নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীতে নবজাতক সন্তান বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় স্বামী মো. রহিদুলের (৪০) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন স্ত্রী জান্নাতুল খাতুন (২৫)। গতকাল রোববার (২০ নভেম্বর) রাতে রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আসামি রহিদুল নগরীর সিলিন্দা এলাকার বাসিন্দা।
জান্নাতুল তাঁর মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে শুধু স্বামী রহিদুলের নাম দিয়েছেন। তবে তদন্তের সময় বাচ্চা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজনকে পেয়েছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে রহিদুলের পাশাপাশি এ তিনজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই তিনজন হলেন- নবজাতক কেনাবেচার দালাল তরিকুল ইসলাম, ক্রেতা গোলাম শাহানুর এবং বিউটি খাতুন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মাহাফুজুল ইসলাম এই চারজনকেই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসআই জানান, আজ সোমবার (২১ নভেম্বর) গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত ওই নবজাতককে তার মায়ের জিম্মায় দেন।
গত ১০ নভেম্বর জান্নাতুল খাতুন নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি ক্লিনিকে কন্যা সন্তান প্রসব করেন। রহিদুলের আগের স্ত্রীর আরও দুটি সন্তান আছে। ১২ নভেম্বর (শনিবার) রহিদুল নার্সিং হোমে জান্নাতুলকে জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য বাচ্চাটিকে শিশু হাসপাতালে নিতে হবে। এ কথা বলে তিনি বাচ্চা নিয়ে গিয়ে দালাল তরিকুলের মাধ্যমে গোলাম শাহানুরের কাছে ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। শাহানুর তাঁর বোনের জন্য বাচ্চাটি কিনেছিলেন।
কিন্তু দত্তক দেওয়ার মতো কোনো কাগজপত্র করে না দেওয়ায় দুই দিন পর তিনি বাচ্চাটি আবার তরিকুলকে ফেরত দেন। পরে ৩০ হাজার টাকায় তরিকুল আবার নিঃসন্তান বিউটি খাতুনের কাছে বাচ্চাটি বিক্রি করেন। বিউটি খাতুনের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাটে। স্বামী বাচ্চা বিক্রি করে দেওয়ায় জান্নাতুলের কান্না থামছিলই না। বিষয়টি দেখে এক প্রতিবেশী পুলিশকে জানান। পরে রোববার বিকেলে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা কাঁকনহাট গিয়ে বিউটির কাছ থেকেই বাচ্চাটি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রহিদুলকে আটক করা হয়। তখন তিনি পুলিশকে জানান, অভাবের তাড়নায় তিনি বাচ্চাটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। বাচ্চা বিক্রির টাকায় তিনি নার্সিং হোমের বিল পরিশোধ করেন।

রাজশাহীতে নবজাতক সন্তান বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনায় স্বামী মো. রহিদুলের (৪০) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন স্ত্রী জান্নাতুল খাতুন (২৫)। গতকাল রোববার (২০ নভেম্বর) রাতে রাজশাহী নগরীর রাজপাড়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। আসামি রহিদুল নগরীর সিলিন্দা এলাকার বাসিন্দা।
জান্নাতুল তাঁর মামলার এজাহারে আসামি হিসেবে শুধু স্বামী রহিদুলের নাম দিয়েছেন। তবে তদন্তের সময় বাচ্চা কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত আরও তিনজনকে পেয়েছে পুলিশ। রোববার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে রহিদুলের পাশাপাশি এ তিনজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই তিনজন হলেন- নবজাতক কেনাবেচার দালাল তরিকুল ইসলাম, ক্রেতা গোলাম শাহানুর এবং বিউটি খাতুন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এসআই) মাহাফুজুল ইসলাম এই চারজনকেই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এসআই জানান, আজ সোমবার (২১ নভেম্বর) গ্রেপ্তারকৃত চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে আদালত ওই নবজাতককে তার মায়ের জিম্মায় দেন।
গত ১০ নভেম্বর জান্নাতুল খাতুন নগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার একটি ক্লিনিকে কন্যা সন্তান প্রসব করেন। রহিদুলের আগের স্ত্রীর আরও দুটি সন্তান আছে। ১২ নভেম্বর (শনিবার) রহিদুল নার্সিং হোমে জান্নাতুলকে জানান, উন্নত চিকিৎসার জন্য বাচ্চাটিকে শিশু হাসপাতালে নিতে হবে। এ কথা বলে তিনি বাচ্চা নিয়ে গিয়ে দালাল তরিকুলের মাধ্যমে গোলাম শাহানুরের কাছে ২৪ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। শাহানুর তাঁর বোনের জন্য বাচ্চাটি কিনেছিলেন।
কিন্তু দত্তক দেওয়ার মতো কোনো কাগজপত্র করে না দেওয়ায় দুই দিন পর তিনি বাচ্চাটি আবার তরিকুলকে ফেরত দেন। পরে ৩০ হাজার টাকায় তরিকুল আবার নিঃসন্তান বিউটি খাতুনের কাছে বাচ্চাটি বিক্রি করেন। বিউটি খাতুনের বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কাঁকনহাটে। স্বামী বাচ্চা বিক্রি করে দেওয়ায় জান্নাতুলের কান্না থামছিলই না। বিষয়টি দেখে এক প্রতিবেশী পুলিশকে জানান। পরে রোববার বিকেলে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা কাঁকনহাট গিয়ে বিউটির কাছ থেকেই বাচ্চাটি উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে রহিদুলকে আটক করা হয়। তখন তিনি পুলিশকে জানান, অভাবের তাড়নায় তিনি বাচ্চাটি বিক্রি করে দিয়েছিলেন। বাচ্চা বিক্রির টাকায় তিনি নার্সিং হোমের বিল পরিশোধ করেন।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে