কালিয়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়ায় সাথী বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর গৃহবধূকে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামীসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত গৃহবধূর স্বামী নাসির মৃধা (২৬) ও নাসিরের ভাবি লাবনী বেগমকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। এদিকে নাসিরের পরিবারের বাকি সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। নাসির উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ওমর মৃধার ছেলে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত সাথী বেগম কালিয়া উপজেলার বাহিরডাঙা গ্রামের মো. ফসিয়ার মোল্লার মেয়ে। তার সাত মাস বয়সের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
নিহতের ভাই সবুজ মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রায় দুই বছর আগে নাসিরের সঙ্গে আমার বোন সাথীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের মধ্যে কলোহ-বিবাদ লেগেই থাকত। প্রথমে সাথী কাউকে কিছু না জানালেও এক সময় নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রতিবেশী এক নারীর সাথে তার স্বামী নাসিরের পরকীয়ার বিষয়টি ফাঁস করে দেয়।’
নিহতের ভাই আরও জানান, এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নাসির তাদের ফোনে সাথীর মৃত্যুর খবর জানায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জানতে পারেন স্বামীর পরকীয়ার ঘটনা ফাঁস করার কারণে নাসির ও তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁর বোনকে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখেন।
কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেছেন, গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় কালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী নাসির ও নাসিরে ভাবি লাবনী বেগমকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে ফলাফল পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নড়াইলের কালিয়ায় সাথী বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর গৃহবধূকে গাছে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্বামীসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের চন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত গৃহবধূর স্বামী নাসির মৃধা (২৬) ও নাসিরের ভাবি লাবনী বেগমকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। এদিকে নাসিরের পরিবারের বাকি সদস্যরা পলাতক রয়েছেন। নাসির উপজেলার চন্দ্রপুর গ্রামের মৃত ওমর মৃধার ছেলে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত সাথী বেগম কালিয়া উপজেলার বাহিরডাঙা গ্রামের মো. ফসিয়ার মোল্লার মেয়ে। তার সাত মাস বয়সের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।
নিহতের ভাই সবুজ মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, ‘প্রায় দুই বছর আগে নাসিরের সঙ্গে আমার বোন সাথীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের মধ্যে কলোহ-বিবাদ লেগেই থাকত। প্রথমে সাথী কাউকে কিছু না জানালেও এক সময় নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রতিবেশী এক নারীর সাথে তার স্বামী নাসিরের পরকীয়ার বিষয়টি ফাঁস করে দেয়।’
নিহতের ভাই আরও জানান, এরই মধ্যে গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে নাসির তাদের ফোনে সাথীর মৃত্যুর খবর জানায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা জানতে পারেন স্বামীর পরকীয়ার ঘটনা ফাঁস করার কারণে নাসির ও তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁর বোনকে হত্যার পর গাছে ঝুলিয়ে রাখেন।
কালিয়া থানার ওসি শেখ কনি মিয়া বলেছেন, গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় কালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী নাসির ও নাসিরে ভাবি লাবনী বেগমকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তে ফলাফল পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১০ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১১ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২১ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ দিন আগে