নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর মালিবাগে ফরচুন শপিং মলে একটি জুয়েলারি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৫০০ ভরি স্বর্ণ চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ‘শম্পা জুয়েলার্স’ নামে ওই দোকানের মালিক। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে দুর্ধর্ষ এই চুরির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৩টার দিকে ফরচুন শপিং মলের লেভেল ২-এর ৩৪ নম্বর দোকান ‘শম্পা জুয়েলার্স’-এ চুরি হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, দুজন চোর বোরকা পরে এসে দোকানের শাটারের তালা কেটে দোকানে ঢুকছে।
দোকানটির মালিক অচিন্ত্য কুমার জানান, তাঁর দোকানে প্রায় ৪০০ ভরির জুয়েলারি এবং ১০০ ভরির বন্ধকি স্বর্ণসহ প্রায় ৪০ হাজার টাকা নগদ ছিল।
তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো বুধবার রাত ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। পরে সকালে দারোয়ানের ফোন পেয়ে এসে দেখি, সব খালি।’
খবর পেয়ে রমনা থানা-পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা শপিং মলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে চোরদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে।
রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ‘আমরা ফুটেজ পর্যালোচনা করছি এবং চোরদের ধরতে একাধিক দল মাঠে নেমেছে। শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তদন্ত করা হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীর ঘটনার সঙ্গে এ চুরির কোনো যোগসূত্র আছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও রাজধানীর শপিং মল থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ চুরির ঘটনায় দোকান মালিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত চোরদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে গত রোববার (৫ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ীতে একটি জুয়েলারি দোকানের দেয়াল কেটে প্রায় ১২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও পৌনে ৩ লাখ টাকা চুরি করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

রাজধানীর মালিবাগে ফরচুন শপিং মলে একটি জুয়েলারি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ৫০০ ভরি স্বর্ণ চুরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ‘শম্পা জুয়েলার্স’ নামে ওই দোকানের মালিক। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে দুর্ধর্ষ এই চুরির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ৩টার দিকে ফরচুন শপিং মলের লেভেল ২-এর ৩৪ নম্বর দোকান ‘শম্পা জুয়েলার্স’-এ চুরি হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, দুজন চোর বোরকা পরে এসে দোকানের শাটারের তালা কেটে দোকানে ঢুকছে।
দোকানটির মালিক অচিন্ত্য কুমার জানান, তাঁর দোকানে প্রায় ৪০০ ভরির জুয়েলারি এবং ১০০ ভরির বন্ধকি স্বর্ণসহ প্রায় ৪০ হাজার টাকা নগদ ছিল।
তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো বুধবার রাত ৯টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। পরে সকালে দারোয়ানের ফোন পেয়ে এসে দেখি, সব খালি।’
খবর পেয়ে রমনা থানা-পুলিশ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা শপিং মলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে চোরদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে।
রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ‘আমরা ফুটেজ পর্যালোচনা করছি এবং চোরদের ধরতে একাধিক দল মাঠে নেমেছে। শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও তদন্ত করা হচ্ছে। যাত্রাবাড়ীর ঘটনার সঙ্গে এ চুরির কোনো যোগসূত্র আছে কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও রাজধানীর শপিং মল থেকে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ চুরির ঘটনায় দোকান মালিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত চোরদের গ্রেপ্তার ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে গত রোববার (৫ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ীতে একটি জুয়েলারি দোকানের দেয়াল কেটে প্রায় ১২৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও পৌনে ৩ লাখ টাকা চুরি করে দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে