কালিয়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

নড়াইলের কালিয়ায় এক ব্যবসায়ীকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি পরিবর্তনে সহযোগিতা করার অভিযোগে জুতা ব্যবসায়ী কামরুল শেখকে (৪০) বাদ পড়া সভাপতি ও তাঁর সমর্থকেরা কুপিয়ে হত্যা করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদের গুরুতর অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
ব্যবসায়ী কামরুল পুরুলিয়া গ্রামের মৃত রশিদ শেখের ছেলে। স্থানীয় চাচুড়ি বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের পূর্বপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন শাহাদত সর্দার। মাসখানেক আগে তাঁকে বাদ দিয়ে একই গ্রামের মো. কিসলু শেখকে সভাপতি নির্বাচিত করেন মুসল্লিরা। সেই ঘটনার জের ধরে গত ২৪ জুন জুমার নামাজের পর কিসলু শেখের সমর্থক সবুর শেখ এবং সাহাদত সর্দারের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে কয়েক দিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। গতকাল সকাল ৭টার দিকে সাহাদত সর্দারের সমর্থকেরা কিসলু গ্রুপের সমর্থক কামরুল শেখের বাড়িতে অতর্কিতে হামলা চালায়। ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত কামরুলকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় কামরুলের ভাই জাকির শেখ (৫০) ও ইমরুল শেখ (৩৫) এবং চাচাতো ভাই মানসুর শেখ (৪০) ও মঞ্জুর শেখ (৩৪) এবং চাচা সবুর শেখ (৬০) গুরুতর জখম হন। তাঁদের প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই কামরুলের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
কামরুলের বোন মাছুরা বেগম বলেন, ‘কামরুল বিদেশে চাকরি করতে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট ভিসাসহ সব কাগজপত্র ঠিক করেছিল। হঠাৎ করেই ওরা ঘরের মধ্যে ঢুকে ঘুমন্ত ভাইকে কুপিয়ে খুন করেছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কালিয়া থানার ওসি শেখ তাসমীম আলম বলেন, ‘ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের চান মিয়া সর্দারের ছেলে জামাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

নড়াইলের কালিয়ায় এক ব্যবসায়ীকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি পরিবর্তনে সহযোগিতা করার অভিযোগে জুতা ব্যবসায়ী কামরুল শেখকে (৪০) বাদ পড়া সভাপতি ও তাঁর সমর্থকেরা কুপিয়ে হত্যা করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। আহতদের গুরুতর অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে আটক করেছে।
ব্যবসায়ী কামরুল পুরুলিয়া গ্রামের মৃত রশিদ শেখের ছেলে। স্থানীয় চাচুড়ি বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামের পূর্বপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন শাহাদত সর্দার। মাসখানেক আগে তাঁকে বাদ দিয়ে একই গ্রামের মো. কিসলু শেখকে সভাপতি নির্বাচিত করেন মুসল্লিরা। সেই ঘটনার জের ধরে গত ২৪ জুন জুমার নামাজের পর কিসলু শেখের সমর্থক সবুর শেখ এবং সাহাদত সর্দারের সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে কয়েক দিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। গতকাল সকাল ৭টার দিকে সাহাদত সর্দারের সমর্থকেরা কিসলু গ্রুপের সমর্থক কামরুল শেখের বাড়িতে অতর্কিতে হামলা চালায়। ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত কামরুলকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ সময় কামরুলের ভাই জাকির শেখ (৫০) ও ইমরুল শেখ (৩৫) এবং চাচাতো ভাই মানসুর শেখ (৪০) ও মঞ্জুর শেখ (৩৪) এবং চাচা সবুর শেখ (৬০) গুরুতর জখম হন। তাঁদের প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই কামরুলের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
কামরুলের বোন মাছুরা বেগম বলেন, ‘কামরুল বিদেশে চাকরি করতে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট ভিসাসহ সব কাগজপত্র ঠিক করেছিল। হঠাৎ করেই ওরা ঘরের মধ্যে ঢুকে ঘুমন্ত ভাইকে কুপিয়ে খুন করেছে।’
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কালিয়া থানার ওসি শেখ তাসমীম আলম বলেন, ‘ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একই গ্রামের চান মিয়া সর্দারের ছেলে জামাল হোসেনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৭ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ দিন আগে