নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিয়ের পরে স্ত্রীদের কাছ থেকে আদায় করতেন যৌতুক। আর এভাবে গত ১১ বছরে চারটি বিয়ে করেন শফিকুল ইসলাম (৩২)। যৌতুকের দাবিতে প্রত্যেক স্ত্রীকে মারধর ও মানসিক নির্যাতন করতেন তিনি। সর্বশেষ চতুর্থ বিয়ে করেন ২০২০ সালে সাতক্ষীরার রোজিনা বেগমকে (৩৩)। যৌতুক নিয়ে কলহের জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রোজিনাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর আত্মগোপনে যান।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে শ্বাসরোধে গৃহবধূকে হত্যা ও যৌতুকের দাবিতে মারপিট করার দায়ে শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।
এর আগে, এলআইসির একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে গতকাল রোববার রাতে সিএমপির আকবর শাহ থানা এলাকা থেকে শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, গত ১৫ মে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন চরদাহ সাকিনস্থ জনৈক ছবিলার রহমানের ভাড়া করা বাসার তালাবদ্ধ ঘরে রোজিনা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্য বিশ্লেষণ করে শফিকুল ইসলামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল হত্যার কথা স্বীকার করে সিআইডিকে জানিয়েছেন, যৌতুকের লোভে এ পর্যন্ত তিনি চারটি বিয়ে করেছেন। প্রথম বিয়ে ২০০৯ সালে নিজ এলাকার কোহিনুর খাতুনকে। এ সংসার মাত্র দুই মাস স্থায়ী হয়। দ্বিতীয় বিয়ে ২০১১ সালে একই উপজেলার ফুলবাড়ী এলাকার শাহিদা খাতুনকে। এ সংসারের স্থায়ীত্ব ছিল এক বছর দুই মাস। তাঁদের জান্নাতি (৯) নামে একটি সন্তান রয়েছে। তৃতীয় বিয়ে ২০১৪ সালে। চট্টগ্রামের ফয়েজ লেক এলাকায় ড্রাইভিং পেশায় নিয়োজিত থাকাকালে রাশেদা বেগমকে বিয়ে করেন। তাঁদের খাদিজা আক্তার সুমাইয়া (৭) নামে একটি সন্তান রয়েছে।
এ সংসার বর্তমান থাকাবস্থায় ২০২০ সালে চতুর্থ বিয়ে করেন সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার রোজিনা বেগমকে (৩৩)। তাঁদের সংসারে এখনো কোনো সন্তান হয়নি।
বিশেষ পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রায় এক বছর ছয় মাস আগে নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেন তাঁরা। এরপর শফিকুল ইসলাম কালিগঞ্জ থানা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে রোজিনাকে নির্যাতন করতেন।
মুক্তা ধর বলেন, গত ১৪ মে বিকেলে যৌতুকের দাবিতে রোজিনাকে মারপিট করার সংবাদ পেয়ে বাবার বাড়ির লোকজন গিয়ে ১ লাখ টাকা দিতে রাজি হয়। কিন্তু সেদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে শফিকুল ইসলাম ও রোজিনার মধ্যে আবার কথা কাটাকাটি হয়। পরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রোজিনাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান শফিকুল।
যৌতুক সম্পর্কিত খবর পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
এর আগের তিন স্ত্রীকেই যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে বিভিন্ন অংকের টাকা আদায় করার কথা স্বীকার করেছেন শফিকুল।

বিয়ের পরে স্ত্রীদের কাছ থেকে আদায় করতেন যৌতুক। আর এভাবে গত ১১ বছরে চারটি বিয়ে করেন শফিকুল ইসলাম (৩২)। যৌতুকের দাবিতে প্রত্যেক স্ত্রীকে মারধর ও মানসিক নির্যাতন করতেন তিনি। সর্বশেষ চতুর্থ বিয়ে করেন ২০২০ সালে সাতক্ষীরার রোজিনা বেগমকে (৩৩)। যৌতুক নিয়ে কলহের জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রোজিনাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর আত্মগোপনে যান।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে শ্বাসরোধে গৃহবধূকে হত্যা ও যৌতুকের দাবিতে মারপিট করার দায়ে শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডির এলআইসি শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) মুক্তা ধর।
এর আগে, এলআইসির একটি চৌকস টিম অভিযান চালিয়ে গতকাল রোববার রাতে সিএমপির আকবর শাহ থানা এলাকা থেকে শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, গত ১৫ মে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন চরদাহ সাকিনস্থ জনৈক ছবিলার রহমানের ভাড়া করা বাসার তালাবদ্ধ ঘরে রোজিনা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর সিআইডি ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্য বিশ্লেষণ করে শফিকুল ইসলামের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিকুল হত্যার কথা স্বীকার করে সিআইডিকে জানিয়েছেন, যৌতুকের লোভে এ পর্যন্ত তিনি চারটি বিয়ে করেছেন। প্রথম বিয়ে ২০০৯ সালে নিজ এলাকার কোহিনুর খাতুনকে। এ সংসার মাত্র দুই মাস স্থায়ী হয়। দ্বিতীয় বিয়ে ২০১১ সালে একই উপজেলার ফুলবাড়ী এলাকার শাহিদা খাতুনকে। এ সংসারের স্থায়ীত্ব ছিল এক বছর দুই মাস। তাঁদের জান্নাতি (৯) নামে একটি সন্তান রয়েছে। তৃতীয় বিয়ে ২০১৪ সালে। চট্টগ্রামের ফয়েজ লেক এলাকায় ড্রাইভিং পেশায় নিয়োজিত থাকাকালে রাশেদা বেগমকে বিয়ে করেন। তাঁদের খাদিজা আক্তার সুমাইয়া (৭) নামে একটি সন্তান রয়েছে।
এ সংসার বর্তমান থাকাবস্থায় ২০২০ সালে চতুর্থ বিয়ে করেন সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার রোজিনা বেগমকে (৩৩)। তাঁদের সংসারে এখনো কোনো সন্তান হয়নি।
বিশেষ পুলিশ সুপার আরও বলেন, প্রায় এক বছর ছয় মাস আগে নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেন তাঁরা। এরপর শফিকুল ইসলাম কালিগঞ্জ থানা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে রোজিনাকে নির্যাতন করতেন।
মুক্তা ধর বলেন, গত ১৪ মে বিকেলে যৌতুকের দাবিতে রোজিনাকে মারপিট করার সংবাদ পেয়ে বাবার বাড়ির লোকজন গিয়ে ১ লাখ টাকা দিতে রাজি হয়। কিন্তু সেদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে শফিকুল ইসলাম ও রোজিনার মধ্যে আবার কথা কাটাকাটি হয়। পরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রোজিনাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান শফিকুল।
যৌতুক সম্পর্কিত খবর পড়তে - এখানে ক্লিক করুন
এর আগের তিন স্ত্রীকেই যৌতুকের দাবিতে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে বিভিন্ন অংকের টাকা আদায় করার কথা স্বীকার করেছেন শফিকুল।

বিভিন্ন মডেলের ৩৬৩টি আইফোন ও আইফোনের খুচরা যন্ত্রাংশসহ তিন চীনা নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। প্রাথমিকভাবে তাঁদের নাম জানায়নি ডিবি। আজ বুধবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র তালেবুর রহমান।
৬ দিন আগে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর জামিনে মুক্তি পান ঢাকার বেশ কয়েকজন শীর্ষ সন্ত্রাসী। পলাতক এসব সন্ত্রাসী ও তাঁদের অনুসারীরা আবারও চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে একের পর এক গুলি ও হত্যাকাণ্ডে এসব শীর্ষ সন্ত্রাসীর সম্পৃক্ততার তথ্য...
৭ দিন আগে
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় গত শুক্রবার সকালে একটি মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে নারী, শিশুসহ চারজন আহত হয়েছে। মাদ্রাসাটি শেখ আল আমিন নামের এক ব্যক্তি পরিচালনা করতেন। যিনি এর আগে নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। দেশের বিভিন্ন থানায়
১৭ দিন আগে
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২-এর বিশেষ অভিযানে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৮ হাজার ৫৯৭ জনকে। গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ৮৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
২০ দিন আগে