শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুরে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু সাঈদকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি চোরাচালান আইনের মামলায় জামিনে বেরিয়ে ১৪ বছর পলাতক ছিলেন।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ তাঁকে শেরপুর থানায় হেফাজতে নিয়ে আসে।
শেরপুর থানা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে মেহেরপুর জেলায় একটি চোরাচালান আইনে মামলা হয়। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের এই মামলায় ২০১৭ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রকিব হোসেন বলেন, ২০০৯ সালে আবু সাঈদ মেহেরপুরে ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনের একটি মামলা এজারভুক্ত হয়। এই মামলায় আবু সাঈদ অন্তত সাত মাস পর জামিনে আদালত থেকে ছাড়া পান। এরপর পরবর্তী অন্তত তিনবার তিনি আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন।
২০১০ সালের পর থেকে তিনি আর আদালতে হাজিরা দেননি। ২০১৭ সালে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেন। ২০১০ সাল থেকে আবু সাঈদ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে ভিন্ন জায়গায় পালিয়ে থাকেন। অবশেষে গতকাল রাতে সিরাজগঞ্জের র্যাবের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আবু সাঈদ প্রথমে ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক ছিলেন। শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামে তাঁর নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে বাসাবাড়ি তৈরি করেন।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ২০০৯ সালে ফেনসিডিলসহ আবু সাঈদ মেহেরপুর জেলায় গ্রেপ্তার হয়। ওই সময় তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারায় মামলা করা হয়। পলাতক থাকা অবস্থায় এই মামলার ২০১৭ সালে মেহেরপুরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪ আদালত তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজ রোববার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বগুড়ার শেরপুরে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবু সাঈদকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ রোববার আদালতের মাধ্যমে তাঁকে বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি চোরাচালান আইনের মামলায় জামিনে বেরিয়ে ১৪ বছর পলাতক ছিলেন।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যার পর সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে পুলিশ তাঁকে শেরপুর থানায় হেফাজতে নিয়ে আসে।
শেরপুর থানা সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালে মেহেরপুর জেলায় একটি চোরাচালান আইনে মামলা হয়। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের এই মামলায় ২০১৭ সালে তাঁর বিরুদ্ধে আদালত ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রকিব হোসেন বলেন, ২০০৯ সালে আবু সাঈদ মেহেরপুরে ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনের একটি মামলা এজারভুক্ত হয়। এই মামলায় আবু সাঈদ অন্তত সাত মাস পর জামিনে আদালত থেকে ছাড়া পান। এরপর পরবর্তী অন্তত তিনবার তিনি আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন।
২০১০ সালের পর থেকে তিনি আর আদালতে হাজিরা দেননি। ২০১৭ সালে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং একই সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দেন। ২০১০ সাল থেকে আবু সাঈদ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার এড়াতে ভিন্ন জায়গায় পালিয়ে থাকেন। অবশেষে গতকাল রাতে সিরাজগঞ্জের র্যাবের সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আবু সাঈদ প্রথমে ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক ছিলেন। শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামে তাঁর নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি পার্শ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে বাসাবাড়ি তৈরি করেন।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ২০০৯ সালে ফেনসিডিলসহ আবু সাঈদ মেহেরপুর জেলায় গ্রেপ্তার হয়। ওই সময় তাঁর বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারায় মামলা করা হয়। পলাতক থাকা অবস্থায় এই মামলার ২০১৭ সালে মেহেরপুরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪ আদালত তাঁকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আজ রোববার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়ার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে