্ষে কাউন্সিলর কামাল হোসেনের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন দলবল নিয়ে এসে মারামারি শুরু করেন। এ সময় গোলাগুলিতে মামুন মারা যান।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে বেপরোয়া গতিতে লেগুনা চালানো নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার জেরে গুলিতে এক রিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। আজ বুধবার রাত ৮টার দিকে শহরের কাচারীপাড়া পশ্চিম টেংরি কড়ইতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রিকশাচালকের নাম মামুন হোসেন (২৫)। আহত হয়েছেন অপর রিকশাচালক রকি হোসেন (২৬) ও সুমন (২৮) নামের দুই ব্যক্তি। তাঁদের গুরুতর আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঈশ্বরদী ইপিজেড থেকে এক লেগুনার বেপরোয়া গতিতে চলাচল নিষেধ করেন কড়ইতলার স্থানীয় দোকানিরা। এ নিয়ে লেগুনাচালকের সঙ্গে সেখানে উপস্থিত দোকানি ও রিকশাচালকদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে লেগুনাচালকের পক্ষে ঈশ্বরদী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কামাল হোসেনের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন তিনটি মোটরসাইকেলে দলবল নিয়ে এসে ওই দোকানি ও রিকশাচালকদের ওপর চড়াও হন।
একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেন পিস্তল বের করে রিকশাচালক মামুন ও রকি হোসেনকে গুলি করেন। পরে তাঁর সঙ্গীরা সুমনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মামুন হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নিহত মামুনের এক আত্মীয় আজকের পত্রিকাকে বলেন, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ে ঝামেলা হয় লেগুনাচালকের সঙ্গে। পরে লেগুনাচালকের পক্ষে কাউন্সিলর কামাল হোসেনের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন দলবল নিয়ে এসে মারামারি শুরু করেন। এ সময় গোলাগুলিতে মামুন মারা যান।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১১ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১২ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২২ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫