কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় রবিউল ইসলাম নামের এক স্কুলশিক্ষক হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত সোমবার রাতের বিভিন্ন সময় ঢাকা, মাদারীপুর এবং কুষ্টিয়ায় র্যাবের অভিযানে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের মিডিয়া কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া ইবি থানার রনজিতপুর এলাকার মোকাদ্দেস আলীর ছেলে মো. দেলবার (৭০), তাঁর ভাই মো. ফিরোজ (৬৫), ফিরোজের ছেলে মো. সবুজ (৩০) ও ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার সিরামপুর এলাকার রফিউদ্দিনের ছেলে মো. হেলাল (৩৫)।
সংবাদ সম্মেলনে স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান জানান, ২০০৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর পূর্বশত্রুতার জেরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার রনজিতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর বাদী হয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে এ বছরের ৩ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম আসামিদের অনুপস্থিতিতেই মামলার ৭ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সাত আসামি আত্মগোপনে ছিলেন।
স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান আরও বলেন, রায় ঘোষণার পর থেকেই র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা এই মামলার আসামিদের ধরতে কাজ শুরু করেন। পরে মাদারীপুর র্যাব-০৮ সিপিসি-০৩-এর সহযোগিতায় আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

কুষ্টিয়ায় রবিউল ইসলাম নামের এক স্কুলশিক্ষক হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত সোমবার রাতের বিভিন্ন সময় ঢাকা, মাদারীপুর এবং কুষ্টিয়ায় র্যাবের অভিযানে ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের মিডিয়া কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া ইবি থানার রনজিতপুর এলাকার মোকাদ্দেস আলীর ছেলে মো. দেলবার (৭০), তাঁর ভাই মো. ফিরোজ (৬৫), ফিরোজের ছেলে মো. সবুজ (৩০) ও ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার সিরামপুর এলাকার রফিউদ্দিনের ছেলে মো. হেলাল (৩৫)।
সংবাদ সম্মেলনে স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান জানান, ২০০৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর পূর্বশত্রুতার জেরে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার রনজিতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের শ্বশুর বাদী হয়ে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে এ বছরের ৩ জানুয়ারি কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মো. তাজুল ইসলাম আসামিদের অনুপস্থিতিতেই মামলার ৭ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই সাত আসামি আত্মগোপনে ছিলেন।
স্কোয়াড্রন লিডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান আরও বলেন, রায় ঘোষণার পর থেকেই র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের সদস্যরা এই মামলার আসামিদের ধরতে কাজ শুরু করেন। পরে মাদারীপুর র্যাব-০৮ সিপিসি-০৩-এর সহযোগিতায় আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৬ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে