ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন কামরুল মাতুব্বর (৩২) ও ছলেমান শরীফ (৩৫)। তাদের উভয়ের বাড়ি জান্দি গ্রামে। এ সময় আমিনুল নামের আরও একজন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, স্থানীয় বাজার থেকে মোটরসাইকেলে তাঁরা তিনজন বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তাঁদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়।
এলাকাবাসী জানায়, জান্দি গ্রামে দুটি গ্রুপের দুজন নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এক গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন নিহত কামরুল মাতুব্বর ও অন্য গ্রুপের নেতৃত্ব দেন জামাল শেখ। এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে এই দুজনের মধ্যে কোন্দল চলছিল। গত দুই সপ্তাহ ধরে জামাল গ্রুপের কয়েকজন সমর্থক কামরুল মাতুব্বরের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন জামাল।
সেই জের ধরে ঘটনার রাতে স্থানীয় পোদ্দার বাজার থেকে আমিনের মোটরসাইকেলে কামরুল, ছলেমান, আমিনুল বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তায় ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষ জামালসহ গ্রুপের আনুমানিক ১৫ জন তাঁদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালান।
এ সময় ঘটনাস্থলে ছলেমান শরীফ নিহত হন। গুরুতর আহত কামরুল মাতুব্বরকে রাতেই স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে গাড়িতেই রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। আর চালক আমিনুল গাড়ি ফেলে দৌড়ে প্রাণে বাঁচেন। তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ফাহিমা কাদের চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেকজন মারা যান। এই হামলার সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতেরা হলেন কামরুল মাতুব্বর (৩২) ও ছলেমান শরীফ (৩৫)। তাদের উভয়ের বাড়ি জান্দি গ্রামে। এ সময় আমিনুল নামের আরও একজন আহত হয়েছেন।
জানা যায়, স্থানীয় বাজার থেকে মোটরসাইকেলে তাঁরা তিনজন বাড়ি ফিরছিলেন। পথে তাঁদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়।
এলাকাবাসী জানায়, জান্দি গ্রামে দুটি গ্রুপের দুজন নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এক গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন নিহত কামরুল মাতুব্বর ও অন্য গ্রুপের নেতৃত্ব দেন জামাল শেখ। এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে এই দুজনের মধ্যে কোন্দল চলছিল। গত দুই সপ্তাহ ধরে জামাল গ্রুপের কয়েকজন সমর্থক কামরুল মাতুব্বরের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হন জামাল।
সেই জের ধরে ঘটনার রাতে স্থানীয় পোদ্দার বাজার থেকে আমিনের মোটরসাইকেলে কামরুল, ছলেমান, আমিনুল বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তায় ওত পেতে থাকা প্রতিপক্ষ জামালসহ গ্রুপের আনুমানিক ১৫ জন তাঁদের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালান।
এ সময় ঘটনাস্থলে ছলেমান শরীফ নিহত হন। গুরুতর আহত কামরুল মাতুব্বরকে রাতেই স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে গাড়িতেই রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। আর চালক আমিনুল গাড়ি ফেলে দৌড়ে প্রাণে বাঁচেন। তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ফাহিমা কাদের চৌধুরী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরেকজন মারা যান। এই হামলার সঙ্গে যাঁরা জড়িত তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৫ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৫ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৬ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯ দিন আগে