নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের দায়ে অনলাইন জুয়া ক্যাসিনো কারবারের মূল হোতা ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮-এর বিচারক বদরুল আলম এ রায় দেন।
রায়ে মানি লন্ডারিং আইনে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সেলিম প্রধানকে আরও ছয় মাসের কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। ১ লাখ টাকা জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁকে আরও এক মাস কারা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।
রায় ঘোষণার সময় সেলিম প্রধানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত সেলিমের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন করেন।
২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছিল। এই উপপরিচালকই মামলাটি তদন্ত করে শেষ পর্যন্ত তাঁর নামে মোট ৫৭ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছেন। এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেলিম প্রধান ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতির মাধ্যমে ও ক্যাসিনো জুয়া খেলে সেলিম প্রধান মোট ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। ক্যাসিনো খেলে অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।
সেলিম জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপারসের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তাঁর ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা। তবে সেলিম প্রধানের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকার। এই টাকা তিনি অর্জন করেছেন অবৈধভাবে।
প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা। ২০১১ সালে মুনাফা করে ১ কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৮ কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম প্রধান তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন। তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ গ্রহণ করেছেন, সে সংক্রান্ত কোনো রেকর্ডপত্র নেই তাঁর কাছে। অর্থ পাচারের আরও একটি মামলাও তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন রয়েছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের দায়ে অনলাইন জুয়া ক্যাসিনো কারবারের মূল হোতা ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানকে আট বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮-এর বিচারক বদরুল আলম এ রায় দেন।
রায়ে মানি লন্ডারিং আইনে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে সেলিম প্রধানকে আরও ছয় মাসের কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে চার বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। ১ লাখ টাকা জরিমানা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁকে আরও এক মাস কারা ভোগ করতে হবে বলে রায়ে বলা হয়েছে। তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।
রায় ঘোষণার সময় সেলিম প্রধানকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর আদালত সেলিমের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন করেন।
২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছিল। এই উপপরিচালকই মামলাটি তদন্ত করে শেষ পর্যন্ত তাঁর নামে মোট ৫৭ কোটির বেশি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছেন। এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে সেলিম প্রধান ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে র্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতির মাধ্যমে ও ক্যাসিনো জুয়া খেলে সেলিম প্রধান মোট ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। ক্যাসিনো খেলে অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।
সেলিম জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপারসের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তাঁর ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা। তবে সেলিম প্রধানের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকার। এই টাকা তিনি অর্জন করেছেন অবৈধভাবে।
প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা। ২০১১ সালে মুনাফা করে ১ কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ৮ কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম প্রধান তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন। তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ গ্রহণ করেছেন, সে সংক্রান্ত কোনো রেকর্ডপত্র নেই তাঁর কাছে। অর্থ পাচারের আরও একটি মামলাও তাঁর বিরুদ্ধে বিচারাধীন রয়েছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৮ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৯ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৯ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২২ দিন আগে