নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর বাগমারায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তার পাশের অন্তত ৫০টি তালগাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তালগাছগুলোর বাকল তুলে সেখানে কীটনাশক লাগিয়ে দেওয়ায় গাছগুলো এরই মধ্যে মরতে শুরু করেছে। নিজের আমগাছের বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে তিনি তালগাছগুলো নিধন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতার নাম শাহরিয়ার আলম। তিনি বাগমারার শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও করখণ্ড দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগমারার মাথাভাঙ্গা-হাটগাঙ্গোপাড়া সড়কের পাশে বাইগাছা এলাকায় শাহরিয়ার আলম ছয় মাস আগে প্রায় ২৭ বিঘা কৃষিজমিতে পুকুর খনন করেন। দুই মাস আগে পুকুরের পাড়ে বিভিন্ন জাতের আমগাছ লাগিয়েছেন। ওই রাস্তার পাশেই এলাকার কয়েক ব্যক্তি সারি সারি তালগাছ লাগিয়েছেন প্রায় এক যুগ আগে। এখন তালগাছগুলোর ছায়ার কারণে শাহরিয়ারের আমগাছ ঠিকমতো বেড়ে উঠছে না।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, শাহরিয়ার আলম তালগাছগুলোর বাকল কাটেন। পরে সেখানে তরল কিছু প্রয়োগ করেন। ফলে গাছগুলোর পাতা শুকিয়ে মরতে শুরু করেছে। এই রাস্তাটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি)। গাছ ‘হত্যা’ করতে দেখে স্থানীয়রা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এটা কে করছে আমি জানি না।’ এরপরই তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাকিম বলেন, স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ফোন করে তালগাছ নিধনের বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছেন। কাজটি যিনিই করুন না কেন, খুব খারাপ কাজ হয়েছে।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী খলিলুর রহমান বলেন, সড়কটি এলজিইডির। তবে অনেক আগে তালগাছগুলো কে লাগিয়েছেন সেটা তিনি জানেন না। তালগাছগুলো নিধনের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। সরেজমিন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহীর বাগমারায় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে রাস্তার পাশের অন্তত ৫০টি তালগাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তালগাছগুলোর বাকল তুলে সেখানে কীটনাশক লাগিয়ে দেওয়ায় গাছগুলো এরই মধ্যে মরতে শুরু করেছে। নিজের আমগাছের বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে তিনি তালগাছগুলো নিধন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতার নাম শাহরিয়ার আলম। তিনি বাগমারার শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও করখণ্ড দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগমারার মাথাভাঙ্গা-হাটগাঙ্গোপাড়া সড়কের পাশে বাইগাছা এলাকায় শাহরিয়ার আলম ছয় মাস আগে প্রায় ২৭ বিঘা কৃষিজমিতে পুকুর খনন করেন। দুই মাস আগে পুকুরের পাড়ে বিভিন্ন জাতের আমগাছ লাগিয়েছেন। ওই রাস্তার পাশেই এলাকার কয়েক ব্যক্তি সারি সারি তালগাছ লাগিয়েছেন প্রায় এক যুগ আগে। এখন তালগাছগুলোর ছায়ার কারণে শাহরিয়ারের আমগাছ ঠিকমতো বেড়ে উঠছে না।
স্থানীয় লোকজনের দাবি, শাহরিয়ার আলম তালগাছগুলোর বাকল কাটেন। পরে সেখানে তরল কিছু প্রয়োগ করেন। ফলে গাছগুলোর পাতা শুকিয়ে মরতে শুরু করেছে। এই রাস্তাটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি)। গাছ ‘হত্যা’ করতে দেখে স্থানীয়রা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীকে জানিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘এটা কে করছে আমি জানি না।’ এরপরই তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাকিম বলেন, স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি ফোন করে তালগাছ নিধনের বিষয়টি তাঁকে জানিয়েছেন। কাজটি যিনিই করুন না কেন, খুব খারাপ কাজ হয়েছে।
এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী খলিলুর রহমান বলেন, সড়কটি এলজিইডির। তবে অনেক আগে তালগাছগুলো কে লাগিয়েছেন সেটা তিনি জানেন না। তালগাছগুলো নিধনের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। সরেজমিন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে