বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

কবীর সুমনের সঙ্গে আসিফ আকবরের যুগলবন্দী অনেক দিনের। ছোটবেলা থেকেই কবীর সুমনের গানের বড় ভক্ত আসিফ। সে মুগ্ধতা থেকেই একসময় তাঁর কথা ও সুরে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগও হয়। কবীর সুমনেরও ভালো লাগে আসিফের গায়কি। তাঁর জন্য বেশ কয়েকটি গান লেখেন সুমন।
‘সিরিয়ার ছেলে’, ‘পরোয়া করি না’, ‘আমার একার নয়’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারির ডাক’, ‘এই আকবর ঐ সুমন’, ‘লুকোনো মানিক’, ‘সুন্দরকেই মানি’, ‘এখনো সেই আসিফ আমি’ শিরোনামে কবীর সুমনের লেখা ও সুর করা গানগুলোতে কণ্ঠ দেন আসিফ। কয়েক বছর আগে প্রকাশ পায় সেসব গান। এবার কবীর সুমন-আসিফ আকবর জুটির গান পাওয়া যাবে সিনেমায়।
পারিবারিক গল্প নিয়ে ‘ঝামেলা’ নামের সিনেমা বানাচ্ছেন ইয়ামিন ইলান। এই সিনেমায় গান থাকবে ছয়টি। এর মধ্যে তিনটি কবীর সুমনের লেখা ও সুর করা। সংগীত পরিচালনা করেছেন উজ্জল সিনহা ও আজমির বাবু। গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ আকবর।
বাংলাদেশে কবীর সুমনের ভক্তের সংখ্যা কম নয়। গান শোনাতে বেশ কয়েকবার ঢাকায় এসেছেন তিনি। সেসব অনুষ্ঠানে শ্রোতারা ভিড় করে, মুগ্ধ হয়ে শুনেছেন সুমনের গান। তবে ঢাকাই সিনেমায় কখনো পাওয়া যায়নি কবীর সুমনকে। ইয়ামিন ইলানের ঝামেলা সিনেমা দিয়ে সে আক্ষেপ পূরণ হচ্ছে। এই প্রথম বাংলাদেশের সিনেমার জন্য গান লিখলেন ও সুর করলেন সুমন।
শুধু কবীর সুমনের লেখা ও সুর করা তিনটি গানেই নয়, ঝামেলা সিনেমার সব গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ আকবর। সবই তাঁর একক গান। এর আগে ‘রানী কুঠির বাকী ইতিহাস’ ও ‘গহীনের গান’ সিনেমার সব গান গেয়েছিলেন আসিফ।
ঝামেলা সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে দিয়া প্রোডাকশনসের ব্যানারে। প্রযোজনা করছেন দিয়া রইস। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ডলি জহুর, শ্যামল মাওলা, তানজিকা আমিন, রাশেদ মামুন অপু, কাজী নওশাবা আহমেদ, আবু হুরায়রা তানভীর, আবদুল্লাহ রানা, সাবেরি আলম, ইকবাল হোসেইন, দিয়া রইস, সাইফুর রহমান ইভান, রেজমিন সেতু, ফয়সাল বাপ্পী, ফারহানা ইয়াসমিন ইভা, জান্নাহ (শিশুশিল্পী), আদৃতা (শিশুশিল্পী), নাজনীন শবনম, ইসরাত রহমান, শাহেদ ওসমান রোমেল, রেশমা আহমেদ প্রমুখ।
ঝামেলা সিনেমা নিয়ে নির্মাতা ইয়ামিন ইলান বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশি সিনেমা। তামিল বা ভারতীয় আদলে বানানো নয়। গল্পটি মৌলিক ও পারিবারিক। ইতিমধ্যে দুই লটের শুটিং শেষ হয়েছে। ঢাকা ও গাজীপুরে শুটিং হচ্ছে।’
এ বছর কোনো এক ঈদে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানান নির্মাতা।

কবীর সুমনের সঙ্গে আসিফ আকবরের যুগলবন্দী অনেক দিনের। ছোটবেলা থেকেই কবীর সুমনের গানের বড় ভক্ত আসিফ। সে মুগ্ধতা থেকেই একসময় তাঁর কথা ও সুরে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগও হয়। কবীর সুমনেরও ভালো লাগে আসিফের গায়কি। তাঁর জন্য বেশ কয়েকটি গান লেখেন সুমন।
‘সিরিয়ার ছেলে’, ‘পরোয়া করি না’, ‘আমার একার নয়’, ‘একুশে ফেব্রুয়ারির ডাক’, ‘এই আকবর ঐ সুমন’, ‘লুকোনো মানিক’, ‘সুন্দরকেই মানি’, ‘এখনো সেই আসিফ আমি’ শিরোনামে কবীর সুমনের লেখা ও সুর করা গানগুলোতে কণ্ঠ দেন আসিফ। কয়েক বছর আগে প্রকাশ পায় সেসব গান। এবার কবীর সুমন-আসিফ আকবর জুটির গান পাওয়া যাবে সিনেমায়।
পারিবারিক গল্প নিয়ে ‘ঝামেলা’ নামের সিনেমা বানাচ্ছেন ইয়ামিন ইলান। এই সিনেমায় গান থাকবে ছয়টি। এর মধ্যে তিনটি কবীর সুমনের লেখা ও সুর করা। সংগীত পরিচালনা করেছেন উজ্জল সিনহা ও আজমির বাবু। গানগুলোতে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ আকবর।
বাংলাদেশে কবীর সুমনের ভক্তের সংখ্যা কম নয়। গান শোনাতে বেশ কয়েকবার ঢাকায় এসেছেন তিনি। সেসব অনুষ্ঠানে শ্রোতারা ভিড় করে, মুগ্ধ হয়ে শুনেছেন সুমনের গান। তবে ঢাকাই সিনেমায় কখনো পাওয়া যায়নি কবীর সুমনকে। ইয়ামিন ইলানের ঝামেলা সিনেমা দিয়ে সে আক্ষেপ পূরণ হচ্ছে। এই প্রথম বাংলাদেশের সিনেমার জন্য গান লিখলেন ও সুর করলেন সুমন।
শুধু কবীর সুমনের লেখা ও সুর করা তিনটি গানেই নয়, ঝামেলা সিনেমার সব গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আসিফ আকবর। সবই তাঁর একক গান। এর আগে ‘রানী কুঠির বাকী ইতিহাস’ ও ‘গহীনের গান’ সিনেমার সব গান গেয়েছিলেন আসিফ।
ঝামেলা সিনেমাটি তৈরি হচ্ছে দিয়া প্রোডাকশনসের ব্যানারে। প্রযোজনা করছেন দিয়া রইস। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন ডলি জহুর, শ্যামল মাওলা, তানজিকা আমিন, রাশেদ মামুন অপু, কাজী নওশাবা আহমেদ, আবু হুরায়রা তানভীর, আবদুল্লাহ রানা, সাবেরি আলম, ইকবাল হোসেইন, দিয়া রইস, সাইফুর রহমান ইভান, রেজমিন সেতু, ফয়সাল বাপ্পী, ফারহানা ইয়াসমিন ইভা, জান্নাহ (শিশুশিল্পী), আদৃতা (শিশুশিল্পী), নাজনীন শবনম, ইসরাত রহমান, শাহেদ ওসমান রোমেল, রেশমা আহমেদ প্রমুখ।
ঝামেলা সিনেমা নিয়ে নির্মাতা ইয়ামিন ইলান বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশি সিনেমা। তামিল বা ভারতীয় আদলে বানানো নয়। গল্পটি মৌলিক ও পারিবারিক। ইতিমধ্যে দুই লটের শুটিং শেষ হয়েছে। ঢাকা ও গাজীপুরে শুটিং হচ্ছে।’
এ বছর কোনো এক ঈদে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানান নির্মাতা।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত পরিকল্পনাকারী ও তাঁদের...
১ দিন আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১৪ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৪ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৫ দিন আগে