প্রতিনিধি

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা): কেন্দুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো মৌসুমের ধান কাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে গেছে গরু চুরির ঘটনা। গত দশ দিনে দুইটি ইউনিয়ন থেকে অন্তত ১৫টি গরু চুরি গেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোরো মৌসুমের ধান কাটা শেষ হওয়ার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গরু চোরের উপদ্রব বেড়েছে। গত দশ দিনে উপজেলার মাস্কা ও চিরাং ইউনিয়ন থেকে অন্তত ১৫টি গরু চুরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে গত বুধবার রাতে উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের বালিজুড়ামাইজ পাড়া গ্রামের সোহেল মিয়ার ছোট-বড় মিলিয়ে চারটি গরু চুরি যায়। এ ছাড়া ৬ জুন রাতে একই ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামের নুরুল হকের একটি ষাঁড়, দুটি গর্ভবতী গাভি ও দুটি বকনা বাছুরসহ পাঁচটি গরু চুরি হয়ে গেছে।
একইভাবে ১ জুন রাতে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের দুল্লী গ্রামের কৃষকের সেলিম আহমেদের গোয়ালঘর থেকে দুটি গাভি, একটি বকনা বাছুর ও দুটি ষাঁড় বাছুর চুরি গেছে। চুরি যাওয়া মোট পাঁচটি গরু দাম প্রায় দুই লাখ টাকা।
মাস্কা ও চিরাং ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অনেক কষ্টে গরু লালনপালন করেন তাঁরা। চোর গোয়ালঘর খালি করে নিয়ে গেছে। তাঁদের পথে বসিয়ে দিয়েছে গরু চোরেরা। নিরুপায় হয়ে গরু চুরি ঠেকাতে রাত জেগে এখন গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলার মাস্কা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এরই মধ্যে আমার ইউনিয়নেই একাধিক কৃষকের বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এলাকার কৃষকেরা এখন চরম আতঙ্কে আছেন। এ অবস্থায় কৃষকদের স্বার্থে গরু চুরি রোধ এবং চোরদের ধরতে থানা-পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।’
কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, এ ঘটনায় সড়কে থানা-পুলিশের টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনেও তল্লাশি জোরদার করা হচ্ছে। এ ছাড়া গ্রামাঞ্চলে গ্রাম পুলিশের পাহারা জোরদারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দুয়া (নেত্রকোনা): কেন্দুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো মৌসুমের ধান কাটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে গেছে গরু চুরির ঘটনা। গত দশ দিনে দুইটি ইউনিয়ন থেকে অন্তত ১৫টি গরু চুরি গেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোরো মৌসুমের ধান কাটা শেষ হওয়ার পর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গরু চোরের উপদ্রব বেড়েছে। গত দশ দিনে উপজেলার মাস্কা ও চিরাং ইউনিয়ন থেকে অন্তত ১৫টি গরু চুরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে গত বুধবার রাতে উপজেলার মাস্কা ইউনিয়নের বালিজুড়ামাইজ পাড়া গ্রামের সোহেল মিয়ার ছোট-বড় মিলিয়ে চারটি গরু চুরি যায়। এ ছাড়া ৬ জুন রাতে একই ইউনিয়নের পানগাঁও গ্রামের নুরুল হকের একটি ষাঁড়, দুটি গর্ভবতী গাভি ও দুটি বকনা বাছুরসহ পাঁচটি গরু চুরি হয়ে গেছে।
একইভাবে ১ জুন রাতে উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের দুল্লী গ্রামের কৃষকের সেলিম আহমেদের গোয়ালঘর থেকে দুটি গাভি, একটি বকনা বাছুর ও দুটি ষাঁড় বাছুর চুরি গেছে। চুরি যাওয়া মোট পাঁচটি গরু দাম প্রায় দুই লাখ টাকা।
মাস্কা ও চিরাং ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানান, অনেক কষ্টে গরু লালনপালন করেন তাঁরা। চোর গোয়ালঘর খালি করে নিয়ে গেছে। তাঁদের পথে বসিয়ে দিয়েছে গরু চোরেরা। নিরুপায় হয়ে গরু চুরি ঠেকাতে রাত জেগে এখন গোয়ালঘর পাহারা দিচ্ছেন তাঁরা।
উপজেলার মাস্কা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এরই মধ্যে আমার ইউনিয়নেই একাধিক কৃষকের বাড়িতে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। এলাকার কৃষকেরা এখন চরম আতঙ্কে আছেন। এ অবস্থায় কৃষকদের স্বার্থে গরু চুরি রোধ এবং চোরদের ধরতে থানা-পুলিশের তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।’
কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, এ ঘটনায় সড়কে থানা-পুলিশের টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন যানবাহনেও তল্লাশি জোরদার করা হচ্ছে। এ ছাড়া গ্রামাঞ্চলে গ্রাম পুলিশের পাহারা জোরদারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে