নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ‘হাদি সমাবেশ’ করার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ ঘোষণা দেন।
এর আগে জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে এসে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তাঁরা।
এক সপ্তাহের মধ্যে ‘হাদি সমাবেশের’ ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান জাবের। তিনি বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে হাদি সমাবেশ করব। সেখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে। তারিখ ও সময় পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। সমাবেশ থেকে একটাই বার্তা দেব—দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে যারা যাবে, তারা কোনো দিন দেশের মাটিতে আশ্রয় পাবে না। দেশের মাটিতে তাদের জানাজা পর্যন্ত হবে না।’
সব রাজনৈতিক দলকে এই সমাবেশে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে উল্লেখ করে জাবের বলেন, ‘সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে যাব। সমাবেশের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কী চায়, সেটি নিশ্চিত হয়ে যাব। এরপর আমরা ৩০০ আসনে ইনসাফের জন্য ছড়িয়ে–ছিটিয়ে যাব। আমরা কোনো বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, চরমোনাই চিনি না, আমরা শুধু চিনি ইনসাফ।’
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহযোগিতা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘প্রতি পদে পদে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের অসহযোগিতা করা হচ্ছে। যখনই রাষ্ট্রের যাদেরই বলতে যাই, বলে, এটা আমার দায়িত্ব না, এটা অমুকের দায়িত্ব। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বললে আইনজীবীকে দেখায়া দেয়। আইন উপদেষ্টাকে বললে আদালত দেখায়া দেয়।’
নাম উল্লেখ না করে অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তিকে সতর্ক করে জাবের বলেন, ‘ক্ষমতার আছে আর সর্বোচ্চ ৩০ দিন। এরপর তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরা লাগবে। এরপর তো প্রত্যেককে নিজ জায়গাগুলোতে ফেরা লাগবে। জনগণ তখন জুতা দিয়া পিটাবে।’
অভিযোগপত্রের বিষয়ে ইনকিলাব মঞ্চের এ নেতা বলেন, ‘ডিবি অফিস থেকে বলা হয়েছে, যেদিন শহীদ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়, সেদিন পাঁচটি টিম ছিল। তাহলে চার্জশিটে শুধু যারা গুলি করেছে, তাদের নাম কেন? বাকি টিমগুলো কোথায়? আমরা জানতে চাই।’

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ‘হাদি সমাবেশ’ করার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের এ ঘোষণা দেন।
এর আগে জুমার নামাজ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে রাজু ভাস্কর্যে এসে অবস্থান নিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তাঁরা।
এক সপ্তাহের মধ্যে ‘হাদি সমাবেশের’ ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানান জাবের। তিনি বলেন, ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে হাদি সমাবেশ করব। সেখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে। তারিখ ও সময় পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। সমাবেশ থেকে একটাই বার্তা দেব—দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে যারা যাবে, তারা কোনো দিন দেশের মাটিতে আশ্রয় পাবে না। দেশের মাটিতে তাদের জানাজা পর্যন্ত হবে না।’
সব রাজনৈতিক দলকে এই সমাবেশে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হবে উল্লেখ করে জাবের বলেন, ‘সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করতে আমরা সব রাজনৈতিক দলের কাছে যাব। সমাবেশের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো কী চায়, সেটি নিশ্চিত হয়ে যাব। এরপর আমরা ৩০০ আসনে ইনসাফের জন্য ছড়িয়ে–ছিটিয়ে যাব। আমরা কোনো বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, চরমোনাই চিনি না, আমরা শুধু চিনি ইনসাফ।’
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহযোগিতা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আবদুল্লাহ আল জাবের বলেন, ‘প্রতি পদে পদে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের অসহযোগিতা করা হচ্ছে। যখনই রাষ্ট্রের যাদেরই বলতে যাই, বলে, এটা আমার দায়িত্ব না, এটা অমুকের দায়িত্ব। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বললে আইনজীবীকে দেখায়া দেয়। আইন উপদেষ্টাকে বললে আদালত দেখায়া দেয়।’
নাম উল্লেখ না করে অন্তর্বর্তী সরকারে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তিকে সতর্ক করে জাবের বলেন, ‘ক্ষমতার আছে আর সর্বোচ্চ ৩০ দিন। এরপর তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরা লাগবে। এরপর তো প্রত্যেককে নিজ জায়গাগুলোতে ফেরা লাগবে। জনগণ তখন জুতা দিয়া পিটাবে।’
অভিযোগপত্রের বিষয়ে ইনকিলাব মঞ্চের এ নেতা বলেন, ‘ডিবি অফিস থেকে বলা হয়েছে, যেদিন শহীদ ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়, সেদিন পাঁচটি টিম ছিল। তাহলে চার্জশিটে শুধু যারা গুলি করেছে, তাদের নাম কেন? বাকি টিমগুলো কোথায়? আমরা জানতে চাই।’

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৯ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
১০ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
২০ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২৩ দিন আগে