আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়। সেই অস্থিরতার পারদে বাড়তি মাত্রা যুক্ত করেছে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। এবার, একই ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ইরানকে ঘিরে। আর এই উদ্বেগের পালে হাওয়া দিয়েছে মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেয়ার করা একটি ছবি ও তার ক্যাপশন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাঁকে ‘Make Iran Great Again বা ইরানকে আবার মহান করে তুলুন’ লেখা একটি টুপি ধরে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং কট্টরপন্থী পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী গ্রাহাম সোমবার এক্সে ছবিটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ট্রাম্প দেশের ভেতরে ও বাইরে আমেরিকাকে আরও শক্তিশালী করেছেন। রিপাবলিকান এই সিনেটর আরও লেখেন, ‘ঈশ্বর আমাদের প্রধান সেনাপতি এবং তাঁর অধীনে কর্মরত সব সাহসী নারী-পুরুষের মঙ্গল করুন। আমি একজন আমেরিকান হিসেবে গর্বিত। ঈশ্বর ইরানের সেই সাহসী মানুষদের হায় হোন এবং রক্ষা করুন, যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।’
টুপিটিতে ট্রাম্পের বিখ্যাত স্লোগান ‘আমেরিকাকে আবার মহান করে তুলুন’ কিছুটা পৃথকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী অপহরণ করার পর ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির মধ্যেই এই ছবি প্রকাশ্যে এল। উল্লেখ্য, মাদুরো তেহরানের অন্যতম মিত্র।
গত রোববার রাতে ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন ডিসি যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্রমণের সময় গ্রাহাম ছবিটি তুলেছিলেন। এর আগে একটি সাক্ষাৎকারে ওই একই টুপি দেখিয়ে গ্রাহাম ইরান সরকারকে উৎখাতের পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন।

সিনেটর গ্রাহাম বলেন, ইরানজুড়ে চলা বিক্ষিপ্ত আন্দোলনের মধ্যে ট্রাম্প ‘ইরানের জনগণের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেননি।’ ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাথায় টুপিটি পরে তিনি বলেন, ‘আমি প্রার্থনা ও আশা করি, ২০২৬ সাল হবে সেই বছর যখন আমরা ইরানকে আবার মহান করে তুলব।’ টুপিটিতে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগের ইরানি পতাকাও দেখা গেছে।
রোববার ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘তারা যদি অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তবে আমি মনে করি—তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খুব কঠোর আঘাত পাবে।’
মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কট্টরপন্থীরা নিজেদের ইরানি বিক্ষোভকারীদের সমর্থক হিসেবে দাবি করলেও, গত জুনে ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে তারা সমর্থন জানিয়েছিলেন। ওই হামলায় শত শত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়। ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এসব হুমকিকে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন, তারা যেকোনো মার্কিন হামলা মোকাবিলা করবেন।
কারাকাস থেকে মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক্সে লিখেন, ‘আমরা শত্রুর কাছে নতি স্বীকার করব না। আমরা শত্রুকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করব।’ গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছিল। জবাবে ইরান দোহার একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে স্থাপনাটির ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ওই হামলার কিছুক্ষণ পরই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
তবে গত সপ্তাহে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বা ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার নতুন করে গড়ার চেষ্টা করে, তবে তিনি আবারও যুদ্ধ শুরু করবেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুনতে পাচ্ছি ইরান আবার মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদি তারা তেমনটা করে, তবে আমাদের তাদের গুঁড়িয়ে দিতে হবে। আমরা তাদের প্রচণ্ড আঘাত করব।’
এই অবস্থায় ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের এই দুঃসাহসিক অভিযানের পর গুঞ্জন উঠেছে যে, ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে ইরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা তৈরি হয়। সেই অস্থিরতার পারদে বাড়তি মাত্রা যুক্ত করেছে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা। এবার, একই ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ইরানকে ঘিরে। আর এই উদ্বেগের পালে হাওয়া দিয়েছে মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেয়ার করা একটি ছবি ও তার ক্যাপশন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি প্রকাশ করেছেন, যেখানে তাঁকে ‘Make Iran Great Again বা ইরানকে আবার মহান করে তুলুন’ লেখা একটি টুপি ধরে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনা ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং কট্টরপন্থী পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাসী গ্রাহাম সোমবার এক্সে ছবিটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বলেন, ট্রাম্প দেশের ভেতরে ও বাইরে আমেরিকাকে আরও শক্তিশালী করেছেন। রিপাবলিকান এই সিনেটর আরও লেখেন, ‘ঈশ্বর আমাদের প্রধান সেনাপতি এবং তাঁর অধীনে কর্মরত সব সাহসী নারী-পুরুষের মঙ্গল করুন। আমি একজন আমেরিকান হিসেবে গর্বিত। ঈশ্বর ইরানের সেই সাহসী মানুষদের হায় হোন এবং রক্ষা করুন, যারা স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।’
টুপিটিতে ট্রাম্পের বিখ্যাত স্লোগান ‘আমেরিকাকে আবার মহান করে তুলুন’ কিছুটা পৃথকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী অপহরণ করার পর ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্পের ক্রমাগত হুমকির মধ্যেই এই ছবি প্রকাশ্যে এল। উল্লেখ্য, মাদুরো তেহরানের অন্যতম মিত্র।
গত রোববার রাতে ফ্লোরিডা থেকে ওয়াশিংটন ডিসি যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ট্রাম্পের সঙ্গে ভ্রমণের সময় গ্রাহাম ছবিটি তুলেছিলেন। এর আগে একটি সাক্ষাৎকারে ওই একই টুপি দেখিয়ে গ্রাহাম ইরান সরকারকে উৎখাতের পক্ষে যুক্তি দিয়েছিলেন।

সিনেটর গ্রাহাম বলেন, ইরানজুড়ে চলা বিক্ষিপ্ত আন্দোলনের মধ্যে ট্রাম্প ‘ইরানের জনগণের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেননি।’ ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাথায় টুপিটি পরে তিনি বলেন, ‘আমি প্রার্থনা ও আশা করি, ২০২৬ সাল হবে সেই বছর যখন আমরা ইরানকে আবার মহান করে তুলব।’ টুপিটিতে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের আগের ইরানি পতাকাও দেখা গেছে।
রোববার ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী যদি বিক্ষোভকারীদের হত্যা করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘তারা যদি অতীতের মতো মানুষ হত্যা শুরু করে, তবে আমি মনে করি—তারা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে খুব কঠোর আঘাত পাবে।’
মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির কট্টরপন্থীরা নিজেদের ইরানি বিক্ষোভকারীদের সমর্থক হিসেবে দাবি করলেও, গত জুনে ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলাকে তারা সমর্থন জানিয়েছিলেন। ওই হামলায় শত শত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়। ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের এসব হুমকিকে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং সতর্ক করেছেন, তারা যেকোনো মার্কিন হামলা মোকাবিলা করবেন।
কারাকাস থেকে মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এক্সে লিখেন, ‘আমরা শত্রুর কাছে নতি স্বীকার করব না। আমরা শত্রুকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করব।’ গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছিল। জবাবে ইরান দোহার একটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যাতে স্থাপনাটির ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ওই হামলার কিছুক্ষণ পরই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
তবে গত সপ্তাহে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি বা ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার নতুন করে গড়ার চেষ্টা করে, তবে তিনি আবারও যুদ্ধ শুরু করবেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি শুনতে পাচ্ছি ইরান আবার মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। যদি তারা তেমনটা করে, তবে আমাদের তাদের গুঁড়িয়ে দিতে হবে। আমরা তাদের প্রচণ্ড আঘাত করব।’
এই অবস্থায় ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের এই দুঃসাহসিক অভিযানের পর গুঞ্জন উঠেছে যে, ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে ইরান।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৪ দিন আগে