প্রতিনিধি

নরসিংদী: নরসিংদীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সদরের শালিধা এলাকার মদনগঞ্জ রোডে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় নরসিংদী জেলা পুলিশ।
আটকেরা হলেন, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার বারারিয়া পাড়ার মৃত কৈলাশ দেবনাথের পুত্র বিজয় দেবনাথ (৪১), শিবপুরের ভিটিপাড়া এলাকার মৃত সালাম খানের পুত্র মোকলেছুর রহমান মুকুল (৫৫), মাধবদীর বালাপুরের নুরুল ইসলামের পুত্র আাকরাম (২১), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার নিকুঞ্জ দাসের পুত্র সঞ্জীত দাস (৩২), রায়পুরার বাহেরচরের ভিকচান মোল্লার পুত্র রাসেল আহাম্মেদ রাজ (২৭), একই উপজেলার চরসুবুদ্ধি মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের পুত্র জুয়েল (২৪), নরসিংদী সদরের করিমপুর গ্রামের মোস্তফা ভূঁইয়ার পুত্র মো. আল আমিন ভুইয়া (১৯), একই গ্রামের মনির হোসেনের পুত্র আফজাল মিয়া (২৩)।
জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুটার দিকে শালিধা সাকিনস্থ মদনগঞ্জ রোডে ১৬ থেকে ১৭ জনের একটি ডাকাত দল সিএনজি নিয়ে ডাকাতি করার উদ্দেশে অবস্থান করছিল। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আটজনকে আটক করা হয়। আটকদের কাছ থেকে একটি সিএনজি, দুটি রামদা, একটি চাপাতি, দুটি দা, একটি কাটার, একটি স্ক্রু ড্রাইভার এবং রশি উদ্ধার করা হয়।
নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, ডিবি পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানের ফলে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় আসামিদের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ আটক করা সম্ভব হয়েছে। তাদের সহযোগী পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

নরসিংদী: নরসিংদীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ আটজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সদরের শালিধা এলাকার মদনগঞ্জ রোডে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করা হয়।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় নরসিংদী জেলা পুলিশ।
আটকেরা হলেন, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার বারারিয়া পাড়ার মৃত কৈলাশ দেবনাথের পুত্র বিজয় দেবনাথ (৪১), শিবপুরের ভিটিপাড়া এলাকার মৃত সালাম খানের পুত্র মোকলেছুর রহমান মুকুল (৫৫), মাধবদীর বালাপুরের নুরুল ইসলামের পুত্র আাকরাম (২১), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার নিকুঞ্জ দাসের পুত্র সঞ্জীত দাস (৩২), রায়পুরার বাহেরচরের ভিকচান মোল্লার পুত্র রাসেল আহাম্মেদ রাজ (২৭), একই উপজেলার চরসুবুদ্ধি মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের পুত্র জুয়েল (২৪), নরসিংদী সদরের করিমপুর গ্রামের মোস্তফা ভূঁইয়ার পুত্র মো. আল আমিন ভুইয়া (১৯), একই গ্রামের মনির হোসেনের পুত্র আফজাল মিয়া (২৩)।
জেলা পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত দুটার দিকে শালিধা সাকিনস্থ মদনগঞ্জ রোডে ১৬ থেকে ১৭ জনের একটি ডাকাত দল সিএনজি নিয়ে ডাকাতি করার উদ্দেশে অবস্থান করছিল। এরপর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি দল অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আটজনকে আটক করা হয়। আটকদের কাছ থেকে একটি সিএনজি, দুটি রামদা, একটি চাপাতি, দুটি দা, একটি কাটার, একটি স্ক্রু ড্রাইভার এবং রশি উদ্ধার করা হয়।
নরসিংদী জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি মোহাম্মদ আবুল বাসার বলেন, ডিবি পুলিশের তাৎক্ষণিক অভিযানের ফলে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় আসামিদের দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ আটক করা সম্ভব হয়েছে। তাদের সহযোগী পলাতক ডাকাতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তাদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে