কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক গৃহবধূ (১৯) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আজ বুধবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্বামী লাল চান মিয়াসহ (৩১) চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন রন্টু চৌকিদার (৪০), নাসিরুদ্দীন (৩৮) ও শরীফ মিয়া (৩২)।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ মাস আগে লাল চান মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় পিতৃহীন ওই গৃহবধূর। বিয়ের পর থেকে লাল চান মিয়া তাঁর স্ত্রীকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানোর চেষ্টায় লিপ্ত হন। কিন্তু নানা কৌশলে গৃহবধূ নিজেকে রক্ষা করে আসছিলেন। এ পরিস্থিতিতে সোমবার (২৭ জুন) রাত ৮টার দিকে গৃহবধূ বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন। পথে শাহপুর রাস্তার মোড় থেকে তাঁকে তুলে পার্শ্ববর্তী জমিতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে ছয়-সাতজন। পরে গতকাল সকালে ওই গৃহবধূকে তারা রাস্তায় ফেলে যায়। স্থানীয় লোকজন গৃহবধূকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দিবাগত রাত ২টার দিকে গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর মামা বাদী হয়ে স্বামী লাল চান মিয়াসহ সাতজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত তিন-চারজনকে আসামি করে আজ বুধবার নিকলী থানায় মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনসুর আলী আরিফ বলেন, ‘গৃহবধূ মারা যাওয়ার আগে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে সংঘবদ্ধ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনের নাম জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে রনি মিয়া ছাড়া বাকি চারজনকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে। রনি মিয়াসহ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।’

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়ে এক গৃহবধূ (১৯) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এর আগে গত সোমবার দিবাগত রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় আজ বুধবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্বামী লাল চান মিয়াসহ (৩১) চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার অন্য তিনজন হলেন রন্টু চৌকিদার (৪০), নাসিরুদ্দীন (৩৮) ও শরীফ মিয়া (৩২)।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৯ মাস আগে লাল চান মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় পিতৃহীন ওই গৃহবধূর। বিয়ের পর থেকে লাল চান মিয়া তাঁর স্ত্রীকে দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানোর চেষ্টায় লিপ্ত হন। কিন্তু নানা কৌশলে গৃহবধূ নিজেকে রক্ষা করে আসছিলেন। এ পরিস্থিতিতে সোমবার (২৭ জুন) রাত ৮টার দিকে গৃহবধূ বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন। পথে শাহপুর রাস্তার মোড় থেকে তাঁকে তুলে পার্শ্ববর্তী জমিতে নিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে ছয়-সাতজন। পরে গতকাল সকালে ওই গৃহবধূকে তারা রাস্তায় ফেলে যায়। স্থানীয় লোকজন গৃহবধূকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দিবাগত রাত ২টার দিকে গৃহবধূর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর মামা বাদী হয়ে স্বামী লাল চান মিয়াসহ সাতজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত তিন-চারজনকে আসামি করে আজ বুধবার নিকলী থানায় মামলা করেছেন।
এ বিষয়ে নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনসুর আলী আরিফ বলেন, ‘গৃহবধূ মারা যাওয়ার আগে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে সংঘবদ্ধ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনের নাম জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে রনি মিয়া ছাড়া বাকি চারজনকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছে। রনি মিয়াসহ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫