সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানার পুলিশ। আজ রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) মো. জামাল শিকদার। এর আগে গতকাল শনিবার আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বিশ্বনাথপুর গ্রামের দাউদ মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লা (২৪), বরিশালের উজিরপুর থানার কুরুলিয়া গ্রামের মৃত পিটার বাড়ৈর ছেলে লিটন বাড়ৈ (৪৫) এবং লিটন বাড়ৈর ছেলে ইম্মানুয়েল প্রান্ত বাড়ৈ (২৭)।
পুলিশ জানান, হেজবুল্লাহর প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন রাসেল মোল্লা। কিছুদিন পর চাকরি ছেড়ে জাতীয় সংসদে অফিস সহকারী পদে চাকরি হয়েছে বলে জানান রাসেল। পরে অপর দুই সহযোগীর সঙ্গে হেজবুল্লাহকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার ফাঁদ সাজান তিনি। সেই ফাঁদে পা দেন হেজবুল্লাহ, মো. মাসুদ ও বিপ্লব হোসেন। তিনজনের চাকরির জন্য ১৮ লাখ টাকা চায় রাসেল মোল্লার প্রতারক চক্রটি।
পরে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে সর্বমোট ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা। তাঁরা জাতীয় সংসদের প্যাড ও লোগো-সংবলিত ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান করেন। এরপর তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানার পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।
আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) মো. জামাল শিকদার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক আরও বলেন, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে সংসদ ভবনের কর্মকর্তারাও বিষয়টি অবগত হয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানার পুলিশ। আজ রোববার গ্রেপ্তারকৃতদের পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) মো. জামাল শিকদার। এর আগে গতকাল শনিবার আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী থানার বিশ্বনাথপুর গ্রামের দাউদ মোল্লার ছেলে রাসেল মোল্লা (২৪), বরিশালের উজিরপুর থানার কুরুলিয়া গ্রামের মৃত পিটার বাড়ৈর ছেলে লিটন বাড়ৈ (৪৫) এবং লিটন বাড়ৈর ছেলে ইম্মানুয়েল প্রান্ত বাড়ৈ (২৭)।
পুলিশ জানান, হেজবুল্লাহর প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন রাসেল মোল্লা। কিছুদিন পর চাকরি ছেড়ে জাতীয় সংসদে অফিস সহকারী পদে চাকরি হয়েছে বলে জানান রাসেল। পরে অপর দুই সহযোগীর সঙ্গে হেজবুল্লাহকে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার ফাঁদ সাজান তিনি। সেই ফাঁদে পা দেন হেজবুল্লাহ, মো. মাসুদ ও বিপ্লব হোসেন। তিনজনের চাকরির জন্য ১৮ লাখ টাকা চায় রাসেল মোল্লার প্রতারক চক্রটি।
পরে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে সর্বমোট ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা। তাঁরা জাতীয় সংসদের প্যাড ও লোগো-সংবলিত ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদান করেন। এরপর তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আসামিদের গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানার পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।
আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) মো. জামাল শিকদার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাঁদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ পরিদর্শক আরও বলেন, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এরই মধ্যে সংসদ ভবনের কর্মকর্তারাও বিষয়টি অবগত হয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

রাজধানী ঢাকায় কোনো ‘হাইপ্রোফাইল’ (উঁচু স্তরের) কেউ খুন হলে বা অন্য কোনো আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে প্রায়ই পুলিশের ভাষ্যে উঠে আসে বিদেশে অবস্থানরত সন্ত্রাসী কিংবা ‘গডফাদারের’ নাম। দেশের বাইরে থাকা ব্যক্তিদের ওপর দায় চাপানোর কারণে অনেক ক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত
৩ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
১২ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১৩ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২৩ দিন আগে