আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইরানে চলমান গণবিক্ষোভের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হুমকির মুখে সুর নরম করেছে ইরান। সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া ওই যুবকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছেন দেশটির বিচার বিভাগ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২৬ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম এরফান সোলতানি। তাঁকে ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত শহর ফারদিসের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংগঠন হেনগাও জানায়, গ্রেপ্তারের কয়েক দিনের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে জানায়, বুধবার তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। তবে সেই সময় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা আদালতের রায়ের কপি পরিবারকে দেওয়া হয়নি।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হেনগাও আরেক বিবৃতিতে জানায়, সোলতানিকে নিয়ে এখনো গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তবে আত্মীয়দের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, আপাতত তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখা হয়েছে।
এর পরদিন অর্থাৎ আজ বৃহস্পতিবার ইরানের বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, এরফান সোলতানিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। বিচার বিভাগের দাবি অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো নিরাপত্তাসংক্রান্ত এবং সেগুলোর সর্বোচ্চ শাস্তি কারাদণ্ড, মৃত্যুদণ্ড নয়। বর্তমানে এরফানকে তেহরানের উপকণ্ঠে কারাজ শহরের সেন্ট্রাল পেনিতেনশিয়ারি বা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।
এদিকে এরফান সোলতানির ঘটনাটি কয়েক দিন ধরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় তাঁকে একটি গোপন কক্ষে রাখা হয় এবং দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গতকাল তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল।
এ খবর প্রকাশের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কোনো বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’ ট্রাম্পের এই বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও জানায়, এরফানের ফাঁসি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
এরফানের বোন একজন পেশাদার আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে তাঁর ভাইয়ের মামলার কোনো নথিপত্র দেখতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত দমনে ‘দ্রুত বিচার’ এবং ‘মৃত্যুদণ্ডের হুমকি’ দিয়ে জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
কে এই এরফান সোলতানি
২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানি তেহরানের নিকটবর্তী কারাজ এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন পোশাক ব্যবসায়ী। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, তাঁর কোনো পূর্ব রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না। ৮ জানুয়ারি নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী। এরফানের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের মাত্র দুই দিনের মধ্যে কোনো আইনজীবী বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়াই তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

ইরানে চলমান গণবিক্ষোভের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হুমকির মুখে সুর নরম করেছে ইরান। সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া ওই যুবকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছেন দেশটির বিচার বিভাগ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২৬ বছর বয়সী ওই যুবকের নাম এরফান সোলতানি। তাঁকে ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তেহরানের পশ্চিমে অবস্থিত শহর ফারদিসের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংগঠন হেনগাও জানায়, গ্রেপ্তারের কয়েক দিনের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ তাঁর পরিবারকে জানায়, বুধবার তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। তবে সেই সময় কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা আদালতের রায়ের কপি পরিবারকে দেওয়া হয়নি।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় হেনগাও আরেক বিবৃতিতে জানায়, সোলতানিকে নিয়ে এখনো গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তবে আত্মীয়দের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, আপাতত তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখা হয়েছে।
এর পরদিন অর্থাৎ আজ বৃহস্পতিবার ইরানের বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, এরফান সোলতানিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি। বিচার বিভাগের দাবি অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো নিরাপত্তাসংক্রান্ত এবং সেগুলোর সর্বোচ্চ শাস্তি কারাদণ্ড, মৃত্যুদণ্ড নয়। বর্তমানে এরফানকে তেহরানের উপকণ্ঠে কারাজ শহরের সেন্ট্রাল পেনিতেনশিয়ারি বা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।
এদিকে এরফান সোলতানির ঘটনাটি কয়েক দিন ধরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি অনুযায়ী, গ্রেপ্তারের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় তাঁকে একটি গোপন কক্ষে রাখা হয় এবং দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গতকাল তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল।
এ খবর প্রকাশের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যালে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কোনো বিক্ষোভকারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’ ট্রাম্পের এই বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও জানায়, এরফানের ফাঁসি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
এরফানের বোন একজন পেশাদার আইনজীবী হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে তাঁর ভাইয়ের মামলার কোনো নথিপত্র দেখতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ ভিন্নমত দমনে ‘দ্রুত বিচার’ এবং ‘মৃত্যুদণ্ডের হুমকি’ দিয়ে জনগণের মধ্যে ভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
কে এই এরফান সোলতানি
২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানি তেহরানের নিকটবর্তী কারাজ এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন পোশাক ব্যবসায়ী। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, তাঁর কোনো পূর্ব রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না। ৮ জানুয়ারি নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইরানি নিরাপত্তা বাহিনী। এরফানের পরিবারের অভিযোগ, গ্রেপ্তারের মাত্র দুই দিনের মধ্যে কোনো আইনজীবী বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ ছাড়াই তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে